রবিবারের পড়া: নারী স্বাধীনতা ও এক বৃদ্ধা…

0

দীপঙ্কর ঘোষ

ধূসর রাস্তা ভোরের বৃষ্টিতে গাঢ় নীল হয়ে ঝকঝক করছে। দূরে একজন দিনমজুর নেতাজির মূর্তি পরিষ্কার করছে। ছেলেরা নেতাজির জন্যে মালা গাঁথছে। বিরাট বিরাট বাক্সে গান বাজছে, “বর এলো মাদল বাজায়ে”। বাজার সরগরম। মাছকুটুনিরা ডাকছে, “ও বাবুরা, ই দিকে এসো, তোমারটা কেটে দিই – ছোটো হলে পনেরো – বড়ো হলে দশ ট‍্যাকা।” অর্থাৎ নেতাজির ছুটি চমৎকার জমেছে।

রবির চায়ের দোকানে বহুতলের নাগাল এড়িয়ে এক টুকরো রোদ এসে পড়েছে। দোকানে ছুটির সকালে আড্ডা চলছে। রবিবাবু সুকৌশলে দোকানের পেরেকে ঠেকিয়ে দুধের প‍্যাকেট ফুটো করে চা প্রস্তুতির জোগাড় করছেন। আড্ডাবাজদের পরিচয় দিয়ে রাখা যাক। এরা সবাই ছাত্রছাত্রী। দেশিকোত্তম বা দিশি, পঞ্চম বা পচুই, ধন্বন্তরি বা ধেনো, চলিষ্ণু বা চুল্লু। আর মেয়েদের মধ্যে আছে যথাক্রমে টমেটো শর্মা, সদ‍্য পশ্চিমবঙ্গে পড়তে এসেছে তবে টটামট বাংলা বলতে পারে, চঞ্চরী বা ভোমরা, আহ্বানীয়া বা হাবু, ঋতম্ভরা বা রিমি।

টমেটো হিন্দিভাষী হলে হবে কি, বর্তমানে বাংলা নিয়ে পড়ছে। ও দিশিকে বলল, “দিশি, তু পুরো ঝুঠে হ‍্যায় – পুরা চন্দ্ররেণু আছিস – পত্রিকায় বরেনবাবুর লেখাটা পুরা ঝেড়ে দিয়েছিস।”

আহ্বানীয়া বা হাবু কাঁকুই দিয়ে নিজের দীর্ঘ চিকুর বাঁধছিল। তাই দেখে চুল্লু বলল, “এ বার আম্মুও লম্বা লম্বা চুল রাখব।” হাবু মুখে চিরুনি পুরে চমৎকার কায়দায় উত্তর দিল, “রাখ না! কে বারণ করছে? রাখে তো অনেকেই।” “তোরা এত সময় পাস কোথায় রে? তেল শ‍্যাম্পু আঁচড়ানো…” ধেনোর সবিষ্ময় জিজ্ঞাসা।

এর মধ্যে চোখে উচ্চ ক্ষমতার উপনেত্র নিয়ে এক জন পক্ককেশ তীক্ষ্ণনাসা বৃদ্ধা এসে বসেছেন। উপনেত্রের ভেতরে দু’টো বড়ো বড়ো চোখ। অতি ফরসা – ক্ষীণতনু – স্বল্প কেশ – অত‍্যন্ত ভুলো – অন‍্যমনস্ক ভীত ধরনের এক ভদ্রমহিলা।

আরও পড়ুন: রবিবারের পড়া: সখী ভালোবাসা কারে কয়?

বাচ্চারা অবাক চোখে তাকাল। ভদ্রমহিলা ভারী অপ্রস্তুত ভাবে ভেবেচিন্তে বললেন, “আমি শিউলি”। আসলে কিন্তু উনি গায়ত্রী… পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার আগে আগে হঠাৎ ওঁর মনে হচ্ছে, উনি শরতের শিউলি। উনি আজকাল মাঝেমাঝে সব‌ই ভুলে যান।

টমেটো তৎক্ষণাৎ বলে উঠল, “যারা খেজুর রস পাড়ে তাদের শিউলি বলে – আমি জানি।” ভোমরা লবণাক্ত আম্রবেতস চুষছিল। সে শিউলির নতুন মানেটা শুনে বিষম খেয়ে বিষম কাশতে লাগল।

রিমি বলে, “আমি যে ভাবে ইচ্ছে সাজব – সেটা আমার স্বাধীনতা – সেটা নারীমুক্তির প্রথম ধাপ – বুঝলি? এ ভাবে সাজবে না…এটা পরবে না…এটা করবে না…এ সব বিধিনিষেধের দিন শেষ। আমরা এখন স্বাধীনতার দিকে পা বাড়াচ্ছি, তোদের ও সব বিধিনিষেধ শিকেয় তুলে রাখ। যত্তো সব এমসিপি।”

এমন সময় আরেক জন উলোথুলো পাজামা পাঞ্জাবি পরা টিকোলো নাক – পাকা চুলো গায়ে চাদর – বয়স্ক মানুষ হন্তদন্ত এসে হাজির। আমরা এঁকে চিনি, সকলের হীরকমামা। প্রায়ই বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটান। বৃদ্ধাকে দেখে বললেন, “কী মুশকিল দিদি! তুমি কাউকে না বলে কয়ে এসে এই চায়ের দোকানে বসে আছো? এ দিকে সবাই… বোঝো কাণ্ড! ও রবিবাবু আমার দিদিটাকে একটা চা দিন…আমাকেও।” শিউলি দেবী ভয়ানক অস্বস্তিতে পড়ে নাক খুঁটতে থাকেন।

“আসলে আমার দিদি মাঝেমাঝে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে আর বাচ্চা ছেলেমেয়েদের দেখলে তাদের কাছে যেতে চায়। হয়তো সবাইকে নাতিনাতনি মনে করে।”

পচুই এতক্ষণে মুখ খোলে, “হুঁঃ! তোদের নারীমুক্তি মানে তো ওই ব্রা পোড়ানো…ব্রা না পরে রাস্তায় ঘোরা, সিগারেট ফোঁকা আর… ওই সব…।” শিউলিদেবী কিছু একটা বলবেন ভাবছেন… মুখচোরা স্বভাবের জন্য ইতস্তত করছিলেন।

ভোমরা বলল, “ঠাম্মা, তুমি কিছু বলবে? বলো না?” বৃদ্ধা বলতে চেষ্টা করেন – থেমে থেমে – তার পর ভাষা হারিয়ে বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকিয়ে অন‍্যমনা হয়ে যান।

আরও পড়ুন: রবিবারের পড়া: ব্ল্যাক হোল-এর কত কথা

টমেটো ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলে, ” না, মানে আমাদের জামাকাপড় তো আমরা নিজেদের সুবিধেমতো…যদি ওগুলো মানে বুবসগুলো খুব বড়ো হলে দৌড়ঝাঁপ করা…অসুবিধে… হবে… ।”

মেয়েরা একটু থতমত খেয়ে যায় – ওরা এই যুক্তিটা ঠিক এ ভাবে ভাবেনি। শিউলিদেবী অন‍্য দিকে তাকিয়ে নিজের গলায় হাত ঘষতে থাকেন। চশমার ফাঁকে ওঁর চোখদু’টো কেমন অর্থশূন্য হয়ে পড়ে।

হীরকমামা প্রিন্স হেনরির প‍্যাকেট থেকে তামাক বার করে সিগারেট রোল করছিলেন। ধরিয়ে নিয়ে বলেন, “উনিশশো আটষট্টি সালে নিউইয়র্কের রাস্তায় নিউইয়র্ক গ্রুপ অফ লিবারেল উইমেন পুরুষ যৌনতার বিরুদ্ধে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্যে ব্রেসিয়ের পোড়ায় – উদ্দেশ্যটা কিন্তু অন‍্য ছিল অথচ পুরুষতান্ত্রিক সংবাদমাধ্যম এটাকে আরেক রকম ভাবে প্রচার করল।”

বাচ্চারা সমস্বরে বলে উঠল, “তা হলে ওরা কি উদ্দেশ্যে এটা করেছিল দাদু?”

হীরকমামা ওঁর বুড়ি দিদিকে টেনে রোদ্দুরে বসিয়ে সিগারেটে একটা টান দেন – “আসলে প্রথমে আন্দোলনটা হয়েছিল মেয়েদের যৌন স্বাধীনতা – অবাঞ্ছিত গর্ভ নষ্ট করার দাবিতে – সেটা কিন্তু শেতাঙ্গিনিদের আন্দোলন ছিল… দিদি তুমি তো সকালে উঠে খাওনি কিছু…একটা বিস্কুট খাও?”

বুড়ি অতি বাধ‍্য বালিকাকন‍্যার মতো ঘাড় নাড়েন। রিমি উঠে দু’টো বড়ো বড়ো বিস্কুট এনে দেয়। উনি বিস্কুটদু’টো দু’ হাতে নিয়ে কী করবেন ভেবে পান না। দিশি এসে একটা বিস্কুট নিয়ে বলে, “ঠাম্মা হাঁ করো।” বুড়ি লাজুক হেসে বিস্কুটে কামড় দেন।

সিগারেটে টান দিয়ে আকাশে চোখ তুলে হীরকমামা বলতে থাকেন, “প্রাচীন যুগে তো লিপস্টিক ছিল না। তবে অনেক আগে, সম্ভবত গ্রিসের সম্রাট আইন করেন যে প্রত‍্যেক দেহোপজীবীনীকে ঠোঁটে লাল রং লাগাতে হবে। না হলে সোওওজা জেল। আরও অবাক কাণ্ড – কোনো ঠোঁট রং-করা মহিলা যদি বিয়ে করে তা হলে তাকে ধরা হবে সে ডাইনিবিদ‍্যার সাহায্যে পুরুষের মন জয় করেছে – ডাইনিবিদ‍্যা মানে উইচক্র‍্যাফ্ট বোঝো তো?”

বাচ্চাদের চোখ তখন কপাল ছাড়িয়ে আকাশে ওঠার জোগাড়। গায়ত্রীদেবী তখন খুব মন দেখতে ব্যস্ত – কী ভাবে একটা কাক একটা কুকুরের ল্যাজে ঠোক্কর মারার চেষ্টা করছে।

হীরকমামা বলতে থাকেন, “তার পর জাপানের সম্রাটও এক‌ই রকম আদেশ জারি করেন।”

ভোমরা ব‍্যস্ত হয়ে বলে, “কিন্তু নারীমুক্তি?”

হীরকমামা সিগারেটটা ফেলে কাবুলি জুতোর তলায় পিষে নেভালেন। ভোমরাকে পাত্তা না দিয়ে বলে যেতে থাকেন, “তখন মেয়েদের গর্ভপাত করানোর অনুমতি ছিল না। অর্থাৎ কোনো ধর্ষিতা গর্ভবতী হলেও সে গর্ভপাত করাতে পারবে না – কোনো নারীর কোনো যৌন ইচ্ছা, অনিচ্ছা, স্বাধীনতা কিচ্ছু নেই। ছিল না। আজও আছে কিনা জানি না। তোমরা সিমন দ‍্য ব‍্যোভেরির নাম শুনেছো?”

হাবু বলে, “মনে হচ্ছে শুনেছি।”

হীরকমামা প্রিন্স হেনরি (আসলে উচ্চারণটা অঁরি)-এর প‍্যাকেটে হাত বোলাতে বোলাতে বলেন, “ওঁর লেখা ব‌ইটার নাম ‘দ‍্য সেকেন্ড সেক্স’। একটু বিষয়টা বলি? মেয়েদের এমন ভাবে মানুষ করা হয় যে তারা ভাবতে শেখে মেয়েদের কাজ শুধুমাত্র স্বামীর উপার্জিত টাকায় জীবনযাপন আর সন্তান পালন করা।”

“এটা কোন দেশের ব‌ই?”

“ফরাসি।”

“ও দেশেও এই অবস্থা?” বাচ্চাদের সমবেত বিস্ময়জ্ঞাপন!

“হ‍্যাঁ। এ দেশেও বলা হয় পুত্রর্থে ক্রিয়তে ভার্যা – ক্রিয়তে মানে করা হয়, অর্থাৎ পুত্র উৎপাদনের জন‍্যেই বৌ – দ‍্যাখো এখানেও পুত্র – কন‍্যার কথা নেই। তার পর শেখানো হয় যে যদি তোমার উপার্জন বা সম্মান পুরুষের থেকে বেশি হয় তা হলে হয় তোমার স্বামী বা প্রভু তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে না হলে তোমার স্বামী জুটবে না। ১৯৪৯ সালে লেখা – ১৯৫৮ সালে ব‌ইটার ইংরেজি অনুবাদ হয়। তার পর রাস্তায় নেমে শুরু হয় নারীবাদী আন্দোলন। প্রথমে কেবলমাত্র মধ‍্যবিত্ত শেতাঙ্গিনিদের মধ‍্যেই এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল। এটাকে নারীবাদী আন্দোলনের প্রথম তরঙ্গ বা ফার্স্ট ওয়েভ বলা হয়। আন্দোলনকারীরা নারীর রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা এবং অত‍্যাচারের অবসান দাবি করেন। সংসারের অত‍্যাচার এবং যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে পথে নামেন।”

আরও পড়ুন: রবিবারের পড়া: মাতৃদুগ্ধ পান নিয়ে দু-চার কথা

পচুই উশখুশ করছিল। হীরকমামা প্রিন্স হেনরি তামাকের প‍্যাকেটটা ওর হাতে তুলে দিলেন।

“বাব্বা, এ তো চমকে দেওয়ার মতো ব‌ই – আজও তো আমাদের এই শিক্ষা দিয়েই বড়ো করা হয়…”, টমেটোর চোখমুখে বিস্ময় থই থই করে।

হীরকমামা দ্বিতীয় কাপ চায়ে চুমুক দিয়ে পচুইয়ের কাছ থেকে তামাকের প‍্যাকেট নিয়ে বলতে থাকেন, “এর পর দ্বিতীয় তরঙ্গ, তৃতীয় তরঙ্গ – এক এক করে নারীমুক্তি আন্দোলনের ঢেউ এসে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ে। এর পর কালার্ড মানে কালোরাও এই আন্দোলনে শামিল হয় – মূল বক্তব‍্য কিন্তু সেই নারীর স্বাবলম্বন। অর্থাৎ শ্রমের সম-অধিকার – সমান মজুরি – যৌন স্বাধীনতা – মানে সমলিঙ্গের প্রেম – ক্রস ড্রেসার – ট্র‍্যান্স জেন্ডার – ওই ইয়ে সেক্স ওয়ার্কার – মানে গিগোলোরাও এবং পুরুষতান্ত্রিক নিয়মকানুন থেকে মুক্তি এবং…।”

মামু আবার চায়ে চুমুক দিয়ে বলতে থাকেন, “অথচ আজকের অনেক মেয়ে‌ই নারী স্বাধীনতা বলতে কেবলমাত্র ধূমপান, ইচ্ছেমতো সাজপোশাক, এ সবই ধরে নিয়েছে।”

বাচ্চারা শুনতে থাকে। বুড়ি দিদি দূরে কোথাও তাকিয়ে থাকেন। ওঁর সামনে এসে একটা শালিখ বসে ঘাড় ঘুরিয়ে ওঁকে নিরীক্ষণ করে, ‘চলো পিড়িং ফুরুৎ করে…’ বলে উড়ে চলে যায়।

“আজও মেয়েরা মনে করে পয়সাওয়ালা স্বামী চাই – সুন্দর মুখ, চারটে গয়নাই আমার সম্পদ – অথচ ভাবে না আমি স্বাবলম্বী হব। আবার বিপরীতে নিম্নতম আয়ের পরিবারে মেয়েরা শ্রমের কাজ করে মাটি কাটে – পাথর বয় এবং ক্রীতদাসীর মতো জীবন কাটায় – এটাও না – সমদায়িত্ব সমমর্যাদাই কাম‍্য।”

হাবু মানে আহ্বানীয়া বলে, “আমরা নিজেদের সুন্দর দেখাতে চাইব না?”

হীরকমামা বলেন, “নিশ্চয়ই, কিন্তু পুরুষের ঠিক করে দেওয়া পথে নয় – ঠোঁটে রং মেখে, শুধু সাজপোশাক দিয়ে নয়। শিক্ষায় সুন্দর হ‌ও – শরীরের চর্চা করে শরীরে সুন্দর হ‌ও – সাহসী হ‌ও – তোমাদের মধ‍্যেও তো কেউ কেউ বেশ মোটা কিন্তু পরেছ ভীষণ দামি কোম্পানির জামাকাপড় – এটাই বুঝি স্বাধীনতা? ব‍্যায়াম করে সুন্দর হ‌ও – সৌন্দর্য স্বাস্থ‍্যেই থাকে।”

হীরকমামা কাপ নামিয়ে রেখে ওঁর দিদির মাথায় হাত রাখেন – “দিদি তুমি কি ইস্কুলে পড়েছো?” শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বৃদ্ধা মাথা নাড়েন – না।

“দিদি তুমি কলেজে পড়েছো?” দিদি ওপর নীচে মাথা নাড়েন। “কী পড়েছ? ডাক্তারি?” বৃদ্ধা শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলেন, “হ‍্যাঁ।”

“দিদি প্রাইভেটে ম‍্যাট্রিক দিয়ে ডাক্তারি পড়েছে – আমাদের সব ভাইবোনের রান্না করে তার পরে কলেজে যেত। জামাইবাবুকে যখন ভালোবেসে বিয়ে করে তখন জামাইবাবু ভাইবোনের দায়িত্ব পালনের জন্য পড়াশোনা ছেড়ে সিনেমা হলের ম‍্যানেজারি – পাহাড়ে পাহাড়ে ওভারসিয়ারি – এই সব করছে। আমার দিদি গয়না পরেনি, সাজেনি – মাথা উঁচু করে চলেছে। আমার কাছে নারী স্বাধীনতা মানে আমার দিদি…”।

হীরকমামা তাঁর বৃদ্ধা স্মৃতিহীনা দিদিকে ধরে ধরে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটতে থাকেন। বৃদ্ধার পায়ে পায়ে নেড়ি কুকুরগুলো চলতে থাকে।

চিত্রকৃতি: লেখক

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.