১০ ইপিএল স্ট্রাইকার যাঁদের কাছে বয়স কোনো ফ্যাক্টরই নয়

তেমনই এমনও অনেক স্ট্রাইকার আছেন যারা বর্ষীয়ান হয়েও, লিগে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ বয়স যে তাদের কাছে কোনো ফ্যাক্টরই নয় সেটাই বুঝিয়েছেন তাঁরা।

0
football

ওয়েবডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলে অন্যতম জনপ্রিয় লিগ ইপিএল। অনেক তারকা ফুটবলারই এই লিগে নিজেদের সেরাটা দিয়েছেন। তেমনই এমনও অনেক স্ট্রাইকার আছেন যাঁরা বর্ষীয়ান হয়েও, লিগে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। অর্থাৎ বয়স যে তাঁদের কাছে কোনো ফ্যাক্টরই নয় সেটাই বুঝিয়েছেন তাঁরা।

এমনই দশ স্ট্রাইকার যারা ইপিএলে প্রমাণ করেছেন বয়স কোনো ফ্যাক্টরই নয়-

১। পিটার বিয়ার্দসলি (নিউক্যাসল)

১৯৯৩/৯৪ মরশুমে নিউক্যাসল জার্সিতে বেশ নজর কেড়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স ৩২। আন্ডি কোলের সঙ্গে তাঁর পার্টনারশিপ দেখার মতো ছিল। দু’জন মিলে ৫৫ গোল করেছিলেন। নিউক্যাসেলের হয়ে ৫৬ গোল করেছেন তিনি।

beradsely600

২। টেডি শেরিংহাম (ম্যানইউ)

ম্যানইউ-র অন্যতম সেরা ফুটবলার। এফএ কাপ ফাইনালে গোল করেছিলেন পরিবর্ত হিসাবে। ১৯৯৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে দলের হয়ে গোল করে সমতা ফিরিয়েছিলেন। ৩৪ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন।

sheringham600

৩। রবিন ফান পার্সি (ম্যানইউ)

ইপিএলে আর্সেনাল জার্সিতে তাঁর খেলা শুরু। ২০১২ সালে ম্যানইউ-তে যোগ দেন। ২৯ বছর বয়সে ম্যানইউ-র হয়ে প্রথম মরশুমে ২৬ গোল করেছিলেন। ম্যানইউ জার্সিতে ইপিএল চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন।

rvp600

৪। জার্মেইন ডিফো (সান্দারল্যান্ড)

ইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলার। সান্ডারল্যান্ড, টটেনহ্যামে ফুটবল খেলেছেন। ২০১৬/১৭ মরশুমে লিগে সান্ডারল্যান্ডের হয়ে ১৫ গোলের সুবাদে ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে সুযোগ পান।

defoe600

৫। পিটার ক্রাউচ (স্টোক সিটি)

ইপিএলে বেশির ভাগ সময়টাই স্টোক সিটি জার্সিতে খেলেছেন তিনি। মোট ৪৫ গোল করেছেন যা ক্লাবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০২টি লিগ ম্যাচ খেলেছেন স্টোক জার্সিতে। যা ক্লাবের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ।

crouch600

৬। য়ুরগেন ক্লিন্সমান (টটেনহ্যাম)

জার্মান ফুটবলের কিংবদন্তি। ৩০ বছর বয়সে টটেনহ্যামে যোগ দেন। প্রথম মরশুমে সব টুর্নামেন্টে মিলিয়ে ৩০ গোল করেন। ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। বর্ষসেরা দলেও সুযোগ পান।

klinsmann600

৭। ফার্নান্দো লরিয়েন্তে (টটেনহ্যাম)

৩৪ বছর বয়সে টটেনহ্যামে যোগ দিয়ে লিগে মাত্র দুটি গোল করলেও, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নক-আউটে ম্যানসিটির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছিলেন। ফাইনালে লিভারপুলের বিরুদ্ধে তেমন দাগ কাটতে পারেননি।

lorente600

৮। টনি ইবোয়া (লিডস ইউনাইটেড)

১৯৯৫ সালে লিডস ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছিলেন। তার আগের দু’বছর জার্মান লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন। ইপিএলে ভলিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন। লিডসের বর্ষসেরা ফুটবলারও নির্বাচিত হন।

yeboah600

৯।  পাওলো ডি কানিও (ওয়েস্ট হ্যাম)

৩১ বছর বয়সে ওয়েস্ট হ্যামে যোগ দিয়েছিলেন। প্রথম মরশুমই ক্লাবের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ইপিএলে উইম্বল্ডনের বিরুদ্ধে তাঁর ভলিতে গোল অন্যতম সেরা গোল হিসাবে ধরা হয়।

diacaneo600

১০। গ্রাজিয়ানো পেল্লা (সাউদামটন)

সাউদামটনের হয়ে দু’মরশুম ইপিএলে খেলেছিলেন। ২৩ গোল করেছেন লিগে। সেই দুই মরশুমেই ক্লাবের হয়ে লিগে সর্বোচ্চ গোল করেছেন।

pelle600
------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.