iceland

রেইকজাভিক: রূপকথা জারি রাখল আগুন ও বরফের দেশ আইসল্যান্ড। গত বছরই ইউরো কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে সবাইকে চমকে দিয়েছিল দেশটি। এ বার তারা চলল বিশ্বকাপের পথে। সব থেকে ছোটো দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে ফেলল আইসল্যান্ড।

সোমবার রাতে রাজধানী রেইকজাভিকে কোসোভোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে পৌঁছে গেল আইসল্যান্ড। গত ইউরোয় অস্ট্রিয়া এবং ইংল্যান্ডকে হারানো যে কোনো ফ্লুক ছিল না সেটাই প্রমাণ করল আইসল্যান্ড।

মাত্র সাড়ে তিন লক্ষ মানুষের বাস এই দেশে। এর আগে বিশ্বকাপের ইতিহাসে যোগ্যতা অর্জন করা সব থেকে ছোটো দেশ ছিল ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্র ত্রিনিদাদ ও তোবাগো। ২০০৬-এর বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছিল দশ লক্ষ জনসংখ্যার এই দেশটি।

দশ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট পেয়ে যোগ্যতাঅর্জনকারী পর্ব শেষ করল আইসল্যান্ড, যাদের কোচ হেইমির হালগ্রিমসন পেশায় একজন দন্ত চিকিৎসক। শেষ তিনটে ম্যাচে একটাও গোল না খাওয়ার নজিরও সৃষ্টি করেছে এই দল। ম্যাচে বিরতির কিছুক্ষণ আগে গোল করে আইসল্যান্ডকে এগিয়ে দেন গিলফি সিগুর্দসন। এই সিগুর্দসনের এগোনো পাসেই দ্বিতীয় গোলটি করেন জোহান গাডমান্ডসন। ম্যাচের শেষ হুইসল বাজার সঙ্গে সঙ্গে উৎসব শুরু হয়ে যায় দেশ জুড়ে।

যোগ্যতাঅর্জনকারী পর্বে দশের মধ্যে সাতটি ম্যাচ জিতল আইসল্যান্ড। এর মধ্যে ঘরের মাঠে খেলা পাঁচটা ম্যাচেই জিতেছে তারা।

একবার চোখ বুলিয়ে নিন ছোটো দেশ হিসেবে কে কবে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছিল।

দেশ জনসংখ্যা বিশ্বকাপের বছর
ত্রিনিদাদ ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার ২০০৬
উত্তর আয়ারল্যান্ড ১০ লক্ষ ৮৫ হাজার ১৯৫৮, ১৯৮২, ১৯৮৬, এ বারও দৌড়ে রয়েছে
স্লোভেনিয়া ২০ লক্ষ ৮ হাজার ২০০২ ও ২০১০
জামাইকা ২০ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৯৮
ওয়েলস ৩০ লক্ষ ১০ হাজার ১৯৫৮

মিশরও বিশ্বকাপে

রবিবারই বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে মিশর। তার পরের দিনই আরও একটা অঘটন বুঝিয়ে দিল ফুটবলে প্রতিযোগিতা এখন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here