চালু হল ‘ডিজি লকার’, এখন পাসপোর্ট তৈরি করানো আরও সহজ!

0

খবর অনলাইন ডেস্ক: এখন পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য মূল শংসাপত্র সঙ্গে রাখার প্রয়োজন নেই। বিদেশমন্ত্রকের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ডিজি লকার (DigiLocker) প্ল্যাটফর্মের সুবিধা।

পাসপোর্ট সেবা কর্মসূচির (Passport Seva Programme) জন্য ডিজি লকার প্ল্যাটফর্মের সূচনা করেছে বিদেশমন্ত্রক। এই সুবিধা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাসপোর্টের জন্য সমস্ত মূল নথি সঙ্গে রাখতে হবে না। ডিজি লকার প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করা হয়েছে।

Loading videos...

কী এই ডিজি লকার

পাসপোর্ট সেবা প্রোগ্রামের অধীনে ডিজি লকার প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করে বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলিধরন বলেন, এই ডিজি লকার পদ্ধতিটি একটি কাগজবিহীন প্রক্রিয়া। এখানে যেমন পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া কাগজবিহীন ভাবে পরিচালিত হবে, তেমনই কোনো মূল নথি সঙ্গে রাখতে হবে না।

ডিজি লকার কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের একটি উদ্যোগ। মন্ত্রকের অধীনস্থ ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্পোরেশন (DIC) পরিচালনা করছে।

মন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন সফল ভাবে সরকারের ডিজি লকার প্ল্যাটফর্ম পরিষেবা চালু করেছি। আমি নিশ্চিত যে, এই কর্মসূচি নাগরিকদের কাছে আরও সহজ ভাবে পাসপোর্ট পরিষেবা পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়ে উঠবে”।

তিনি বলেন, “শেষ ছ’বছরে পাসপোর্ট পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। ২০১৭ সালের পর থেকে প্রতি মাসে পাসপোর্টের আবেদন সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আমি বলতে চাইছি, পাসপোর্ট সেবা প্রকল্প চালু করার পর থেকে এখনও পর্যন্ত সাত কোটির বেশি পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে”।

পাসপোর্টের নিয়ম সরলীকরণ

নাগরিকদের সুবিধায় বিদেশমন্ত্রক বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এক দিকে পাসপোর্ট বিধিগুলি অত্যন্ত সহজ করা হয়েছে, অন্য দিকে, আবেদনকারীর বাড়ির কাছেও পাসপোর্ট তৈরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বড়ো পোস্ট অফিসগুলিতে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ৪২৬টি পোস্ট অফিসে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (POPSK) চালু হয়েছে এবং শীঘ্রই আরও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র খোলার প্রস্তুতি চলছে।

বর্তমানে ৩৬টি পাসপোর্ট অফিস এবং ৯৩টি পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রের সঙ্গেই এই ৪২৬টি পোস্ট অফিস যুক্ত হয়েছে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য। অর্থাৎ, এ মুহূর্তে দেশের ৫৫৫টি জায়গা থেকে পাসপোর্ট তৈরি করানো যাচ্ছে।

ই-পাসপোর্ট পরিষেবা

করোনাভাইরাস মহামারির সময় নাগরিকদের সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য, দেশে ই-পাসপোর্ট পরিকল্পনাও চলছে। শীঘ্রই ই-পাসপোর্ট সুবিধা চালু করা হবে। তা ছাড়া ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে তথ্য আরও সুরক্ষিত থাকবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া মিশনের অধীনে প্রতিটি পরিষেবা ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে, যা মানুষকে ঘরে বসে এই পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

আরও পড়তে পারেন: ১ এপ্রিল থেকে মোবাইলে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ বাড়ছে, প্রস্তুতি নিচ্ছে টেলিকম সংস্থাগুলি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.