sourav ganguly

ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি নয়! বলে রাখা ভালো, এ ঘটনা সেই সময়ের, যখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও স্মৃতির সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ঘটনাটি তিনি হালফিলেই ভাগ করে নিয়েছেন উৎসাহী পাঠক এবং ভক্তদের সঙ্গে। উপলক্ষ্য, ‘আ সেঞ্চুরি ইজ নট এনাফ’ নামের তাঁর প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা আত্মজীবনীর প্রচার।

আত্মজীবনীটির প্রচারের জন্য সম্প্রতি নায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করছেন। সেখানে ভক্ত এবং পাঠকদের উদ্দেশে কী বলছেন তিনি, সরাসরি শুনে নিন তাঁর জবানিতেই।

আর এই ছদ্মবেশ নেওয়ার প্রসঙ্গ যদি সরাসরি পড়ে নিতে চান, তাহলে সৌরভের শেয়ার করা টুইটার পোস্টের দ্বিতীয় লিঙ্ক থেকে আত্মজীবনীর প্রথম অধ্যায়টা পড়ে নিতে পারেন। ধরেই নিচ্ছি, সেই ধৈর্য আপনার আছে! তবু সংক্ষেপে মজার ঘটনাটা বলতে দোষ কী? কেন না, প্রথম অধ্যায়টা তো আর শুধুই এই ঘটনা নিয়ে নয়।

সৌরভ জানিয়েছেন, তিনি যখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, তখন একবার পুজোয় ভাগ না নেওয়াটা তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। স্বাভাবিক! একে তো বাঙালি হিসাবে দুর্গাপুজো নিয়ে তাঁর একটা আলাদা আবেগ থাকবেই, তার উপরে রয়েছে পাড়ার পুজো যা তাঁর বেহালার বাড়ির সামনেই হয়ে থাকে। সেই পুজোয় অনেক দর্শনার্থীই সৌরভকে ঢাক বাজাতে দেখেছেন, দেখেছেন ধুনুচি নাচতে।

ফলে, জনপ্রিয়তার খেসারত দিতে হবে পুজোয় ভাগ না নিয়ে- এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। “বিশেষ করে বিসর্জনটা আমার খুব প্রিয়। মা ধীরে ধীরে জলে বিলীন হয়ে যাচ্ছেন, সঙ্গে পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের আনন্দ-বিষাদ- সব মিলিয়ে বিসর্জন একটা অপ্রতিরোধ্য আবেগ নিয়ে আমায় ডাকে”, লিখেছেন তিনি।

ফলে স্ত্রী ডোনার সঙ্গে পরামর্শের পর তলব করা হল এক মেক-আপ আর্টিস্টকে। তিনি এসে সর্দারজির ছদ্মবেশে সাজিয়ে দিলেন সৌরভকে। “আমার ভাইয়েরা অবশ্য বলেছিল যে আমায় চেনা যাচ্ছে। ফলে, পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে ট্রাকে করে প্রতিমা নিয়ে ঘাটে যেতে পারিনি। যেতে হয়েছিল ট্রাকের পিছন পিছন একটা আলাদা গাড়িতে। তা, গাড়ি যখন ঘাটে পৌঁছল, দেখলাম ভাইদের কথাটাই ঠিক। এক পুলিশ অফিসার গাড়িতে উঁকি দিয়ে আমায় দেখে মৃদু হেসে চলে গেলেন! বুঝলাম, ধরা পড়ে গিয়েছি”, জানিয়েছেন সৌরভ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন