Tewatia and Parag

হায়দরাবাদ: ১৫৮-৪ (মনীশ ৫৪, ওয়ার্নার ৪৮, আর্চার ১-২৫)

রাজস্থান: ১৬৩-৫ (তেওটিয়া ৪৫ নট আউট, পরাগ ৪২ নট আউট, রশিদ খান ২-২৫)

Loading videos...

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আইপিএল-এর লিগে একটা জায়গা করতে হলে এই জয়টা খুব দরকার রাজস্থান রয়্যালস-এর। অথচ এক সময় কেউ ভাবতেই পারেনি এই ম্যাচ রাজস্থানের পকেটে যাবে। ৭৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছে তাঁরা। সেখান থেকে ম্যাচ বার করে নিলেন রিয়ান পরাগ ও রাহুল তেওটিয়া। রাজস্থান ৫ উইকেটে হারিয়ে দিল হায়দরাবাদকে।

কে কে শর্মা আর রশিদ খানের বলের দাপটে পর পর উইকেট পড়েছে রাজস্থানের। কেউই উল্লেখযোগ্য স্কোর খাড়া করতে পারেননি। তারই মধ্যে একটু ঠেকনা দেন সঞ্জু স্যামসন (২৬)। কলকাতা থেকে আসা রবীন উথাপ্পা (১৮) এখনও ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। ১২ ওভারে ৭৮ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পরাগের সঙ্গী হন তেওটিয়া। আর তার পরেই ধুন্ধুমার কাণ্ড।

হাতে ৪৮ বল, জয়ের জন্য প্রয়োজন ৮০ রান। ম্যাচের চেহারা পুরো বদলে গেল। এত ক্ষণ রাজস্থানের প্লেয়াররা হায়দরাবাদের বোলারদের বিরুদ্ধে কেন গুটিয়ে ছিলেন বোঝা গেল না। পরাগ ও তেওটিয়ার অপরাজিত জুটি ৪৭ বলে ৮৫ রান করে দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জয় পকেটস্থ করল। পরাগ করলেন ২৬ বলে ৪২, আর তেওটিয়া করলেন ২৮ বলে ৪৩ রান।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নেয় হায়দরাবাদ। চলতি আইপিএলএর সেরা ওপেনিং জুটিগুলির মধ্যে অন্যতম হায়দরাবাদের জুটিটা। আগের ম্যাচে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে বিনা উইকেটে ১৬০ তুলে ডেভিড ওয়ার্নার আর জনি বেয়ারস্টো বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের হালকা ভাবে নিলে ভুল করবে অন্য দলগুলি। কিন্তু রবিবারের দুবাইয়ে সব হিসেবই যেন ওলটপালট হয়ে গেল।

সাম্প্রতিককালে ডেভিড ওয়ার্নারের যম হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন জোফরা আর্চার। গত বছর অ্যাসেজ সিরিজে বার বার ওয়ার্নারকে অসুবিধায় ফেলেছিলেন তিনি। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে আয়োজিত এক দিনের সিরিজেও সেটা বহাল ছিল। ফের একবার আর্চারের সামনে পড়ে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন ওয়ার্নার।

শুধু ওয়ার্নারই নন, আগের ম্যাচে প্রায় শতরান করে ফেলা জনি বেয়ারস্টোও চুপসে গিয়েছিলেন একদম। তাই প্রথম তিন ওভারে ৬ রানের বেশি তুলতেই পারেনি হায়দরাবাদ। প্রথম পাওয়ার প্লের শেষে তাদের স্কোর ১ উইকেটে ২৬। আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে এত কম রানের নজির খুব বেশি নেই। তবে পাওয়ার প্লের শেষে নিজেকে মেলে ধরেন ওয়ার্নার। হাত খোলার চেষ্টা করেন। অন্য দিকে ক্রিজে ধীরে ধীরে জমতে শুরু করেন মনীশ পাণ্ডেও।

অর্ধশতরান থেকে মাত্র দুই রান দূরে ওয়ার্নার যখন আউট হলেন তখন হায়দরাবাদ একশোয় পৌঁছোতে পারেনি। অথচ ১৫ ওভার প্রায় শেষের মুখে। রানরেট সাতের কম।

এখান থেকে কিছুটা আগ্রাসী হল কমলাবাহিনী। তিনটে ছয়ে সাজানো সুন্দর একটি ইনিংস খেলে পাণ্ডে আউট হয়ে যাওয়ার পর শেষের কয়েকটি ওভার চালিয়ে ব্যাট করেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন এবং ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অধিনায়ক প্রিয়ম গর্গ। এর ফলে দলের স্কোর ১৬০-এর কাছাকাছি নিয়ে যেতে সক্ষম হয় হায়দরাবাদ।

কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। গুরুত্বপূর্ণ জয় ছিনিয়ে নিল রাজস্থান রয়্যালস।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেল বেঙ্গালুরু, চলে এল প্রথম চারে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.