সানি চক্রবর্তী :

আই লিগ ও এএফসি কাপ মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে অপরাজিত দৌড় চলছে মোহনবাগানের। যার মধ্যে ১০ ম্যাচেই জিতেছে সঞ্জয় সেন ব্রিগেড। চোটআঘাত সবুজ-মেরুন শিবিরের নিত্যসঙ্গী হলেও দুরন্ত রিজার্ভ বেঞ্চের সুবাদে তাল কাটেনি তাদের। ফর্মের বিচারে মোহনবাগান ঠিক কোন জায়গায় রয়েছে, এই তথ্যগুলোর পরে আর নতুন করে বলে দিতে হয় না।

৯ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা সেই দলের কোচই নাকি সমীহ করছেন লিগ টেবিলে আট নম্বরে থাকা দলকে। চার্চিলের বিরুদ্ধে চেতলানিবাসীর সতর্ক হয়ে পড়ার কারণ ডেরেক পেরেরা। ভারতীয় ফুটবলের দীর্ঘদিনের এই পোড়খাওয়া কোচ কয়েক দিন হল গোয়ার দলটির দায়িত্ব নিয়েছেন। আর তার মধ্যেই তাদের ফুটবলে এসেছে দর্শনীয় পরিবর্তন। ভাস্কোর মাঠে তাই ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেওয়া পালটে যাওয়া চার্চিল মোটেই সহজ প্রতিপক্ষ হবে না।

সেই কথা মাথায় রেখেই গোয়াতে ম্যাচের আগে দিন ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় ধরেই অনুশীলন করেছে মোহনবাগান শিবির। এই মুহূর্তে ভারতীয়দের ঘুরতে যাওয়ার হটস্পটে বেশ গরম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতাও যথেষ্ট। তাই অনুশীলনের পাশাপাশি ফুটবলারদের কুলিং অফের কথাও মাথায় রাখতে হচ্ছে কোচকে। গরমের কষ্ট কাটাতে সুইমিং পুলে সময় কাটিয়ে ফুরফুরে থাকছেন সনি-ডাফিরা। এমনিতেই সালগাঁওকরে খেলার সময় থেকেই তিলক ময়দানে ডাফির ট্র্যাকরেকর্ড দারুণ। তাই আপফ্রন্টে ফিরে সেই রেকর্ড উন্নত করার দিকেই নজর থাকবে স্কটিশ স্ট্রাইকারের। তার সঙ্গে আপফ্রন্টে শুরু করতে পারেন বলবন্ত। আগের ম্যাচে জোড়া গোল করা জেজেকে পরে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে সঞ্জয়ের। দুই উইংয়ে খেলানোর জন্য সনি ও প্রবীর তার বর্তমানে প্রথম পছন্দ।

আসলে মাঝমাঠে কাটসুমি গত কয়েক ম্যাচে দুরন্ত খেলায় উইংয়ের বদলে শৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গী হিসেবে তাঁকে মাঝমাঠেই ব্যবহার করতে চাইছেন সঞ্জয়। রাইট ব্যাকে ফিরতে পারেন প্রীতম। লেফট ব্যাকে শুভাশিস ও ডিপ ডিফেন্সে খেলবেন এডু-আনাস। অ্যান্টনি উলফ-সুরাবুদ্দিন মল্লিক-ক্রোমাদের আটকাতে যাদের উপরে ভরসা করছেন বাগান কোচ। অন্য দিকে, প্রতিআক্রমণাত্মক খেলার দিকে ঝুঁকে ডেরেক। তাই বাগানের মাঝমাঠ ও ডিফেন্সকে এই ম্যাচে বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হবে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হলে।

ম্যাচ শুরু সন্ধে ৭ টা ৩৫ মিনিটে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন