৪১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে অলিম্পিকে গিয়ে শেষের আগের দিন পর্যন্ত মাত্র ২৬টি সোনা, পারফরম্যান্সের বিচারে ১৯৯৬-এর আটলান্টা অলিম্পিকের পর চিনের এ রকম দুর্দশা গত ২০ বছরে আর হয়নি। যে চিন ২০০৮ অলিম্পিকে ৫১টি সোনার পদক জিতে পদকতালিকায় সবার ওপরে থেকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল, তারা রিওতে তিন নম্বরে নেমে এসেছে! এমনকি যে ব্যাডমিন্টনে চিনের পদক পাকা ছিল, সেই ব্যাডমিন্টনের মহিলা বিভাগে একটাও পদক বাগাতে পারেনি চিন। অলিম্পিকের শেষ দিন কোনও অঘটন ঘটিয়ে দু’নম্বরে উঠে গেলেও পদকের বিচারে রিও অলিম্পিক আদৌ সুখকর হল না চিনের জন্য।

চিনের এই ফলের জন্য ‘তীব্র প্রতিযোগিতা’কেই দায়ী করছে তারা। চিনের অলিম্পিক কমিটির প্রধান লিউ পেং বলেন, প্রতিযোগিতার মান যে ভাবে বেড়েছে তাতে তাঁরা বিস্মিত। তাঁর কথায়, “কিছু কিছু ব্যাপার আছে যা আমরা খুব একটা গুরুত্ব দিইনি। আমরা এ বার বেশি পদক পেলাম না, এর কারণ, কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি আমরা হতে পারি, তা আমরা ঠিক ভাবে যাচাই করিনি”।

“কয়েক বছর ধরে বেশির ভাগ দেশ যে ভাবে অলিম্পিককে গুরুত্ব দিয়েছে, তাতে প্রতিযোগিতার মাপকাঠি আরও বেড়ে গেছে”। পেং আরও বলেন, “আমাদের আরও নতুন পদ্ধতি আনতে হবে। শুধু ট্রেনিং-এই হবে না, নতুন ভাবে আমাদের মেন্টালিটি বুঝতে হবে”। অনভিজ্ঞতাই এ বার চিনের পারফরম্যান্সে মূল বাধা হল বলে মনে করেন পেং। উল্লেখ্য চিনের মোট প্রতিযোগীর প্রায় ৭৫ শতাংশই এ বার প্রথম অলিম্পিকে নামল।

তবে চিনের যখন সর্বনাশ, ব্রিটেনের পৌষমাস। ২০১২ অলিম্পিকে নিজেরা আয়োজক দেশ হওয়ার পর থেকেই প্রতিযোগিতায় তুমুল উন্নতি ঘটিয়েছে ব্রিটেন। চার বছর আগে পদক তালিকায় তিন নম্বরে থাকা ব্রিটেন, রিওতে শেষ দিনের আগে পর্যন্ত দ্বিতীয় স্থানে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here