প্যারিস: বিশ্বের এক নম্বরের মুখোমুখি বিশ্বের ৩০ নম্বর। এ নিয়ে খুব আলোচনার কি কিছু থাকে! গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের তফাৎ অবশ্য তেমন বড়ো কিছু নয়। মারে জিতেছেন ৩টে, দেল পোত্রো ১টি। তবে সেই একটিও বহুদিন আগে। ২০০৯ সালের ইউএস ওপেন। মারে গতবারের রানার আপ আর দেল পোত্রো পাঁচ বছর পর এসেছেন রোলা গাঁরোয়। তবু এই দু’জনের শনিবাসরীয় লড়াই নিয়ে সরগরম টেনিস দুনিয়া।

বৃহস্পতিবার রোলা গাঁরোয় দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে মারে জিতেছেন প্রথম রাউন্ডের মতোই সেট খুইয়ে। অন্যদিকে ২ সেট হওয়ার পর হাঁটুতে চোট পান দেল পোত্রোর প্রতিদ্বন্দ্বী। চোট পেয়ে কেঁদে ফেলা স্পেনের অ্যালম্যাগ্রোকে আর্জেন্তিনার খুয়ান মার্টিন দেল পোত্রো সান্ত্বনা দিচ্ছেন, সেই দৃশ্য দেখা হয়ে গেছে গোটা দুনিয়ার।

সে সবই এখন অতীত। সবার অপেক্ষা শনিবার ভারতীয় সময় দুপুর ২.৩০-এর জন্য। যখন ফরাসি ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হবেন এক ব্রিটিশ ও এক আর্জেন্তিনিয়। রচিত হবে সমকালীন টেনিসের এক মহাকাব্যের নতুন অধ্যায়।

কিন্তু কেন? দুই খেলোয়াড়ের এত ফারাক সত্ত্বেও কেন টেনিস দুনিয়া তাকিয়ে শনিবারের ম্যাচের দিকে?

কারণটা লুকিয়ে আছে ২০১৬-র দুটি মহান লড়াইয়ে। রিও অলিম্পিকের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন অ্যান্ডি মারে ও দেল পোত্রো। ইতিহাসে ঢুকে যাওয়া সেই ম্যারাথন ফাইনালে মারে জেতেন ৭-৫, ৪-৬, ৬-২, ৭-৫ ফলে। দেল পোত্রোর সেদিনের ধ্রুপদী লড়াই ছিল মনে রেখে দেওয়ার মতো।

তারপর সেপ্টেম্বরে ডেভিস কাপে মুখোমুখি হয় গ্রেট ব্রিটেন ও আর্জেন্তিনা। সেই লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়েও পাঁচ সেটের দুরন্ত লড়াইয়ে প্রতিশোধ ছিনিয়ে নেন দেল পোত্রো। ফল- ৬-৪, ৫-৭, ৬-৭(৫-৭), ৬-৩, ৬-৪।

সেই থেকেই এই লড়াই সমকালীন টেনিসে মহাকাব্যের জায়গা করে নিয়েছে।

কী হবে শনিবার? তৃতীয় রাউন্ডে উঠে মারে বলেছেন, দেল পোত্রো বিশ্বের ৩০ নম্বর হলেও তার তুলনায় অনেক ভালো টেনিস খেলছেন। দেল পোত্রো কিছু বলেননি। তিনি তো তাঁর চোট পাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here