দিল্লি ১৬০-৬ [স্যামসন ৬০(৩৮), আয়ার ৪৭ (৩৭), কুল্টার-নাইল ৩-৩৪]

কলকাতা ১৬১-৩ [গম্ভীর ৭১(৫২), উথাপ্পা ৫৯ (৩৩), রাবাদা ২-২০]

কলকাতা: থামানো যাচ্ছে না কেকেআরের অশ্বমেধের ঘোড়াকে। গত শুক্রবার গুজরাতের বিরুদ্ধে হেরে সাময়িক একটু তাল কাটলেও, বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে জয়ের ট্র্যাকে ফিরেছিল কলকাতা। তার পর পুনেকে বধ করে এ দিন দিল্লিকে উড়িয়ে দিল টিম গম্ভীর।

এ দিনও দলের জয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করলেন রবিন উথাপ্পা এবং গৌতম গম্ভীর। আগের ম্যাচের মতোই এ দিনও প্রথমে তাণ্ডব শুরু করেন উথাপ্পা এবং সেটা ষষ্ঠ ওভারের পর। গম্ভীরের তখন মূল ভূমিকা ছিল উথাপ্পাকে স্ট্রাইক দিয়ে যাওয়া। উথাপ্পা ফিরে যেতেই গিয়ার বদলালেন গম্ভীর। ১৬০-এর টার্গেট তাড়া করতে কেকেআর সময় নিল ১৬.৩ ওভার।

গম্ভীর এবং উথাপ্পা। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যাটিং জুটি বিনা দ্বিধায় বলে দেওয়া যায়। গত কয়েক মরশুমে ওপেনিং জুটি হিসেবে যেমন সফল হয়েছিলেন, এ বার সফল হচ্ছেন তিন নম্বর উইকেটের জুটি হিসেবে। এই দু’জনের দাপটে বাকি ব্যাটসম্যানদের খুব একটা কিছু করতেও হচ্ছে না। শুক্রবার,  নিজের অর্ধশতরান পূরণ করতে উথাপ্পা নিলেন ২৪ বল। তুলনায় কিছুটা সময় নিয়ে খেলছিলেন গম্ভীর। তাঁর অর্ধশতরান আসে ৩৯ বলে।

উথাপ্পা যখন ফিরে যান ম্যাচ তখন কেকেআরের পকেটে চলে এসেছে। তাই অন্য দিনের মতো মনীশ পাণ্ডে রান না পেলেও কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি টিমকে। পাঁচ নম্বরে নামা শেল্ডন জ্যাকসনকে সঙ্গে নিয়েই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন গম্ভীর।

কেকেআর-এর শক্তি রান তাড়া করা, সেটা আন্দাজ করে এ দিনও টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেন গম্ভীর। দিল্লি কিন্তু শুরুটা দারুণ করেছিল। প্রথম পাঁচ ওভার, দশের কাছে রানরেট রেখে ব্যাট করে যাচ্ছিলেন দুই ওপেনার। পঞ্চম ওভারে নারিনের বলে করুণ নায়ার আউট হলেও তাতে রানের গতিতে কোনো ব্রেক লাগানো সম্ভব হয়নি। বরং শ্রেয়স আয়ারকে সঙ্গে নিয়ে দলকে দু’শোর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন সঞ্জু স্যামসন।

চোদ্দোতম ওভারে উমেশ যাদবের শিকার হন স্যামসন এবং দিল্লির রানের গতিতে হঠাৎ করে ব্রেক লেগে যায়। স্যামসনের কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন ঋষভ পন্থ এবং আয়ার। ঝোড়ো ব্যাটিং-এর জন্য পরিচিত করি অ্যান্ডারসন এবং ক্রিশ মরিশ ক্রিজে থাকলেও, কেউই কেকেআরের বোলিং-এর সামনে হাত খুলতে পারেননি। পনেরো ওভারে দিল্লির স্কোর ছিল ১৩১। পরবর্তী পাঁচ ওভারে ২৯-এর বেশি আসেনি তাদের ব্যাটে। এ দিনও কেকেআর-এর বোলিং-এর হিরো কুল্টার-নাইল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here