১৭ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কেরিয়ারে মাত্র ৫৫ টা টেস্ট খেলেছিলেন হানিফ মহম্মদ। সে সময় পাকিস্তান টেস্ট খুব কম খেলত। তাই ১২টার বেশি সেঞ্চুরি করা হয়নি তাঁর। শচিনের আগে তাঁকেই লিটল মাস্টার বলে চিনত ক্রিকেট বিশ্ব। শচিন পরবর্তী দুনিয়া তাঁকে মনে রেখেছে ‘অরিজিনাল লিটল মাস্টার’ নামে।

বৃহস্পতিবার জীবনের বাইশ গজ থেকে বিদায় নিলেন হানিফ মহম্মদ। অবশ্য মৃত্যুর আগে এক চমকপ্রদ জীবনীশক্তির পরিচয় পরিচয় রেখে গেলেন এই অসাধারণ ব্যাটসম্যান। বৃহস্পতিবার সকালেই ‘মৃত্যু’ হয় হানিফের। তাঁর ছেলে শোয়েব মহম্মদ ঘোষণাও করে দেন বাবার মৃত্যু সংবাদ। কিন্তু মাত্র ৬ মিনিট জীবিত ছিল সেই সংবাদ। তারপরই হৃদস্পন্দন ফিরে আসে ৮১ বছরের হানিফের। শেষ রক্ষা অবশ্য করা গেল না।

দু’ সপ্তাহ আগে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যার কারণে করাচির আগা খান হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হানিফকে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৩০ জুলাই থেকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল তাঁকে। ২০১৩ সালে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হ’ন হানিফ। পরে সেই ক্যান্সার ছড়িয়ে যায় শরীরের নানা জায়গায়।

১৯৫৪-৫৫ সালে প্রথম যে পাকিস্তান ক্রিকেট দল ভারত সফরে এসেছিল, তার সদস্য ছিলেন হানিফ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তাঁর ৩৩৭ রানের ইনিংসটি এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দীর্ঘতম টেস্ট ইনিংস ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here