ওয়েবডেস্ক : কালে কালে কী হল! আবার মহাভারতের যুগ ফিরে এলো নাকি? কে কবে মরবে, তাও এখন আগাম বলে দেওয়া যাবে!

খানিকটা তেমনই প্রায়। একদল গবেষকের দাবি, তাঁরা তেমনই এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন। যার মাধ্যমে ধরা পড়ছে মানুষের হাতে আর ক’টা দিন আছে সেই হিসেব। প্রশ্ন উঠছে, প্রযুক্তি না জ্যোতিষ? কে জানে!

আসলে এটি একটি হিসেব করে বলা গাণিতিক পদ্ধতি গোছের ব্যাপার।

স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁরা যতগুলি মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করেছেন তার মধ্যে ৯০ শতাংশই নাকি মিলে গিয়েছে। বলে কি?

ব্যাপারটা হয়েছে কী, এই গবেষকরা স্ট্যান্ডফোর্ড আর লুসিও প্যাকার্ড চিলড্রেনস হাসপাতালের প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার রোগীর কেস পর্যবেক্ষণ করেছেন। সেই সমস্ত পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী বাকি কেসগুলিকে তাঁরা ছকে ফেলে অনুমানের ভিত্তিতে মৃত্যুর সময় নির্ধারণ করছেন। তা নির্ধারিত হচ্ছে গাণিতিক পদ্ধতিতে ওই প্রযুক্তির মাধ্যমে। আর সেই পর্যবেক্ষণ এতটাই নিখুঁত হচ্ছে যে প্রায় পুরোটাই মিলে গিয়েছে। এ ছাড়াও তাঁরা আরও বহু রোগীর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। হিসেব মতো যাঁদের ক্ষেত্রে তিন মাস থেকে ১২ মাস পর্যন্ত মৃত্যর সময় বেঁধে দিয়েছিলেন তাঁদের ক্ষেত্রেও প্রায় ৯০ শতাংশ মিলে গিয়েছে।

ওই বিজ্ঞানীরা তো সব হাসপাতেলেই এই যন্ত্রের ব্যবহার শুরু করতে চাইছেন। মনে করছেন, এই যন্ত্রের সাহায্যে গুরুতর অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা করাটা অনেক বেশি সহজ হয়ে উঠবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কেনেথ জং বলেছেন, প্রতি হাসপাতালেই এই বিষয়ে একজন চিকিৎসক রাখা যতে পারে। এই চিকিৎসক এই গাণিতিক বিষয় আর যন্ত্র দু’টি ব্যাপারেই জানবেন। তাতে রোগীর উপর চিকিৎসা পদ্ধতি অনেক সহজে ব্যবহার করা যাবে। অন্ধের মতো চিকিৎসা না করে, প্রয়োজন আর নিরাপদ কোনটা হবে সেই ব্যাপারেও ঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন