পুনে: আরসিবি ৯৬-৯, বিরাট ৫৫। শনির দশা কিছুতেই কাটছে না বিরাট কোহলির। জাতীয় দলের হয়ে চূড়ান্ত ভাবে সফল হওয়া কোহলিকে যে এ রকম দিন দেখতে হবে তা তিনি কস্মিনকালেও ভাবতে পারেননি। পুনের বিরুদ্ধে একা কুম্ভ হয়ে ব্যাট করে গেলেন তিনি, সেই সঙ্গে দেখে গেলেন দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের অসহায় আত্মসমর্পণ।

অথচ এ দিন ম্যাচের প্রথম অর্ধে বেঙ্গালুরুরই আধিপত্য ছিল। পুনের বিরুদ্ধে টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। বেঙ্গালুরুর বোলাররা পুনের ব্যাটসম্যানদের স্বস্তিতে রাখেননি। কুড়ি ওভারে ১৫৭-এর বেশি করতে পারেনি পুনে। তবে সেই ইনিংসেও উজ্জ্বল ছিলেন বাংলার মনোজ তিওয়ারি। চারটে চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ৩৫ বলে ৪৪ করেন মনোজ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমেই উইকেট খোয়াতে শুরু করে বেঙ্গালুরু। গত দু’ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার ফলে এ দিন গেলকে খেলায়নি বেঙ্গালুরু। কিন্তু তাতেও ভাগ্য ফিরল না আরসিবির। বিরাটের রানটুকু বাদ দিলে বাকি ব্যাটসম্যানদের রান যথাক্রমে ২,৩,৭,২,১,৩,৫,২, ৪ এবং অপরাজিত ৮।

এখনও পর্যন্ত সাফল্যের চুড়োয় থাকা অধিনায়ক বিরাটের কাছে এটা যে ভয়ঙ্কর দুঃসময়, সেটা এখনও বলে দেওয়া যায়। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের এ রকম পার্ফরমেন্স কেন, বিরাটকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সম্ভবত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ব্যর্থ হওয়ার ভয় ঢুকে গিয়েছে, সে জন্যই তারা কিছু করতে পারছে না।” সেই সঙ্গে তিনি বলেন প্লে-অফের বাইরে চলে গেলেও পরের চারটে ম্যাচ খোলা মনে খেলতে চায় আরসিবি।

এই ম্যাচ হেরে প্লে-অফে যাওয়ার আশা কার্যত শেষ হয়ে গেল আরসিবির। কিন্তু আরও একটা বড়ো প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেল। কোহলি, ডেভিলিয়ার্স, কেদার যাদবরা নিজেদের জাতীয় দলের হয়ে এত সফল হওয়া সত্ত্বেও, আইপিএলে তাদের এ রকম দশা হল কেন? তা হলে কি টিম ম্যানেজমেন্ট বা মালিকপক্ষের কোনো গলদ রয়েছে?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here