হায়দরাবাদ: থামানো যাচ্ছে না স্মিথ বাহিনীকে। কলকাতাকে কলকাতার মাঠে উড়িয়ে এ বার হায়দরাবাদকে তাদের নিজেদের মাঠেই উড়িয়ে দিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। সেই সঙ্গে কলকাতাকে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে নামিয়ে দুইয়ে উঠে এল তারা।

দু’সপ্তাহ আগে এমনই এক শনিবারের বিকেলে একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভাগ্য ঘুরেছিল পুনের। টানা হারতে থাকা পুনে সে দিন ধোনির ব্যাটের সাহায্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। এ দিনও হায়দরাবাদকে হারাতে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। তবে আসল সময় জ্বলে উঠলেন পেসার জয়দেব উনারকাট। তাঁর হ্যাটট্রিক-সহ পাঁচ উইকেটে ভর করেই এই সাফল্য আসল পুনে শিবিরে।

টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল হায়দরাবাদ। বরাবরই তাদের বড়ো অস্ত্র বোলিং। এ দিনও বোলাররা পুনের ব্যাটসম্যানদের সে ভাবে হাত খুলতে দেননি। অধিনায়ক স্মিথ ৩৪ করলেও তাতে নিয়ে নেন ৩৯টা বল। বেন স্টোক্স অবশ্য ভালোই খেলছিলেন। ২৫ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস আসে তাঁর ব্যাটে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ধোনির ২১ বলে ৩১ রানের ইনিংসটা না থাকলে পুনে ১৪৭-এ পৌঁছোতেই পারত না।

ওয়ার্নার, ধাওয়ান, যুবরাজ সমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইনআপের কাছে ১৪৮ খুব একটা বড়ো টার্গেট নয়। তার ওপর খেলা হচ্ছিল হায়দরাবাদে যেখানে তারা এখনও পর্যন্ত একটা ম্যাচও হারেনি। কিন্তু পুনের বোলারদের দাপটে সে ভাবে ব্যাট চলেনি কারোর, শুধুমাত্র যুবরাজের ছাড়া। ৪৩ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। তবে শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচ কে জিতবে বোঝা যায়নি। কারণ ৬ বলে ১৩ রান করা এমন কিছু শক্ত ব্যাপার নয়। বল হাতে তখন উনাড়কাট। যিনি তিন ওভার বল করে দু’টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি খরচ করেছেন তিরিশ রান। কিন্তু উনাড়কাটই করে দেখালেন। প্রথম তিন বলে ফিরে গেলেন বিপুল শর্মা, রশিদ খান এবং ভুবনেশ্বর কুমার। বাকি তিনটে বলেও কোনো রান দিলেন না তিনি। বারো রানে ম্যাচ জিতল পুনে।

এই জয়ের পর ষোল পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে দু’নম্বরে উঠে এল পুনে। কলকাতা নেমে গেল তিন নম্বরে। রবিবার যদি কোনো ভাবে বেঙ্গালুরুর কাছে কেকেআর হেরে যায় তা হলে বিপদ ক্রমশ বাড়বে গম্ভীর শিবিরের।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here