ronaldo-celebration

রিয়াল মাদ্রিদ-৩(রোনাল্ডো-২, মার্সেলো ১)    পিএসজি-১(র‍্যাবিয়ট)

ওয়েবডেস্ক: চুটিয়ে খেলছিলেন নেইমার। অন্যদিকে প্রথমার্ধেই দুটি গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন সিআর সেভেন। তার মধ্যে একটা তো গোলকিপারকে একা পেয়েও গায়ে মারলেন। কিন্তু মিস করলেও রোনাল্ডো বারবার নজর কাড়ছিলেন। মনে হচ্ছিল নেইমারের দলের বিরুদ্ধে কিছু একটা করার জন্য মুখিয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু দু’দলের দুরন্ত ছন্দবদ্ধ ফুটবল ততক্ষণে দর্শকদের মন মহাতারকাদের থেকে সরিয়ে নিয়েছে। দুদলের রক্ষণই চমৎকার আটকাচ্ছে নেইমার-রোনাল্ডোকে। আবার পরক্ষণেই সুখস্বপ্নের মতো পাসিং ফুটবলে ভেঙে যাচ্ছে ডিফেন্স। এমনটাই চলছিল। রোনাল্ডোর গোল মিসের হতাশা নিয়েই ঘরের মাঠে বুকে হাত চিপে বসেছিলেন রিয়ালের সমর্থকরা। এর মধ্যেই ডান দিক দিয়ে দৌড়ে গোলমুখে সেন্টার রাখলেন এমবেপে। কাভানি ফলস দিলেন নেইমারের জন্য। কিন্তু নেইমার তো সাধারণ নিয়মে চলেন না। পেছনে কে আসছে না দেখেই বল হালকা হিলে পেছনে ঠেললেন। রক্ষণ থেকে উঠে আসা র‍্যাবিয়ট জোরালো শটে গোল করলেন। এগিয়ে গেল নেইমারের দল পিএসজি।

কিন্তু খেলা দেখে কখনওই মনে হয়নি রিয়াল হারতে পারে। প্রথমার্ধের শেষে পেনাল্টি পেল তাঁরা। গোলকিপার ঠিক দিকেই লাফিয়েছিলেন। কিন্তু রোনাল্ডোর শটে যা জোর ছিল, তা রোখার ক্ষমতা ছিল না তাঁর।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে খেলার গতি কিছুটা কম। মনে হচ্ছিল বুঝি, দুদলই চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম লেগের ম্যাচটায় আর ঝুঁকি না নিয়ম ১ পয়েন্টেই থমকে যাবে। কিন্তু সেটা ছিল ভুল ধারণা। কিছুক্ষণ পেরোতেই ফের পুরোনো ছন্দ খেলায়। পিএসজির চাপ কিছুটা বেশি। তাঁদের বেশ কয়েকটা আক্রমণে রিয়াল ডিফেন্স ভাঙলেও বলে পা ছুঁইয়ে জালে জড়ানোর লোক পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যেই ম্যাচের ৮৩ মিনিটে প্রকৃত স্ট্রাইকারের মতো সুযোগের সদ্ব্যবহার করে গোল করলেন সিআর সেভেন। তারপর বাকি সাত মিনিট যেন খেই হারিয়ে ফেলল পিএসজি। ৮৬ মিনিটে আরও একটা গোল করলেন মার্সেলো। অনেকটা পিছিয়ে থেকেই নিজেদের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ শুরু করতে হবে নেইমারদের।

এদিনের অন্য ম্যাচে লিভারপুল ৫-০ গোলে হারাল এফসি পোর্তোকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here