স্কোর চার উইকেটে ৪৮। হাতে মাত্র ছ’টি উইকেট। টেস্টে হার এড়ানোর জন্য অন্তত ৯০টি ওভার ব্যাট করে যেতে হবে। এই অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপর খুব কম মানুষই বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু অসাধ্যসাধন করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নেপথ্যে রোস্টোন চেসের দুরন্ত শতরান এবং দোসর ব্ল্যাকউড, ডাওরিচ আর অধিনায়ক হোল্ডারের  অর্ধশতরান।

বুধবার, শেষ দিন খেলা শুরু হওয়া সময় থেকেই মারমার-কাটকাট শুরু করেন ব্ল্যাকউড। ৩৪ ওভারে অশ্বিনের বলে আউট হন ব্ল্যাকউড। তাঁর সংগ্রহ ৫৪ বলে ৬৩। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর তখন পাঁচ উইকেটে ১৪১। ইনিংসে হার এড়াতে তখন আরও ১৬৩ রান করতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ব্ল্যাকউড আউট হয়ে যাওয়ার পর রোস্টোন চেসের সাথে হাল ধরেন ডাওরিচ। দু’জনের পার্টনারশিপে আসতে আসতে ম্যাচ থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করে ভারত। দু’জনের মধ্যে ১৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে। ৭৪ করে যখন মিশ্রর বলে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন ডাওরিচ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর তখন ছয় উইকেটে ২৮৫। তখনও টেস্ট জেতার সুযোগ ভারতের কাছে। কিন্তু চেসের সাথে এ বার জুটি বেঁধে সেই সুযোগ ব্যর্থ করে দেন অধিনায়ক হোল্ডার। এর মধ্যেই কেরিয়ারে নিজের প্রথম শতরানটি করে ফেলেন চেস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর যখন ছয় উইকেটে ৩৮৮, দিনের খেলায় ইতি টানেন আম্পায়াররা। ১৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন চেস আর হোল্ডার করেন অপরাজিত ৬৪।

প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে এবং দ্বিতীয় ইনিংসে শতরান করে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন চেস। আগামী মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট থেকে সেন্ট লুসিয়ায় শুরু হবে তৃতীয় টেস্ট ম্যাচ।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here