ভারত ২৩২-৮ (দীপ্তি ৭৮, মিতালি ৫৩, উইরাকুডি ৩-২৮)

শ্রীলঙ্কা ২১৬-৭ (মনোদরা ৬১, সিরিওয়ার্দেনে ৩৭, পুনম ২-২৩)

ডার্বি: থামানো যাচ্ছে না মিতালিবাহিনীকে। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তানের পর এ বার শ্রীলঙ্কা। চারে চার করে সেমিফাইনালের দিকে আরও এক পা বাড়াল ভারত।

টসে জিতে মন্থর পিচে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক মিতালি রাজ। কিন্তু পাকিস্তান ম্যাচের মতোই এ দিনও শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। প্রথম দু’টো ম্যাচে অসাধারণ ব্যাট করার পর, হঠাৎ করে ফর্ম হারিয়েছেন স্মৃতি মানধানা। এগারো ওভারের মধ্যেই স্মৃতি এবং পুনম রাউতকে হারায় ভারত। স্কোরবোর্ডে তখন উঠেছে মোটে ৩৮।

ইনিংস শুরু করতে বেশ হিমশিম খেতে হয় মিতালিকে। এক দিকে তিনি যখন বলের পর বল নষ্ট করে যাচ্ছেন তখন অপর প্রান্তে খুচরো রান নিয়ে চাপ বাড়তে দেননি দীপ্তি শর্মা। ১৭তম বলে প্রথম রানটি নেন মিতালি। তার পর অবশ্য যথেষ্ট সাবলীল খেলেছেন তিনি। মিতালি এবং দীপ্তির মধ্যে ১১৮ রানের পার্টনারশিপ তৈরি হয়। তবে সেই জুটিটা ভাঙতে ম্যাচে কিছুটা ফেরার চেষ্টা করে শ্রীলঙ্কা। দ্রুত আরও দু’টি উইকেট যায় ভারতের। তবে ষষ্ঠ উইকেটে কৃষ্ণমূর্তি এবং হরমনপ্রীত কৌরের মধ্যে পঞ্চাশ রানের জুটি ভারতকে ভদ্রস্থ স্কোরে পৌঁছে দেয়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বিপক্ষে শিবিরে ধাক্কা দেন ঝুলন। তবে তৃতীয় উইকেটে ছোটোখাটো জুটি তৈরি করেন হান্সিকা এবং আতাপাত্তু। তবে রানের গতিতে কখনোই ভারতকে টেক্কা দিতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ভারতের বোলারদের চাপা বোলিং-এ রান তোলা সমস্যা হয়ে উঠেছিল শ্রীলঙ্কার। এই চাপের মধ্যেই উইকেট খোয়াতে থাকে শ্রীলঙ্কা।

তবে শেষের দিকে ভারতের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার মনোদরা। দ্রুতগতিতে রান করার ফলে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার পর, ভারতের জেতাটা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। ১৬ রানে জিতে চারে চার করল ভারত। ভারতের পরের ম্যাচ শনিবার, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন