নিয়মরক্ষার ম্যাচে স্বস্তির জয় পেল চেন্নাই

0

বেঙ্গালুরু: ১৪৫-৬ (বিরাট ৫০, এবি ডেভিলিয়ার্স ৩৯, কারান ৩-১৯)

চেন্নাই: ১৫০-২ (ঋতুরাজ ৬৫ অপরাজিত, রায়ুড়ু ৩৯, চাহল ১-২১)

Loading videos...

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এ বারের আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। অন্য দিকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর প্লে অফের দৌড়ে রয়েছে। টুর্নামেন্টের বাকি তিনটি ম্যাচ নিয়মরক্ষার ধোনিদের কাছে। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচেই স্বস্তির জয় পেল চেন্নাই।

টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলেও চেন্নাই যে এক চুলও জমি ছাড়তে রাজি ছিল না, সেটা বোঝা গেল এ দিন। রবিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আরসিবির অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

খেলা যত গড়াবে পিচ ততই মন্থর হবে। এই আশঙ্কা করেই কোহলি প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। বেঙ্গালুরুর প্রথম উইকেট পড়ে ৩১ রানে। স্যাম কারেনের বলে আউট হন অ্যারন ফিঞ্চ । আর এক ওপেনার পাড়িকল আউট হন ২২ রানে। আরসিবির রান তখন ৪৬। স্যান্টনারের বলে লং অন বাউন্ডারিতে ফ্যাফ দু’ প্লেসি ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড় রিলে ক্যাচে ফেরান বেঙ্গালুরুর ওপেনারকে।

এর পরে বেঙ্গালুরুর ইনিংস গোছানোর কাজ শুরু করেন কোহলি ও এবি ডেভিলিয়ার্স। এই দুই তারকা ব্যাটসম্যান খুব দ্রুত রান তুলতে পারেন। কিন্তু কোনো ভাবে অন্য দিনের মতো সেই জোশ এই দু’ জনের মধ্যে দেখা যায়নি।

কোহলি ও ডেভিলিয়ার্সের মধ্যে ৮২ রানের জুটি হলেও রানরেটে অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছিল। কোহলি অর্ধশতরান করতে ৪৩টা বল নেন। অন্য দিকে ৩৯ রান করতে ৩৬টা বল খরচ করে ফেলেন। এর ফলেই রানের গতি বাড়াতে পারেনি চেন্নাই।

অন্য ম্যাচগুলির মতো এ দিনও চেন্নাইয়ের হয়ে সব থেকে বেশি প্রভাব ফেলেন স্যাম কারান। তিন ওভারে হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৯ রান দেন তিনি। সেট হয়ে যাওয়া বিরাট আর ডেভিলিয়ার্স, দু’ জনকেই ফেরান তিনি। একই সঙ্গে ফিঞ্চের উইকেটটাও তিনিই নেন।

রান তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন ফাফ দু’প্লেসি এবং ঋতুরাজ গায়কওয়াড়। চলতি আইপিএলে চেন্নাইয়ের তরফে এমন দুর্দান্ত শুরু এর আগে খুব একটা দেখা যায়নি। ঝড়ের গতি রান তুলতে থাকেন দু’ জনে। তবে ষষ্ঠ ওভারের শুরুতেই দু’প্লেসিকে ফিরিয়ে দেন ক্রিস মরিস।

চেন্নাই এ দিন পুরোপুরি অন্য মুডে নেমেছিল। সেটা তাদের ব্যাটিং দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। বিশেষ করে এ দিন নজর কেড়েছেন গায়কওয়াড়। দুর্দান্ত কিছু শট যেমন খেলেছেন, তেমনই অযথা কোনো ঝুঁকিও নেননি। এই প্রথম বার, ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে নিজেদের জাত চেনালেন ঋতুরাজ।

স্ট্রাইক রেট বেশি না বাড়িয়ে ৪২ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ঋতুরাজ। অম্বতি রায়ুড়ুও ভালোই খেলছিলেন। ঋতু আর রায়ুড়ুর জুটিই বেঙ্গালুরুকে ম্যাচ থেকে বের করে দেয়। তবে ২৭ বলে ৩৯ রানের একটা ইনিংস খেলে রায়ুড়ু আউট হতেই চার নম্বর নামেন ধোনি। সহজ হয়ে এসেছে ম্যাচ, এই পরিস্থিতিতে নিজের ঝুলিতে কিছু রান সংগ্রহ করে রাখাই ছিল ধোনির লক্ষ্য।

তৃতীয় উইকেটের জুটিটা আর ভাঙেনি। ধোনিকে উইকেটের অন্য প্রান্তে রেখেই, দলকে জিতিয়ে দেন ঋতুরাজ। এই ম্যাচটা চেন্নাই যে সহজ ভাবে জিতল, সেই পারফরম্যান্স আগের ম্যচগুলিতে দিলে তারা যে এই আইপিএলে অনেক ভালো জায়গায় চলে যেতে পারত, তা বলাই বাহুল্য।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন