মোহনবাগান- ১ (ডাফি)

ভ্যালেন্সিয়া –  ১(ওমোদু)

মালে: প্রথম দলের ৬ জন নেই। কোচ সঞ্জয় সেন নেই। উপায়ও ছিল না হয়তো। হাই ভোল্টেজ আই লিগের মাঝে বিদেশ-বিভুঁই ঘুরিয়ে দলকে ক্লান্ত করতে চাননি মোহনবাগান কর্তারা। অথবা হয়তো ভেবেছিলেন, দুর্বল ভ্যালেন্সিয়াকে তাদের ঘরের মাঠে হারাতে এই দলই যথেষ্ট। যদিও এদিন অ্যাওয়ে ম্যাচ বলে নিষ্চয় তেমন টের পাননি ডাফি, কতসুমি, শিলটনরা। কারণ গ্যালারি ছিল প্রায় পুরো ফাঁকা। ৬ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের ফাইনাল পাস ধরে গোলও করে ফেলেন ডাফি। তারপর চলল বিরক্তিকর ফুটবল। মনে হচ্ছিল, মোহনবাগানেরও কিছু করার ইচ্ছা নেই আর গোল দেওয়ার ইচ্ছা নেই ভ্যালেন্সিয়ার।

এসবের মধ্যেই ৭২ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল শোধ করে মালদ্বীপের দলটি। তারপর বরং কিছুটা চাপেই পড়ে গিয়েছিল সবুজমেরুন। বেশ কয়েকটা আক্রমণ পৌঁছে যান বাগানের বক্সে। যদিও গোলটা হয়নি। আই লিগে অপরাজিত থাকার মাঝে হেরে গিয়ে ছন্দ কাটল না শঙ্করলালের ছেলেদের।২৮ তারিখ ভ্যালেন্সিইয়ার বিরুদ্ধে হোম ম্যাচ খেলবে মোহনবাগান। 

কলম্বো এফসি-কে হারিয়ে এএফসি কাপের প্লে অফ খেলার সুযোগ পায় বাগান। প্লে অফের দুই ম্যাচ মিলিয়ে ভ্যালেন্সিয়াকে হারাতে পারলে তারা পৌঁছে যাবে এএফসি কাপ ২০১৭-র মূল পর্বে। সেখানে গ্রুপ ই-তে তাদের সঙ্গে থাকবে গতবারের রানার আপ বেঙ্গালুরু এফসি, বাংলাদেশের ঢাকা আবাহনী এবং মালদ্বীপের মাজিয়া এস অ্যান্ড আরসি। 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here