কলকাতা: দীর্ঘদিন একসঙ্গে ক্লাব চালিয়েছেন। তাঁদের ছয় দশকের বন্ধুত্বের কথা বারবার বলতেও দ্বিধা বোধ করেননি কখনও। কিন্তু সেসবই এখন অতীত। সামনে ক্লাবের নির্বাচন। তাঁরা এখন যুযুধান দুই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে।

এহেন পরিস্থিতিতেই এদিন মোহনবাগান বনাম জর্জ টেলিগ্রাফের খেলা দেখতে মাঠে এসেছিলেন প্রাক্তন(?) মোহন সভাপতি টুটু বসু। প্রথমার্ধটা বেঞ্চে বসেই দেখলেন। বেঞ্চের ও প্রান্তে তখন সচিব অঞ্জন মিত্র। কথা বলা তো দূরঅস্ত। কেউ কারও দিকে ঘুরেও তাকালেন না। বিরতির পর অবশ্য টুটু উঠে যান গ্যালারিতে। দ্বিতীয়ার্ধটা বেঞ্চে বসে একাই দেখলেন অঞ্জন।

তাহলে দুই বন্ধুর বোঝাপড়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই? অঞ্জন মিত্রকে এই নিয়ে প্রশ্ন করতে তাঁর সাফ জবাব, “ফুটবল নিয়ে প্রশ্ন করুণ, এ সব নিয়ে কোনো কথা বলব না”। অন্যদিকে টুটু পুত্র তথা ক্লাবের পদত্যাগী সহ সচিব সৃঞ্জয় বসু বলছেন, দুই বন্দুর ঘনিষ্ঠতা যে আর নেই, তা তো বার্ষিক সাধারণ সভার সময়ই বোঝা গেছে। ভবিষ্যতে বন্ধুত্বে জোড়া লাগবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

ক্লাবের এক ওয়াকিবহাল মহল অবশ্য বলছে, এখন যতই দূরত্ব থাক, ভোটের এক দিন আগে হলেও বোঝাপড়া হয়ে যাবে দুই গোষ্ঠীর।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন