ওয়েবডেস্ক : সম্প্রতি হোয়াটস অ্যাপ একটা নতুন অ্যাপ লঞ্চ করেছে। এটা শুধু চ্যাটিং অ্যাপ নয়। এটা একটা বাণিজ্যিক অ্যাপ। এর মাধ্যমে অনলাইনের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করা যাবে। তার মধ্যে যেমন রয়েছে অনলাইন পেমেন্ট, রেস্তোরাঁ থেকে খাবার আর্ডার, গ্যাসবুকিং থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজই।

কখনও এমন মনে হয় না, যে এই সব চ্যাটিং অ্যাপগুলোর আয় হয় কী থেকে? যদি মনে হয়, তা হলে জেনে রাখুন, এই সমস্ত নানা রকম ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজকর্ম করার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মই হল এদের আয়ের উৎস।

এ বার তেমনই আয়ের পথে হাঁটল হোয়াটসঅ্যাপও। আপাতত এ দেশে সংস্থার গ্রাহক সংখ্যা নয় নয় করে মাসে প্রায় ১৩০ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক গ্রাহককেই কাজে লাগাতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এঁদের একটা পরিসংখ্যান বলছে, এ দেশে ডিজিট্যাল মিডিয়া আর স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। যা ২৩ কোটি থেকে ৩২ কোটিতে পৌঁছবে আগামী ২০২০ সালের মধ্যেই।

চিনে উইচ্যাট এমনই একটা ম্যাসেজিং অ্যাপ। এই উইচ্যাটের সাহায্যে সে দেশের মানুষরা ম্যাসেজিংয়ের পাশাপাশি আরও অনেক কাজেই ব্যবহার করতে পারেন এটি। ক্যাববুকিং, রেস্তোরাঁর খাবার অর্ডার থেকে সব কাজই করা যাচ্ছে এর সাহায্যে।

তেমনই এ দেশে হাইক একটি ম্যাসেজিং অ্যাপ। হাইকের সাহয্যে গ্যাসবুকিং, আধার কার্ড, বিমার টাকা দেওয়া থেকে যাবতীয় কাজ করা যায়। হাইকের মুখপাত্র বলেন, সংস্থা হাইককে ভারতের ‘উইচ্যাট’ বানাতে চায়।

সব মিলিয়ে দেখা গিয়েছে, ওই সব অ্যাপ সংস্থাগুলির আয়ের উৎস হল ব্যবহারকারীর বিভিন্ন পরিষেবা মূলক প্রয়োগ। অর্থাৎ যখন কোনো ব্যবহারকারী ্অ্যাপের মাধ্যমে কোনো লেনদেন বা অন্যান্য পরিষেবা নেন, তার থেকেই আসে অ্যাপের আয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন