mbfinal

মোহনবাগান – ১                             জর্জ টেলিগ্রাফ – ০

ওয়েবডেস্ক: ফুটবলে গোলই শেষ কথা। তা ম্যাচের পরিসংখ্যান বা পজিশন যাই হোক না কেন। অন্তত আজকের ম্যাচে কিন্তু তা অনেকটাই প্রাসঙ্গিক। জর্জ টেলিগ্রাফকে এক গোলে হারিয়ে কলকাতা লিগ শীর্ষে চলে গেল মোহনবাগান। পরপর তিন ম্যাচে জয়। এ দিন অবশ্য মোহনবাগান কিন্তু ছিল অনেকটাই ছন্নছাড়া। অনেকটা বিরক্তিকর ফুটবল। তবে একই সঙ্গে জর্জের লড়াইকে কিন্তু কুর্নিশ জানাতেই হয়।

ঘরের মাঠে জয় পাওয়ার লক্ষে বড়ো দল যা করে সবুজ-মেরুনও তাই করার চেষ্টা চালিয়েছিল। চাপ বাড়ানো। কিন্তু খেলায় ছিল না কোনো সমন্বয়, না কোনো বৈচিত্র্য। তবে ম্যাচের ছয় মিনিটে ডিকার ফ্রি-কিক বারে না লাগলে ম্যাচে লিড নিতেই পারতো সবুজ-মেরুন। সুযোগ পেয়েছিলেন শিল্টন ডি’সিলভাও, কিন্তু তাঁর শট বাঁচিয়ে দেন জর্জ কিপার লাল্টু। তবে এ দিন জর্জের হয়ে সারা ম্যাচে ডিফেন্সে নজর কাড়লেন মোহনবাগানের প্রাক্তনী ইচে। বিপদ বাড়ানোর কোনো সুযোগ করতে দেননি তিনি। ফলে বিরতিতে খেলা গোলশূন্য।

দ্বিতীয়ার্ধেও চিত্রটা অনেকটা এক। বিরক্তিকর ফুটবলের নিদর্শন। তবে মাঝমাঠকে আরও জমাট করতে মোহন কোচ শঙ্করলাল মাঠে নামান গত ম্যাচের নায়ক মেহতাবকে। তবে এ দিন কিন্তু নিজের সুনামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ মোহন স্ট্রাইকার হেনরি। সুস্থ হয়ে দলে ফিরলেও, একশো শতাংশ এখনও ফিট নন তিনি। সঙ্গে তাঁর সতীর্থ ডিকাও। তবে কেন তিনি গত মরশুমে আইলিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন তা ফের প্রমাণ করলেন। সঠিক সময়ে জালে বল জড়ানো। ৭২ মিনিটে পরিবর্ত খেলোয়াড় তীর্থঙ্করের দেওয়া মাপা বলে জয়সূচক গোল ডিকার। নিখুঁত হেডার। তবে এক গোল যে কখনোই নিরাপদ নয়, তার প্রমাণ ফের পেতেন উপস্থিত দর্শকেরা। শুভকুমারের ফ্রি-কিক থেকে হেডে অবধারিত গোল প্রায় পেয়ে গিয়েছিলেন জর্জের বিদেশি নাকামুরা। কিন্তু সঠিক সময়ে নিজের অনবদ্য প্রদর্শন রেখে তা বাঁচিয়ে দেন এ দিনের মোহন গোলকিপার শঙ্কর।

ফলে জয়ের হ্যাটট্রিক সেরে ফের লিগ শীর্ষে মোহনবাগান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন