ব্রাজিলের জল দূষণের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত প্রথম বিশ্বের প্রতিযোগীরা। আশঙ্কা জিকা ভাইরাস সংক্রমণের। এই ভাইরাস সংক্রমণ হলে মহিলাদের গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, থাকে সদ্যোজাত-র অঙ্গহানির আশঙ্কাও। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিও অলিম্পিকে বিলি করা হচ্ছে সাড়ে চার লক্ষ কন্ডোম। গতবারের লন্ডন অলিম্পিকের থেকে সংখ্যাটা তিন গুণ বেশি। তার মধ্যে এক লক্ষ মেয়েদের কন্ডোম।

কিন্তু তাতেও চিঁড়ে ভিজছে না। কারণ রিও-তে পোকেমন নেই। গ্রহের ৩০টি দেশে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়া পোকেমন গো এখনও ব্রাজিলে লঞ্চ করেনি। অলিম্পিকের মত মহা প্রতিযোগিতার আবহেও এই হতাশা এক করে দিয়েছে তামাম দুনিয়ার প্রতিযোগীদের। ‘ইস যদি অলিম্পিক ভিলেজ জুড়ে ছুটতে ছুটতে পোকেমন ধরতে পারতাম, কিন্তু ফোনে তো পাচ্ছি না। ঠিকই আছে, কিন্তু ওটা থাকলে্ আরেকটু মজা হত।‘ বলছেন নিউজিল্যান্ডের মহিলা ফুটবলার আনা গ্রিন।

কবে ব্রাজিলে রিলিজ করবে পোকেমন ? পোকেমন গো-র ডেভলপার সংস্থা নিয়ানটিক এ ব্যাপারে মুখ খুলছে না কিছুতেই। তবে সোশাল মিডিয়াগুলিতে জোর গুজব, আগামী রবিবারই ব্রাজিলে পা রাখবে পোকেমন। যেসব খেলোয়াড়ের ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোড করা রয়েছে, তারা সেখানে রিও-র ডিজিট্যাল মানচিত্রটি পাচ্ছেন বটে, তবে সেখানে পোকস্টপ বা পোকেমন কোনওটাই নেই। এ যেন এক ফুটবল মাঠ, যেখানে শট মারার জন্য কোনও বল নেই বা রক্ষা করার জন্য কোনও গোল।

কানাডার হকি খেলোয়াড় ম্যাথিউ সারমেন্টো বলছেন, ‘পোকেমন থাকাটা দরকার ছিল, টেনশন কমানোর জন্য অনেক সময়ই এ ধরনের বিনোদন প্রয়োজন হয়। যদিও এটা না থাকায় আমি বহু অ্যাথলিটের সঙ্গে আলাপ-পরিচয় করতে পারবো।‘

পরিস্থিতি এমন পর্যায় পৌঁছেছে যে রিও-র মেয়র এডুয়ার্দো পেজ, পোকেমন-কে রিও-য় আসতে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘সবাই এখানে আসছে, তুমিও এসো’।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here