কমনওয়েলথ গেমস ২০২২: একদিনে কুস্তিতে তিন সোনা ভারতের

0

বার্মিংহ্যাম: কুস্তিতে সোনালি দিন গেল ভারতের। একদিনে এল তিনটে পদক। প্রথমে বজরং পুনিয়া, তার পর সাক্ষী মালিক এবং সব শেষে দীপক পুনিয়া, সোনা জিতলেন তিন জনই।

৮৬ কেজি বিভাগে পাকিস্তানের মহম্মদ ইনামকে ৩-০ পয়েন্টে হারালেন দীপক। কমনওয়েলথ গেমসে এই প্রথম সোনা জিতলেন হরিয়ানার কুস্তিগির। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিমধ্যেই রুপো রয়েছে তাঁর। এই নিয়ে কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের ন’টি সোনার পদক হয়ে গেল। কুস্তিতে দেড় ঘণ্টার মধ্যে তিনটি সোনা এল। অংশু মালিক ফাইনালে হেরে না গেলে আরও একটি সোনা আসতে পারত।

অন্যদিকে, ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে কানাডার লাচলান ম্যাকনিলকে ৯-২ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন বজরং পুনিয়া। চার বছর আগে গোল্ড কোস্টের পর বার্মিংহাম কমনওয়েলথ গেমসেও সোনা জিতলেন ভারতের এই কুস্তিগির। ২০১৪-র গ্লাসগো গেমসে তিনি ৬১ কেজি বিভাগে রুপো পেয়েছিলেন।

৬৫ কেজি বিভাগে ভারতের অন্যতম সেরা বাজি ছিলেন বজরং। তাঁর কাছ থেকে পদকের আশা করেছিলেন প্রত্যেকেই। হরিয়ানার কুস্তিগির হতাশ করলেন না। টানা তৃতীয় বার কমনওয়েলথ গেমস থেকে পদক এনে দিলেন তিনি।

গত বছর টোকিও অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন বজরং। হারান দৌলত নিয়াজবায়েকভকে। তবে অলিম্পিক্সের তুলনায় কমনওয়েলথে তাঁর লড়াই কিছুটা হলেও সহজ ছিল। কারণ, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তানের মতো কুস্তিতে নামী দেশগুলির প্রতিযোগীরা কমনওয়েলথে খেলেন না।

বজরং পুনিয়ার সোনা জয়ের পালা ছিল সাক্ষী মালিকের। শনিবার ফাইনালে কানাডার আনা গোদিনেজ গঞ্জালেজের বিরুদ্ধে ০-৪ পিছিয়ে পড়েছিলেন। এর পর টানা চারটি পয়েন্ট জেতেন সাক্ষী। পয়েন্ট সমান থাকলেও ‘ভিকট্রি বাই ফল’-এর বিচারে সাক্ষী জিতে যান।

বজরংয়ের মতো সাক্ষীও টানা তিনটি কমনওয়েলথে পদক জিতলেন। তবে সোনা এই প্রথম। এর আগে ২০১৪-র গ্লাসগো কমনওয়েলথ তিনি ৫৮ কেজি বিভাগে রুপো জিতেছিলেন। ২০১৮ গোল্ড কোস্ট গেমসে ব্রোঞ্জ জেতেন। এ বার পদকের রং বদলে সোনা এল।

সাক্ষীর জীবনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে অলিম্পিক্স পদক। ২০১৬ রিয়ো অলিম্পিক্সে ৫৮ কেজি বিভাগে আইসুলু টিনিবেকোভাকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন। 

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন