পাণ্ড্য আর শামির দাপটে চালকের আসনে ভারত

0
870

ভারত (প্রথম ইনিংস) ৬০০ [ধাওয়ান ১৯০, পুজারা ১৫৩, পাণ্ড্য ৫০, প্রদীপ ৬-১৩২]

শ্রীলঙ্কা (প্রথম ইনিংস) ১৫৪-৫ [থরঙ্গা ৬৪, ম্যাথিউজ ৫৪ অপরাজিত, শামি ২-৩০]

গল: দিনের প্রথম অর্ধে ব্যাট হাতে শাসন করলেন হার্দিক পাণ্ড্য, দিনের শেষার্ধে দাপট দেখালেন মহম্মদ শামি। দিনের শেষে ম্যাচের রাশ এসে গিয়েছে ভারতের হাতে।

প্রথম দিন যে ভাবে ভারত শেষ করেছিল তাতে মনে করা হচ্ছিল আরও অনেক বেশি রান করবে বিরাটবাহিনী। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বোলিং-এর ধার অনেক বেশি ছিল। সেই জন্য দেড়শো পেরিয়ে বেশি দূর যেতে পারেননি পূজারা। পঞ্চাশের একটু পরেই থেমে যান রাহানে। অশ্বিন এবং ঋদ্ধিমানের মধ্যে একটা ভালো পার্টনারশিপ তৈরি হলেও, ঋদ্ধির ব্যাট থেকে খুব বেশি রান বেরোয়নি।

একটা সময় ভারতের স্কোর ছিল সাত উইকেটে ৪৯৫। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আট উইকেট পড়ে যায় ভারতের। শ্রীলঙ্কা তখন অক্সিজেন পেয়েছে। টার্গেট ভারতের লোয়ার অর্ডারকে দ্রুত ফেলে দেওয়া। কিন্তু সেটা হতে দিলেন না অভিষেককারী হার্দিক পাণ্ড্য। গত মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে যেখানে শেষ করেছিলেন এ দিন সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁর তাণ্ডবে ছন্নছাড়া হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার বোলিং। প্রথমে শামি এবং পরে উমেশ তাঁকে যোগ্য সঙ্গও দেন।

ভারতের পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। উমেশ যাদবের বলে আউট হন করুণারত্নে। কিন্তু তৃতীয় উইকেটে থরঙ্গা এবং গুণতিলকের মধ্যে একটা ভালো পার্টনারশিপ তৈরি হয়। যখন মনে হচ্ছিল এই জুটিটা আসতে আসতে নিজেদের থাবা বসাবে ম্যাচে, তখনই আঘাত আনেন শামি। গত বছর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের পর এই প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেছেন তিনি। একই ওভারে দ্বিতীয় এবং ষষ্ঠ বলে তাঁর বলে খোঁচা দিয়ে ফিরে যান গুণতিলক এবং মেন্ডিস।

তৃতীয় উইকেটে আবার ভালো জুটি তৈরি করেন থরঙ্গা এবং ম্যাথিউজ। দু’জনেই অত্যন্ত সাবলীল ভাবে খেলছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য থরঙ্গার। ফরওয়ার্ড শর্ট লেগের ছোড়া বলে রান আউট হন তিনি। কিছুক্ষণ পরেই অশ্বিনের প্রথম শিকার হন ডিকওয়েলা। দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা বেশ চাপে। তবে ম্যাথিউজ আছেন বলে এখনও ফলো-অন এড়িয়ে যাওয়ার আশা করতে পারে তারা।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here