ভারত: ৬০০ ও (দ্বিতীয় ইনিংস) ১৮৯-৩ (মুকুন্দ ৮১, কোহলি ৭৬, গুণতিলক ১-১৫)

শ্রীলঙ্কা: (প্রথম ইনিংস) ২৯১ [পেরেরা ৯২ অপরাজিত, ম্যাথিউজ ৮৩, জাদেজা ৩-৬৭]

গল: আট ইনিংস পর টেস্টে রান পেলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রান এল অভিনব মুকুন্দের ব্যাটেও। এর আগে বল হাতে জ্বলে উঠেছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। সব মিলিয়ে গল টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কার ঘাড়ে চেপে উঠেছে ভারত। এখনই লিড ৪৯৮ রানের।

বিপক্ষকে ফলোঅন না করানোটা বেশির ভাগ অধিনায়কের কাছে এখন একটা ‘ট্রেন্ড’ হয়ে গিয়েছে। বোলারদের ক্লান্ত হয়ে যাওয়ারই যুক্তি দেন অধিনায়করা। সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার গরম আবহাওয়ায় বোলারদের বিশ্রাম চেয়েছিলেন কোহলি। তাই ৩০৯ রানের লিড থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বার ব্যাট করা সিদ্ধান্ত নেয় টিম ইন্ডিয়া।

প্রথম ইনিংসের দুই সর্বোচ্চ রানকারী ব্যাটসম্যানই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থ এবং প্রথম ইনিংসের দুই ব্যর্থ ব্যাটসম্যানই দ্বিতীয় ইনিংসে সফল। এক দিকে অভিনব মুকুন্দ, যিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেও, কাজে লাগাতে পারেন না। প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হওয়ার পর টুইটারে ‘ট্রোল্‌ড’ হতে হয়েছে তাঁকে। অন্য দিকে কোহলি, যিনি সাম্প্রতিক একদিনের ম্যাচগুলোয় রান পেলেও, অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে টেস্ট উল্লেখযোগ্য রান পাননি।

ভারতের স্কোর যখন দুই উইকেটে ৫৬, জুটি বাঁধেন দু’জনে। স্বাভাবিক ভাবেই দু’জনের মধ্যে অনেক আগ্রাসী ছিলেন বিরাটই। বিপক্ষ বোলাররা এক বারের জন্যও পরাস্ত করতে পারেননি তাঁকে। অন্য দিকে সাবলীল ছিলেন মুকুন্দও। শ্রীলঙ্কার রক্তচাপ বাড়িয়ে অর্ধশতরান পেরিয়ে যান দু’জনেই। দিনের একদম শেষ লগ্নে মুকুন্দকে এলবিডব্লিউ করেন পেরেরা। চতুর্থ দিন নিজের শতরান পূর্ণ করাই টার্গেটি হবে কোহলির।

দিনের শুরুতে অবশ্য জ্বলে উঠেছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। শ্রীলঙ্কার শেষ চারটে উইকেটের মধ্যে তিনটেই তাঁর। দুর্দান্ত ব্যাট করলেও শতরানের থেকে সতেরো রান আগে থেমে যান ম্যাথিউজ। অন্য দিকে পার্টনারের অভাবে শতরান পাননি পেরেরা। এই সবের মধ্যে কিছুটা অবশ্য ভাবাচ্ছে অশ্বিনের সে ভাবে জ্বলে উঠতে না পারা। দ্বিতীয় ইনিংসে অশ্বিন চাইবেন ফর্মে ফিরতে।

ভারতের লক্ষ্য হবে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ছেড়ে দেওয়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here