মুম্বই: তাঁর ব্যাটিং পজিশন নিয়ে দলে সব থেকে বেশি এক্সপেরিমেন্ট হয়,  সেই ঋদ্ধিমানের দাপটেই মুম্বইকে হারিয়ে দিল পঞ্জাব। সেই সঙ্গে কিছুটা হলেও চাপে ফেলে দিল কেকেআরকে।

শেষ দু’ম্যাচ জিতলে প্লে-অফের দরজা খোলা, সেই জন্য নতুন উদ্যমে ইনিংস শুরু করেছিল পঞ্জাব। মার্টিন গাপ্টিলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋদ্ধি। দু’জনেই রণংদেহি মূর্তি ধারণ করেছিলেন। দু’জনের দাপটে প্রথম চার ওভারে পঞ্চাশ পেরিয়ে যায় পঞ্জাব। গাপ্টিল ফিরে যেতে, নামেন ম্যাক্সওয়েল। তিনিও ধুমধড়াক্কা মারতে শুরু করেন। এদের আড়ালে থেকে নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঋদ্ধি। ফিরে আসছিল তিন বছর আগে আইপিএল ফাইনালের স্মৃতি, যেখানে শতরান করেছিলেন ঋদ্ধি। কিন্তু এ দিন অবশ্য শতরানের কাছে পৌঁছেও, সাত রান আগে থেমে যেতে হয় তাঁকে। ১১টি চার এবং তিনটে ছয়ের সাহায্যে ৫৫ বলে ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধি। পঞ্জাব করে ৩ উইকেটে ২৩০।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পঞ্জাবের মতোই তাণ্ডব শুরু করেছিল মুম্বই। দুই ওপেনার সিমন্স এবং পার্থিবের দাপটে এক সময় মনে হচ্ছিল পঞ্জাব জিততে পারবে না। প্রথম উইকেটের পার্টনারশিপে নবম ওভারের মধ্যেই একশোর কাছাকাছি পৌঁছে যায় মুম্বই। এর পরই অবশ্য ম্যাচে কামব্যাক করে পঞ্জাব। একে একে পড়তে থাকে উইকেট। মুম্বইয়ের স্কোর যখন চার উইকেটে ১২১, খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে শুরু করেন পোলার্ড এবং পাণ্ড্য। দুর্ধর্ষ পার্টনারশিপে দু’জনে দলের আস্কিং রেট অনেকটাই কমিয়ে দেন। শেষমেশ ত্রাতা হয়ে উদয় হন মোহিত শর্মা। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৬। প্রথম দুই বলে সাত রান করে মুম্বইয়ের অঙ্ককে আরও সহজ করে দেন পোলার্ড। কিন্তু এর পরের তিনটে বল ‘ডট’ দেন মোহিত। সেখানেই বাজিমাত করে নেন পঞ্জাব।

পঞ্জাব জেতার ফলে কিছুটা চাপে পড়ল কলকাতা। কেকেআরের এখন ১৩ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট, অন্য দিকে পঞ্জাবের এখন ১৩ ম্যাচে ১৪। কলকাতার পরের ম্যাচ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচে যদি কলকাতা হারে এবং নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে যদি পুনেকে হারায় পঞ্জাব সে ক্ষেত্রে নেট রানরেটের বিচারে যে এগিয়ে থাকবে সে যাবে শেষ চারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here