মোহনবাগান-১         মিনের্ভা পঞ্জাব-০

লুধিয়ানা:  খেলা শুরুর আগেই সঞ্জয় সেনের ছেলেরা জেনে গিয়েছিল চার্চিলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৩৩ পয়েন্টে পৌঁছে গেছে আইজল এফসি। তবু গোটা ম্যাচ জুড়ে খারাপ ফুটবল খেলল বাগান। মিনার্ভে পঞ্জাবের স্ট্র্যাটেজি তো জানাই ছিল। বড়ো দলের বিরুদ্ধে ছোটো দল যেমন বরাবর খেলে এসেছে। সবাই মিলে ডিফেন্স। নেতৃত্বে কোরিয়ান কিম। এবং দুর্দান্ত গোলকিপার হর্ষদীপ।কিন্তু ক্লান্তিই হোক বা আত্মতুষ্টি- প্রথমার্ধ জুড়ে গোটা সবুজমেরুন ব্রিগেড দাঁড়িয়ে রইল।

দ্বিতীয়ার্ধে  কিছুটা ছন্দে ফিরছিল বাগান। এমন সময় আলো কমে যাওয়ায় খেলা থামল। তারপরও প্রাধান্য ছিল বাগানেরই। কিন্তু গোলের সুযোগ তৈরি হচ্ছিল না। ডাফি পুরো ম্যাচ জুড়ে কয়েকটা ফাঁকায় হেডের সুযোগ পেলেও একটাও গোলে রাখতে পারেননি। জেজে নিষ্প্রভ। এবং সবচেয়ে সমস্যার যেটা, তা হল, দু-তিন জন মিলে ঘিরে রেখে সোনি নর্দেকেও আটকে দিয়েছিল মিনার্ভা পঞ্জাবের কিম, করিমরা।

ইতিমধ্যে অবশ্য পিন্টু মাহাতোকে বদলে প্রবীর দাস এবং প্রবীরকে বদলে বলবন্তকে নামিয়েছেন সঞ্জয়। কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছিল না। চাপ বাড়াচ্ছিলেন কাতসুমিরা। লাভ হয়নি। এর মধ্যেই ৮৪ মিনিটের মাথায় প্রায় হাফ লাইনের কাছে পেছন থেকে উড়ে আসা পাস পেয়ে যান সোনি। সামনে তখন পঞ্জাবের মাত্রত্র এক জন ডিফেন্ডার। দীর্ঘ পথ দৌড়ে বল গোলে রাখলেন। কতটা চাপে ছিলেন, বোঝা গেল, যখন তিনি অকারণে কর্নার ফ্ল্যাগে লাথি মেরে হলুদ কার্ড দেখলেন। সম্পূর্ণ অপ্রোজনীয়। মিনার্ভা সারা ম্যাচে গোলের সুযোগ তেমন তৈরি করতে পারেনি। তাদের সেটা লক্ষ্যও ছিল না। ৯৩ মিনিটে একটা চমৎকার দূর পাল্লার শট মেরেছিলেন জেজে। গোলকিপার হর্ষদীপ দারুণ সেভ করেন।

১৬ ম্যাচে বাগানেরও হয়ে গেল ৩৩ পয়েন্ট। আইজলকে হারানোর সুবিধা নিয়ে তারাই লিগ শীর্ষে। পরের শনিবার মিজো পাহাড়ে বাগান বনাম আইজল। আই লিগের নিষ্পত্তির অনেকটাই সেখানে হয়ে যাওয়ার কথা। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here