নয়াদিল্লি : মেয়েদের যে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করতে আসছে ‘প্যানিক বটন’। এটা মোবাইলের একটা ফিচার। ২৬ জানুয়ারি এই ফিচারটি উত্তরপ্রদেশে লঞ্চ করা হবে সরকারের পক্ষ থেকে। এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী মানেকা গান্ধী। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপদগ্রস্ত মেয়েদের খবর ছড়িয়ে পড়বে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা বিভাগের কাছে। স্মার্টফোন আর বেসিক ফোন দু’টিতেই থাকবে এই ব্যবস্থা। উত্তরপ্রদেশে প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে আনা হবে এই ফিচার। সফল হলে তা ছড়িয়ে পড়বে সারা ভারতে।

২০১৬ সালের এপ্রিল মাসেই একটা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল ডিপার্টমেন্ট অব টেলি কমিউনিকেশন। তাতে বলা হয়, সব ক’টি মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাকেই ফোনের মধ্যে একটা বিশেষ ফিচার রাখতেই হবে। তা হল ‘প্যানিক বটন’। ফোনের কি প্যাডের পাঁচ থেকে নয়ের মধ্যে থাকবে এই বোতাম। আর যে সব স্মার্টফোনে ইমার্জেন্সি কলের সুবিধে নেই তাতে পাওয়ার বোতামেই এই সুবিধে দিতে হবে। এবং কাজটা সম্পূর্ণ করতে হবে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই। কিন্তু নানা রকম সমস্যার কারণে এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে এক বছর দেরি হল। তবে আর দেরি নেই। চলতি মাসের ২৬ তারিখেই গ্রাহকদের হাতে এসে যাবে এই ব্যবস্থা।

নারী ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী বলেন, উত্তরপ্রদেশকে প্রথমেই বাছা হয়েছে এখানে নারী নির্যাতনের হার বেশি তাই। এখানে ‘ট্রায়াল রান’ সফল হলে গোটা দেশে এটা কার্যকর হবে।

দফতরের যুগ্ম সম্পাদক চেতন সাঙ্ঘি বলেন, স্মার্টফোনে এই সুবিধে পেতে একটা মোবাইল অ্যাপলিকেশন ডাউনলোড করতে হবে। তার পরই কাজ করবে এই ফিচার। নির্যাতিতকে ‘প্যানিক বটন’-এ লং প্রেস করতে হবে। আর ফিচার ফোন ব্যবহারকারিকে নির্দিষ্ট বোতাম টিপতে হবে। বোতাম চাপা হলেই ইমার্জেন্সি নম্বর ১১২ তে ফোন চলে যাবে। তার পর পাঁচটা এসএমএস চলে যাবে পুলিশের কাছে, তার পরের তিন থেকে পাঁচটা এসএমএস যাবে নির্যাতিতের পরিবারের মানুষদের কাছে। পাশাপাশি ২৫ থেকে ৫০ জন মানুষের কাছেও বার্তা পৌঁছে যাবে। তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকার্যে ঝাঁপিয়ে পড়বে ভারপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

উদ্যোগ সফল হলে চলতি বছরের মধ্যেই এই ফিচার ছড়িয়ে দেওয়া হবে গোটা ভারতে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন