খেলা একটাই। স্বাভাবিক ভাবেই দুই যুযুধান দেশের খেলোয়াড়দের জন্য নীতি-নিয়ম সব একই হওয়ার ছিল। কিন্তু বিশ্ব দেখল বৈপরীত্য। এক দল পড়েছেন হাত-পা-মাথা ঢাকা পোশাক, যা কোনো দিন ভলিবল খেলার উপযুক্ত পোশাক হিসেবে বিবেচ্য ছিল না। কিন্তু হল। আর এক দিকে রয়েছেন ‘টু-পিস’-এর বিকিনি-শর্ট প্যান্টে, খেলার পরিচিত পোশাকে জার্মানরা।

সে সময় ক্রীড়া দুনিয়ার সবচেয়ে সাড়া ফেলে দেওয়া ছবি দেখেছিল গোটা বিশ্ব।

মিশরের মহিলা খেলোয়াড় ডোয়া এলঘোবাশা আর জার্মানের কিরা ওয়াকেনহোর্স্ট মুখোমুখি। ডোয়ার পরনে লম্বা হাতা জামা, লম্বা পাজামা, গোটা শরীর ঢাকা এমনকি মাথা ঢাকা – খেলার পোশাক। নেটের অন্য প্রান্তে কিরার পরনে ক্ষুদ্র পোশাক।

 oly-1

২০১৬-র অলিম্পিকে মাইলস্টোন খাড়া করেছিল মিশর। মূলত ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের এই দেশটি এর আগে কখনো অলিম্পিকে ভলিবল খেলেনি। কিন্তু এই বছরটা তাঁদের জন্য নিয়ে এলো এক অন্য রকম আনন্দ। শুধু যে অলিম্পিকে খেলার সুযোগ এলো তাই নয়। প্রচলিত প্রথা ভেঙে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের পোশাক পরে খেলার অনুমতি পেলেন সে দেশের বিচ ভলিবল খেলোয়াড়রা।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here