sony
ছবি সৌজন্যে: গোলডটকম

মোহনবাগান – ২ (কিমকিমা, সনি)                         আইজল – ২ (মাপুইয়া, ডেভিড)

ওয়েবডেস্ক: ফের পয়েন্ট নষ্ট মোহনবাগানের। ঘরের মাঠে লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও পয়েন্ট নষ্ট। ফুটবলে গোলই শেষ কথা। আর সেই গোল মিস যদি অব্যাহত থাকে তা হলে তার খেসারত তো দিতেই হবে। মোহনবাগানের ক্ষেত্রেও তাই। এই ম্যাচের আগের রীতিমতো পারদ চড়ছিল, যার কারণ মোহনবাগানের তারকা খেলোয়াড় সনি নর্ডি। তাঁর গোলে ম্যাচে লিডও পেয়ে গিয়েছিল গঙ্গাপারের ক্লাবটি কিন্তু শেষমেশ সংযোজিত সময় গোল হজমের কারণে এক পয়েন্টেই সন্তুষ্ট থাকতে হল শঙ্করলালের ছেলেদের।

এ দিন ম্যাচের শুরুতে অবশ্য কিছুটা জড়তা ছিল সবুজ-মেরুনের খেলায়। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য রাখতে শুরু করে তারা। সুযোগ পেয়েছিলেন পিন্টু মাহাতো কিন্তু তাঁর শট বাইরে। ক্রমাগত চাপ রাখার ফল পেয়েও গিয়েছিল তারা। ২৫ মিনিটে গোল করেছিলেন ডিকা, কিন্তু অফসাইডের জন্য তা বাতিল হয়ে যায়। সারা ম্যাচে ডিকার শুধুই এটাই অবদান। এই ম্যাচেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ তিনি। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই খেলার বিপক্ষে গিয়ে ম্যাচে লিড আইজলের। গোল করেন মাপুইয়া। তবে পিছিয়ে পড়েও হাল কিন্তু ছাড়েনি মোহনবাগান। বিরতিতে যাওয়ার মিনিটে দুয়েক আগে কিমকিমার বাঁ পায়ের দুর্দান্ত ইনসুইংয়ে ম্যাচে সমতা ফেরায় মোহনবাগান।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই জয়সূচক গোলের জন্য চাপ বাড়াতে থাকে সবুজ-মেরুন শিবির। এই ম্যাচে মোহনবাগানের প্রাপ্তি বলতে সনির গোল এবং মাঝমাঠে কিনোয়াকির নির্ভরতা। তিনি সুযোগ পেলেও তাঁর শট বিপদ তৈরি করতে ব্যর্থ। ম্যাচের ৬০ মিনিটে ওমরের পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামেন সনি। তিনি মাঠে নামলে মোহনবাগান যে বাড়তি এনার্জি পায় তা নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। ৬৯ মিনিটে নিজের একক দক্ষতায় মোহনবাগানকে এগিয়েও দেন তিনি। এর পরেও ব্যবধান বাড়াতে পারতো মোহনবাগান, কিন্তু সেই গোল মিস। সুযোগ হাতছাড়া হয় হেনরি, ডিকাদের। শেষমেশ সংযোজিত সময়ে ডেভিডের ফ্রি-কিকে মোহনবাগানের জয় আটকে দেয় আইজল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here