শৈবাল বিশ্বাস

অঞ্জন মিত্র ও টুটু বসুর মধ্যে দূরত্ব কমাতে এ বার সরাসরি আসরে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর তরফে বার্তা স্পষ্ট-বিরোধ মেটাও।তিনি খুব স্পষ্ট ভাবে বলে দিয়েছেন, নিজেরা যদি সমাধান সূত্র বের করতে না পারো সরকার সাহায্য করা হবে কিন্তু নিজেদের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের গায়ে কলঙ্ক লেপন করা চলবে না।

সে ক্ষেত্রে সরকারি সমাধান সূত্র কী?

অঞ্জন মিত্র চাইছেন, তিনি ক্লাব থেকে সরে যাবেন কিন্তু ক্লাবে ঢুকবেন তাঁর মেয়ে সোহিনী মিত্র। তিনিই হবেন পরবর্তী সচিব। এমতাবস্থায় টুটুবাবু ফের সভাপতি হয়ে ক্লাবের হাল ধরবেন। কিন্তু দেবাশিস দত্ত শিবির আবার চাইছে ক্লাবের সচিব হন সৃঞ্জয়। অঞ্জন সরে যান। তাহলেই একমাত্র টুটুবাবু সভাপতিত্ব ফিরিয়ে নেবেন। বলাবাহুল্য, এই সমাধান সূত্র আদৌ অঞ্জন শিবির মেনে নিতে রাজি নয়।

সবটা শোনার পর কালীঘাটের থেকে গ্রহণযোগ্য বিকল্প বার্তায় বলা হয়েছে অঞ্জন মিত্র সচিব পদ ছেড়ে দেবেন। তাঁর জায়গায় সচিব হবেন সৃঞ্জয়। অঞ্জন মিত্র হবেন দলের পরবর্তী সভাপতি। কমিটিতে সোহিনী, দেবাশিসরা কমিটি সদস্য হিসাবে থাকুন। এই প্রস্তাব যদি চলতি কমিটি মেনে না নেয় তাহলে মুখ্যমন্ত্রী স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে কমিটি গড়ে দেবেন। সেই কমিটির সভাপতি হবেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। হাওড়ার মেয়র রথীন চক্রবর্তীর সচিব হওয়ার সুযোগ হতে পারেন। ফুটবল সচিব হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা কম্পটন দত্তর। আরও দুই মন্ত্রী -অরূপ বিশ্বাস ও অরূপ রায় কমিটিতে থাকবেন। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে নবান্নের হস্তক্ষেপ প্রায় নিশ্চিত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here