wc2018final

ওয়েবডেস্ক: দলগত সংহতি যে একটা দলের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি তা ফ্রান্সের বিশ্বকাপ সাফল্য দেখলেই বোঝা যায়। দলে না ছিল ছোটো-বড়ো বলে কোনো বিভেদ না কোনো ইগোর অনুপাত। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ থেকে ফাইনাল পর্যন্ত সব খেলোয়াড়ই নিজের জায়গায় রীতিমতো দক্ষতা দেখিয়ে দলকে সাফল্য এনে দিয়েছে। যার ফলে আগামী চার বছরের জন্য বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের তকমা উঠেছে তাঁদের মুকুটে। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফ্রান্সের দিকে নজর ছিল বিশ্ব ফুটবলের। যার কারণ দলের ভারসাম্য। আপফ্রন্ট হোক কিংবা রক্ষণ, খেলোয়াড়দের মধ্যে রীতিমতো টক্কর ছিল প্রথম এগারোয় জায়গা করে নেওয়ার।

দলে ভারসাম্য থাকলে যে কোনো খেলোয়াড়ই দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেন। টুর্নামেন্টে যা প্রমাণ করেছে ফ্রান্স। সেই তালিকায় অন্যতম দামি খেলোয়াড় ফরাসি ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমতিতি। ফাইনালে একটি দল হারবে একটি দল জিতবে। কিন্তু তার থেকে বেশি জরুরি বা চাপের ম্যাচ কিন্তু সেমিফাইনাল। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিতে যা ভালো মতনই বুঝেছিলেন গ্রিজম্যান, জিরুরা। বেলজিয়ামের মতো ডার্ক হর্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তুলনামুলক বিচার করলে সেই ম্যাচ বেলজিয়ামই কিছুটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু ফুটবলে আসল ব্যাপার গোল। যে দিক দিয়ে এগিয়ে ছিল ফ্রান্স।

ম্যাচের একমাত্র গোল করে দেশকে ১২ বছর পর ফাইনালে তোলেন ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমতিতি। ফলে তিনি যে ম্যাচের হিরো ছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে ফাইনালে অনবদ্য পারফরমেন্স। প্রথম বিশ্বকাপ জিতলে যে কোনো খেলোয়াড়ই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। স্যামুয়েলের ক্ষেত্রেও তাই। তবে তাই বলে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে স্নান। বিশ্বাস হয়তো করতে পারছেন না কিন্তু এটাই হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করলেন তিনি। যা রীতিমতো ভাইরাল। দেখা যাচ্ছে টয়লেটে হাতে বিশ্বকাপ নিয়ে আনন্দে আত্মহারা। পোস্টে তিনি লেখেন, “সবচেয়ে সুন্দরীর সঙ্গে এই স্নানটা খুব জরুরি ছিল”।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন