ভারতীয় পড়ুয়াদের নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপ ডাউনলোড করতে চাপ, ক্ষতিগ্রস্ত অনলাইন পড়াশোনা

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: ভারত সরকার নিষিদ্ধ করলেও অনলাইন ক্লাসের জন্য তেমনই কিছু অ্যাপ ডাউনলোডে বাধ্য করায় পঠনপাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রায় ২৩ হাজার পড়ুয়ার। এঁদের মধ্যে কমপক্ষে ২০ হাজার মেডিক্যাল পড়ুয়া। এঁরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী। তবে করোনা মহামারির জেরে এখন ভারতেই রয়েছেন।

সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে প্রায় আড়াইশো চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার। বিভিন্ন চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত পড়ুয়ারা অভিযোগ করছেন, অনলাইনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁদের সেই ধরনেরই অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, কোর্স চালিয়ে যেতে হলে ওই অ্যাপ নিজেদের মোবাইলে ডাউনলোড করতেই হবে।

চিনের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়-ই অনলাইন ক্লাসের জন্য উইচ্যাট (WeChat), ডিং টক (DingTalk), সুপারস্টার (SuperStar) এবং টেনসেন্ট (Tencent) নামের একটি ভিডিও অ্যাপ ব্যবহার করে। তারা ভারতীয় পড়ুয়াদের বলেছে, এখন অনলাইন ক্লাস বজায় রাখতে হলে এই অ্যাপগুলি ডাউনলোড করতে হবে।

চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠরত ছাত্রদের সংগঠন ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট ইন চায়না-র সদস্যরা এ বিষয়টি চিন এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছে। তবে সাময়িক সমাধানের জন্য আপাতত তাঁরা ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছেন।

Shyamsundar

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির জেরে ওই পড়ুয়ারা চিন থেকে ভারতে ফিরে আসেন। ওই সব চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক টিউশন ফি ৩ লক্ষ টাকা থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত চিনে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় পড়ুয়ারা ভারতেই রয়েছেন। এখন পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনলাইন ক্লাস-ই এক মাত্র ভরসা।

বিষয়টি নিয়ে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন সংগঠন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উদ্দেশেও এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলি।

আরও পড়তে পারেন: Pegasus -এর মতো স্পাইওয়্যারের থেকে কমপিউটার বা মোবাইলকে সুরক্ষিত রাখবেন কী ভাবে?

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন