বজায় রইল ট্র্যাডিশন, এবি বাহিনীকে ধরাশায়ী করে শেষ চারে ভারত

0
542

দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯১ (ডি’কক ৫৩, ডু’প্লেসি ৩৬, ভুবনেশ্বর ২-২৩)

ভারত ১৯৩-২ ( ধাওয়ান ৭৮,  বিরাট অপরাজিত ৭৫, তাহির ১-৩৪)

লন্ডন: প্রথমার্ধে বোলারদের দাপট, দ্বিতীয়ার্ধে ব্যাটসম্যানদের হুঙ্কার। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’-এর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শেষ চারে উঠে গেল বিরাটবাহিনী।

তবে দক্ষিণ আফ্রিকার হেরে যাওয়াটাই ভবিতব্য ছিল। কারণ আইসিসি টুর্নামেন্টে তাদের রেকর্ড। দ্বিপাক্ষিক, ত্রিপাক্ষিক সিরিজে আধিপত্য দেখিয়ে, মোক্ষম সময়ে চোক করে যাওয়ার জন্যই তো ‘চোকার্স’ তকমা লেগে রয়েছে তাদের গায়ে। রবিবারও সেই ট্র্যাডিশন বজায় রইল।

টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক। শুরুটা ভালোই করেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান আমলা এবং ডি’কক। এই জুটিকে ভাঙতে আসরে নামতে হয়, গত দু’ম্যাচ ব্রাত্য থাকা রবিচন্দ্রণ অশ্বিনকে। আমলাকে ফিরিয়ে বিপক্ষ শিবিরে প্রাথমিক ধাক্কা দেন তিনি। এর পর তৃতীয় উইকেটে একটা পার্টনারশিপ তৈরি হয় দু’প্লেসি এবং ডি’ককের মধ্যে।

ভারতের বিরুদ্ধে যখনই অর্ধশতরান করেছেন, সোজা গিয়ে শতরানের পর থেমেছেন ডি’কক। রবিবারও যখন তিনি পঞ্চাশ পেরিয়ে যান, ভাবনা শুরু হয়ে গিয়েছিল এ বারও কি ভারতের ‘যম’ হিসেবে উপস্থিত হবেন তিনি। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজার দৌলতে সেটা আর হয়নি। ভালো শুরু করেও বেশি কিছু করতে পারেননি ডেভিলিয়ার্সও। ডেভিলিয়ার্স আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। বুমরাহ এবং ভুবনেশ্বরের বোলিং-এর সামনে নিজেদের শেষ আটটি উইকেট ৫১ রানে খোয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

১৯২ রান তাড়া করতে নেমে বিশেষ কাঠখড় পোড়াতে হয়নি ভারতকে। রোহিত শর্মাকে শুরুতে হারালেও, দুর্দান্ত পার্টনারশিপ তৈরি করেন বিরাট এবং শিখর ধাওয়ান। রোহিত আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফেরার একটা চেষ্টা দক্ষিণ আফ্রিকা করেছিল, কিন্তু বিরাট-শিখর জুটির সামনে তা ম্লান হয়ে যায়। খুব সন্তর্পণে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দু’জনে। অযথা তাড়াহুড়ো করেননি।

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে এতদিন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির রাজা বলা হত। সেই উপাধিতে এ বার ভাগ বসাচ্ছেন শিখর ধাওয়ান। আগের ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন রবিবার সেখান থেকেই তাঁর ইনিংস শুরু করেন শিখর। কিন্তু ৭৮ করে তাঁর তাল কেটে যায়। শতরানের কথা না ভেবে অযথা চালাতে গিয়ে আউট হন তিনি। তবে ভারত তাতে কোনো বিপদে পড়েনি। ধাওয়ানের বাকি রেখে যাওয়া কাজটুকু শেষ করেন যুবরাজ।

পাকিস্তান ম্যাচে দুর্ধর্ষ ইনিংসে পর রবিবারের এই ইনিংস। তিন বছর আগে এই ইংল্যান্ডে দুঃস্বপ্নের সিরিজ গিয়েছিল বিরাটের। এই টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত তা সুদে আসলে মিটিয়ে নিচ্ছেন তিনি। সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারতের।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here