ময়দানের তিন প্রধানে দাপিয়ে খেলা এই ফুটবলার নিজের জামাকাপড় কাচতেন নিজেই

0

সমীর গোস্বামী: সাতের দশকে তিনি ছিলেন ময়দানের এক আদর্শ ফুটবলার। কখনো কোনো বিষয়ে সমঝোতা না করে চলে এই ফুটবলার দৃষ্টান্ত রেখেছিলেন চরম পেশাদারিত্বের। যে কারণে ময়দানের তিনটি বড়ো ক্লাবে খেলতে গিয়ে তাঁকে জড়াতে হয়নি কোনো উটকো ঝামেলায়। তিনি মহম্মদ হাবিব।

পেশাদারিত্বে যে জায়গায় তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন তা সমসাময়িক কালে ছিল নিতান্তই বিরল। যখন যে দলের জার্সি গায়ে খেলেছেন, নিজের পারফরম্যান্স উজাড় করে দিতে কার্পণ্য করেননি। যত দূর জানি, সিটি কলেজ ওল্ড বয়েজ ক্লাবে খেলতেন হাবিব। সেখান থেকেই ময়দানের তিন প্রধানে খেলেছেন প্রায় ১৮ বছর।

mohammed habib bengali football player2

ময়দানে হাবিবকে নিয়ে বহুচর্চিত বিষয় ছিল ওঁর চারিত্রিক বলিষ্ঠতা। কোনো দিন কোনো প্রলোভনে পা দেননি। একাগ্রতার সঙ্গে নিষ্ঠা নিয়ে সারা মাঠে দাপিয়ে খেলে গিয়েছেন। নিজেকে তৈরি করার জন্য সর্বোচ্চ পরিশ্রম করেছেন। ফুটবল সাধনায় ছিল ওঁর অসম্ভব রকমের মনোনিবেশ। আড্ডা দিতে দেখা যেত না বললেই চলে।

আরও পড়ুন: মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল, দুই প্রধানে খেলা এই ফুটবলার ক্লাব ক্রিকেটেও করেছেন সেঞ্চুরি

অল্প প্র্যাকটিস সেরে মেসে ফিরে যেতেন। সেখানে নিজের জামাকাপড় নিজের হাতেই কাচতেন। মধ্যাহ্ন ভোজ সেরে দুপুরে দু’ঘণ্টা ঘুমোতেন। তার পর বিকালে কোনো সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতেন। শেষে রাত আটটার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তেন। এই রুটিন মেনে চলেছেন টানা ১৮টা বছর। এমনই শুনেছি তাঁর কাছ থেকে।

মহম্মদ হাবিবের ক্লাব:

১৯৬৬-১৯৬৮-ইস্টবেঙ্গল, ১৯৬৮-১৯৬৯-মোহনবাগান,

১৯৭০-১৯৭৪-ইস্টবেঙ্গল, ১৯৭৫-মহামেডান,

১৯৭৬-১৯৭৮-মোহনবাগান, ১৯৭৯-মহামেডান,

১৯৮০-১৯৮১-ইস্টবেঙ্গল, ১৯৮২-১৯৮৪ –মোহনবাগান

পরবর্তী অংশের জন্য দেখুন: http://www.guide2think.com/

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন