খবর অনলাইন: শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সব থেকে ম্যাড়ম্যাড়ে দলটাই ইউরোপ সেরার ট্রফি ঘরে তুলল। অবশ্য প্রথম বার কোনও বড়ো টুর্নামেন্ট বিজয়ের স্বাদ পাওয়া পর্তুগালের জয়, মাঠের বাইরে থেকেই দেখতে হল তাদের সেরা ফুটবলারকে। ফাইনালের আগে পর্যন্ত গোটা টুর্নামেন্টে মাত্র একটা ম্যাচেই ৯০ মিনিটের মধ্যে জিতেছে পর্তুগাল। ফাইনালেও কিন্তু ৯০ মিনিটে কোনও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
রবিবার রাতে ইউরোপ সেরার লড়াই শুরু হওয়ার ২৪ মিনিটের মধ্যেই বিশাল ধাক্কা খায় পর্তুগাল। পায়েতের কড়া ট্যাকেলে চোট পান রোনাল্ডো। নিজে মাঠে থাকতে চাইলেও পারেননি। স্ট্রেচারে শুয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন তিনি। রোনাল্ডো মাঠে থাকা পর্যন্ত অবশ্য ভালো খেলছিল ফ্রান্স। নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাস খেলে সুযোগ তৈরি করছিল। এই সময়ে গ্রিজম্যানের একটা হেড গোলে ঢুকেই যাচ্ছিল যদি না পর্তুগিজ গোলকিপার দক্ষতার সাথে বাচাতেন।
রোনাল্ডো বেরিয়ে যাওয়ার পর ফ্রান্সের আরও আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত ছিল। হল ঠিক উল্টোটা। সম্ভবত আত্মতুষ্টি চেপে ধরেছিল তাদের। আরও নিস্প্রভ হয়ে গেল ফ্রান্স। আর অন্য দিকে দলের মহাতারকাকে হারিয়ে আরও তেতে উঠল পর্তুগাল। বিরতির পর অবশ্য আক্রমণের পর আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে ফ্রান্স। কিন্তু পর্তুগালের ডিফেন্সিভ স্ট্রাটেজির জন্য কাজের কাজ কিছু হয়নি। গ্রিজম্যানের সহজ হেড বাইরে বেরিয়ে যায়, জিনিয়াকের শট পোস্টে লাগে।
অতিরিক্ত সময়ের ১৯ মিনিটে সুপার-সাব হিসেবে আবির্ভূত হন এডের। পরিবর্ত হিসেবে নামা এডেরের ২৫ গজ দূরত্ব থেকে নেওয়া দুরন্ত শটটি ফরাসি গোলকিপার লরিসকে হারিয়ে জালে ঢুকতেই এগিয়ে যায় পর্তুগাল। এ বার ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ইউরোপের নতুন রাজা ঘোষিত হয় পর্তুগাল।
টুর্নামেন্টে ছ’টি গোল করে গোল্ডেন বুট পুরস্কার পান ফ্রান্সের গ্রিজম্যান। পর্তুগালের রেনাতো সাঞ্চেস পান টুর্নামেন্টের সেরা যুব প্লেয়ারের পুরস্কার।
খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।