দিল্লি ১৬৮-৬ [স্যামসন ৩৯ (২৫) পন্থ ৩৮ (১৬), কাউল্টার নাইল ৩-২২]

কলকাতা ১৬৯-৬ [মনীষ ৬৯ নট আউট (৪৯), ইউসুফ ৫৯ (৩৯), জাহির ২-২৮]

দিল্লি: তিন বলে দরকার আট। বল করছেন অমিত মিশ্র। যিনি ওভারের প্রথম তিনটে বলে মাত্র এক রান দিয়েছে। চতুর্থ বলে তাঁর সামনে সেট হওয়া মনীশ পাণ্ডে। বল করলেন অমিত, উড়ে গেল গ্যালারিতে। ব্যাস, বাকিটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। মনীশের ব্যাটে ভর করেই দিল্লিকে হারাল কলকাতা নাইটরাইডার্স। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন ইউসুফ পাঠান।

কেকেআরের মালিক শাহরুখ যেমন চান মুম্বইকে হারাতে, অধিনায়ক গম্ভীর তেমন চান, দিল্লির মাঠে দিল্লিকে হারাতে। কারণ দিল্লি তাঁর ঘরের মাঠ। ২০১১-এর আইপিএলের নিলামে তাঁর ঘরের ফ্রাঞ্চাইসি ছাঁটাই করে দিয়েছিল তাঁকে। তখন থেকেই দিল্লির ওপর ‘রাগ’ গম্ভীরের। তিনি চান, যে করেই হোক এই ম্যাচে যেন জয় পায় কেকেআর। সোমবার মনীশের জন্যই মুখ পুড়ল না গম্ভীরের।

ওপেনার নিয়ে কেকেআরের এক্সপেরিমেন্ট এ দিনও চলল এবং সেখানে ডাহা ফেল কলকাতার টিম ম্যানেজমেন্ট। সুনীল নারিনের বদলে এ দিন ওপেনিং-এ নামেন কলিন দে গ্র্যান্ডহোম। প্রথম ওভারেই তাঁকে তুলে নেন জাহির খান। অন্য দিকে গম্ভীরের পাশাপাশি এ দিন ব্যাট চলেনি আগের ম্যাচে সেরা হওয়া উথাপ্পারও। তবে কেকেআর বিপদে পড়লেও তা থেকে উদ্ধার করেন মনীশ পাণ্ডে। সঙ্গী হিসেবে পান ইউসুফ পাঠানকে। ইউসুফকে দলে রাখা-না রাখা নিয়ে অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টকে। তিনি কেকেআরের হয়ে খুব একটা জ্বলে ওঠেন না। কিন্তু যখনই জ্বলে ওঠেন কেকেআরকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন। এ দিনও সেটাই হল। দু’জনের মধ্যে ১১০ রানের পার্টনারশিপ তৈরি হয়। ইউসুফ ফিরে যাওয়ার পর কেকেআরের জেতাটা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে ব্যাটসম্যানদের দোষে অহেতুক চাপে পড়ে যায় কেকেআর।

সোমবার প্রথমে ব্যাট করে শুরুটা ভালোই করেছিল দিল্লি। দুই ওপেনার সঞ্জু স্যামসন এবং স্যাম বিলিংসের দাপটে ষষ্ঠ ওভারেই দলকে পঞ্চাশ পার করিয়ে দেন। কিন্তু এর পরই দিল্লি ব্যাটিং-এ ব্রেক লাগিয়ে দেন কেকেআরের বোলাররা। এ দিন কলকাতার সব থেকে সফল বোলার অস্ট্রেলিয়ার ন্যাথান কাউল্টার নাইল। চার ওভারে ২২ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন তিনি। তবে দিল্লি এ দিন আরও কম রানে আটকে যেত যদি না ঝড়ের গতিতে ইনিংসটা খেলতেন ঋষভ পন্থ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here