Reliance Jio

নয়াদিল্লি: গত বছরের ডিসেম্বর মাসের টেলিকম গ্রাহকের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (TRAI)। যা মুকেশ অম্বানির (Mukesh Ambani) জিও-র কাছে একটা বড়ো ধাক্কা বলেই চিহ্নিত হচ্ছে।

ট্রাইয়ের তথ্য বলছে, এই সময়কালে ১ কোটি ৩০ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে জিও (Jio)। যা গত বছরের দ্বিতীয় বৃহত্তম লোকসান। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ১ কোটি ৯০ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছিল সংস্থা। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে এটা সবচেয়ে বড়ো গ্রাহক-ক্ষয়।

অন্য দিকে, ভোডাফোন আইডিয়া থেকে গ্রাহক ছেড়ে যাওয়া অব্য়াহত। তবে এমন পরিস্থিতিতে ভারতী এয়ারটেল-ই একমাত্র টেলিকম সংস্থা, যারা গ্রাহক বাড়াতে সফল হয়েছে। একই সময়ে, অর্থাৎ গত ডিসেম্বরে এয়ারটেলের গ্রাহক বেড়েছে ৫ লক্ষ। অন্য দিকে, ভোডাফোন হারিয়েছে ১৬ লক্ষ গ্রাহক। তবে এখনও মোট এবং সক্রিয় গ্রাহক, উভয় ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে জিও।

২০২৩ সালের মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা ৫০ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে জিও। ২০২০ সালেই এই লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন মুকেশ অম্বানি।

Mukesh Ambani

এখনও পর্যন্ত জিও-র গ্রাহক সংখ্যা ৪১ কোটি ১৬ লক্ষ। অর্থাৎ, হাতে থাকা সামান্য সময়ের মধ্যে ৮ কোটির বেশি গ্রাহক সংগ্রহ করার কথা সংস্থার। কিন্তু যে হারে গ্রাহক কমছে, তাতে লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ ততটা মসৃণ নয় বলেই অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের।

এয়ারটেলের সক্রিয় গ্রাহকের হার ৯৮ শতাংশের বেশি। ফলে অন্য টেলিকম সংস্থাগুলোর থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে এয়াটেল। সেই জায়গা থেকে জিও-কে এখনও অনেক দূর যেতে হবে। কারণ জিও-র ক্ষেত্রে এই হার ৮৮ শতাংশের নীচে।

আরও পড়তে পারেন: দিনে মাত্র ৪.৬৪ টাকা! জিও-র সবচেয়ে সস্তা রিচার্জ প্ল্যান, মেয়াদ ৩৩৬ দিন

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন