চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: নাটকীয় ম্যাচে সিটিকে ছিটকে সেমিতে টটেনহ্যাম, সহজে পৌঁছল লিভারপুলও

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই ম্যাচটি বহুদিন ফুটবলপ্রেমিরা মনে রাখবেন। রীতিমতো অবাক কাণ্ড ঘটিয়েছে এই ম্যাচ। শুরু থেকেই গোলের বন্যা

0
city

ম্যানসিটি – ৪     টটেনহ্যাম – ৩ ( দুই পর্ব মিলিয়ে ৪-৪, ৩টি অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে পরবর্তী রাউন্ডে টটেনহ্যাম)

ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার রোনাল্ডোদের জুভেন্তাসকে হারিয়ে চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফের একবার চমক দেখিয়েছিল আয়াখস। সেই ম্যাচের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফের একবার অঘটন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবিদার, ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন ম্যান সিটি ছিটকে গেল টুর্নামেন্ট থেকে। দু’লেগ মিলিয়ে অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল টটেনহ্যাম।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই ম্যাচটি বহুদিন ফুটবলপ্রেমীরা মনে রাখবেন। রীতিমতো অবাক কাণ্ড ঘটিয়েছে এই ম্যাচ। শুরু থেকেই গোলের বন্যা। প্রথম কুড়ি মিনিটের মধ্যেই পাঁচ গোল। একটি গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি গোল। প্রায় কোনো কম্পিউটার বা ভিডিও গেমের মতোই।

ঘরের মাঠে স্টারলিংয়ের বিশ্বমানের গোলে ম্যাচে লিড সিটির। এরপরেই অ্যাওয়ে গোলের জন্য তাগিদ বাড়ায় টটেনহ্যাম। তিন মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোলে টটেনহ্যামকে ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে দেন দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা ফুটবলার সন। সেই লিড ছিল ক্ষণিকের জন্যই। সিলভা এবং স্টারলিংয়ের দ্বিতীয় গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকে শেষ করে সিটি। তবে পরবর্তী রাউন্ড যাওয়ার জন্য আরও একটি গোল দরকার ছিল সিটির। দ্বিতীয়ার্ধে সেটিও এনে দেন অ্যাগুয়েরো।

আরও পড়ুন: ধোনির অভাব বুঝল চেন্নাই, আরও বিপাকে পড়ল কলকাতা

কিন্তু তখনও নাটক বাকি ছিল। খেলার শেষ ভাগ জমজমাট ছিল ভিএআর নিয়ে। ফার্নান্দো লরিয়েন্টের সৌজন্যে আরও একটি অ্যাওয়ে গোল পেয়ে যায় টটেনহ্যাম। তবে কর্নার থেকে আসা বলে লরিয়েন্টের মাথা আগে লেগেছে না কি হাতে সেই দ্বন্দ্ব থাকলেও, ভিএআরের সাহায্যে সেটিকে গোলই দেন রেফারি। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে নিজের হ্যাটট্রিক সেরে দলকে সেমিতে পৌঁছেও দিতে পারতেন স্স্টারলিং। কিন্তু এক্ষেত্রে ভিএআরে তাঁর গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। ম্যাচ শেষে যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিটি কোচ গুয়ারদিওলা।

অন্য ম্যাচে পোর্তোকে দু’লেগ মিলিয়ে ৬-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল লিভারপুলও। দ্বিতীয় লেগে বাইরের মাঠে দলের হয়ে গোল পেলেন চার তারকা ফুটবলার সালাহ, মানে, ফিরমিনহো এবং ভ্যান ডাইক।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here