ওয়েবডেস্ক: বিতর্ক থামছে না। ২৬ মে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে রেয়ালের রামোসের সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পেয়ে মাঠ থেকে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হয় এই মুহূর্তে দুনিয়ার অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার মহম্মদ সালাহ-কে। মিশর তাঁদের বিশ্বকাপের ২৩ জনের দলে সালাহকে রাখলেও তিনি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকে খেলতে পারবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ তাঁর কাঁধে চোট।

ওদিনের ঘটনার পর রামোসের কোনো শাস্তি না হলেও মিশরের এক আইনজীবী বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ চেয়ে রামোসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। জুনিয়ার প্রায় ৪ লক্ষ ফুটবলপ্রেমী রামোসের শাস্তি চেয়ে উয়েফাকে চিঠি দিয়েছে। বারবার নানা প্রশ্নে জেরবার করা হয়েছে রামোসকে। অনেকেরই ধারণা, সেদিন সালাহকে পুরো ম্যাচ খেলতে না দেওয়ার জন্য আগে থেকেই তাঁকে আহত করার প্রস্তুতি ছিল রেয়ালের সেই দায়িত্বই পালন করেছিলেন রামোস। এবার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল স্পেনের জাতীয় দলের এই ফুটবলারের।

এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রামোস বলেন, বারবার এক কথা শুনতে তাঁর বিরক্ত লাগছে। সেদিন আসলে সালাহই প্রথমে তাঁর হাত ধরেছিলেন। তাতে তিনি পড়ে যান। তিনি যেদিকে পড়েছিলেন, সালাহ তার বিপরীত হাতে চোট পেয়েছেন। রামোসের দাবি, ইঞ্জেকশন নিয়ে সালাহ সেদিনের ম্য়াচের দ্বিতীয়ার্ধে খেলতেই পারতেন। রামোস বলেন, তার সঙ্গে সালাহের কথা হয়েছে। মিশরের ফুটবল তারকা যথেষ্ট ভালো আছেন।

“আসলে আমি রামোস, বহুদিন মাদ্রিদে খেলছি, বহুদিন ধরে জিতছি,তাই আমার বিরুদ্ধে সবাই উঠেপড়ে লেগেছে। এরপর কবে শুনবো, আমার ঘামের বিন্দু গায়ে লাগায় কোনো ফুটবলারের ঠান্ডা লেগে গেছে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here