মোহনবাগান-১(জেজে)    লাজং-১(ডিপান্ডা ডিকা)

শিলং: খেলার শেষের দিকটা ছিল টানটান। অনেক গোল হতে পারতো। দিতে পারতো দুই দলই। দু’ পক্ষের গোলকিপারই ম্যাচের নায়ক। প্রচুর গোল বাঁচালেন দু’জনেই। ম্যাচের শেষে দুই কোচেরই মনে হতে পারে, জিততে পারতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলা ফুটবলের ঐতিহ্য মেনে বড়ো ম্যাচে জয়ের পর পয়েন্ট খোয়াল সবুজমেরুন।

আসলে শেষ দিকটা যত টানটানই হোক, ম্যাচের বেশিরভাগ সময়টাই প্রাধান্য ছিল পাহাড়ি দলটার। প্রথমার্ধেই দু’গোলে এগিয়ে যেতে পারতেন ডিকারা। পারেননি দেবজিতের জন্য।আগের ম্যাচের নায়ক আজহারউদ্দিনের একটি শক্তিশালী নিচু শট আটকান লাজং-এর গোলকিপার বিশাল। প্রথমার্ধে অবশ্য বাগানের সোনি ছাড়া নজর কাড়তে পারেননি কেউ।

১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট হয়ে গেল কাতসুমিদের। আইজলেরও তাই। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকায় আই লিগের শীর্ষে উঠে এল সবুজমেরুন। 

দ্বিতীয়ার্ধে সঞ্জয় সেনের দুটি পরিবর্তন সবুজমেরুনের খেলায় গতি আনে। বলবন্তের পরিবর্তে নামেন জেজে। আজহারের পরিবর্তে প্রবীর দাস। মাঠে নামার ৬ মিনিটের মধ্যেই(৭৫ মিনিটে) চমৎকার লুপে দলকে এগিয়ে দেন জেজে। খানিকটা খেলার গতির বিরুদ্ধেই। তার দু মিনিট বাদেই পেনাল্টি পায় লাজয়। ৭৮ মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকেই গোল শোধ করেন ডিকা। কাতসুমি, সোনি, ডাফি, জেজে শেষটায় ঝড় তুললেও লাভ কিছু হয়নি।

তবে যেটা বলার, ১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট হয়ে গেল কাতসুমিদের। আইজলেরও তাই। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকায় আই লিগের শীর্ষে উঠে এল সবুজমেরুন। 

আই লিগে সব দলেরই ১৫টি ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। শেষ পর্বের আই লিগ কিন্তু টানটান। মোহনবাগান কিংবা আইজল পয়েন্ট নষ্ট করলেই লড়াইয়ে ঢুকে যাবে মরগ্যানের ছেলেরা। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here