সিসামারা নদী, তৎসংলগ্ন বাঁধ।

পাপিয়া মিত্র

অভিমানী মন নিয়ে রাতের মতো বিদায় জানালাম কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। লুংচুতে একটা রাত থাকা। ভাগ‍্যের হাতে ছেড়ে এলাম বিছানায়। একেই তো স‍্যাতসেঁতে এক আবহাওয়া। ভোর হল হাতে সময় নিয়ে। কিন্তু হাঃ হতোস্মি। এ বারের ভাগ‍্য বিরূপ হল। মনখারাপের ঝুলিকে শক্ত করে গেরো দিয়ে বসে পড়লাম গাড়িতে। গন্তব‍্য ডুয়ার্স, জলদাপাড়া। আগের দিনে লামার গাড়ি খারাপ হওয়ায় গাড়িমালিক টিঙ্কু বিকল্প গাড়ি দিয়ে গিয়েছিল মুনথুমে। অনেক রাতে লামা সেই গাড়ি নিয়ে চলে আসে লুংচুতে।

লুংচু থেকে যাত্রা শুরু সকাল সাড়ে ৯টায়। শেষের পথে আমাদের ভ্রমণসফর। ডান দিকে ছাঙ্গে ফলস্ যাওয়ার সিঁড়িকে রেখে কোলাখাম পেরিয়ে লাভার রাস্তায় পড়লাম। বাঁ দিকে লাভাকে রেখে এগিয়ে চললাম। একটু পরেই ডান দিকে ঝান্ডির রাস্তা বেরিয়ে গেল। অনেকটা নীচে এসে চেল নদী। দাঁড়িয়ে ছবি তুললাম। চলেছি অম্বিয়ক চা বাগানের মধ্য দিয়ে, স্থানীয়রা বলে অম্বে চা বাগান। সবুজ ফরাস পাতা। তারই মাঝে মাঝে চা পাতা তোলার কাজ চলছে।

নেমে আসছে চেল নদী।

গোরুবাথান থেকে লাভা যাওয়ার পথে বাঁ দিকে চেল নদীর ব্রিজ ক্রস করে যে রাস্তা ঝান্ডি উঠে গেছে, লাভা থেকে ফেরার পথে এখন সেই রাস্তা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে। চেল সেতুর নীচে তাকিয়ে যেন মনে হল শিশুকালের আঁকার খাতা থেকে উঠে এসেছে ছবি। পাথরঘেঁষা নদী কলকল শব্দে ধেয়ে চলেছে। আর এখন ভরা বর্ষায় মনের আনন্দে ছন্দ তুলে বয়ে চলেছে। ছবি তোলা হল। মনের স্বাদ মিটিয়ে চেল নদীকে দেখে, প্রকৃতির সঙ্গে কথা কয়ে ফের গাড়িতে বসা।

চলে এলাম গোরুবাথান। এল গুরজং ঝোরা চা বাগান। রেলগেটে দাঁড়িয়ে। জাতীয় সড়ক ৩১সি-তে পড়লাম। আকাশ পরিষ্কার। ঝাঁ চকচকে রাস্তা দিয়ে গাড়ি ছুটেছে হাওয়ার বেগে। শুরু করলাম লামার সঙ্গে গল্প। ছোটোখাটো শক্ত চেহারার লামার ১৯ বছরের ছেলে ও ১৬ বছরের মেয়ে। ছেলে এ বার উচ্চমাধ‍্যমিক পাশ করেছে। মেয়ে মাধ‍্যমিকের ঘরে। লামার বউ সরষে শাক খেতে ভালোবাসে। একটা দোকানে সরষে শাক, দৃষ্টি এড়ায়নি লামার। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল। একটু অবাক হলাম। নেমে দৌড়ে দু’ আঁটি সরষে শাক নিয়ে গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে বলল, মালবাজারের এক জায়গা বন্ধু দাঁড়িয়ে থাকবে। হাতে দিয়ে দেব।

ডান দিকে মালবাজার, মোড়ে দাঁড়িয়েছিল বন্ধু। হাতে দিয়েই গাড়ি ঘুরল চালসার দিকে। সামান্য দূরে ‘টি মোমেন্টস’। চায়ের তেষ্টা ছিলই। এখানে একটু বসার কথা। চা পান করলাম ও কিনলাম। এখানে গাড়ির মালিক টিঙ্কু ছিল। নানা কথা হল।

জলদাপাড়া রাইনো কটেজ।

‘টি মোমেন্টস’ থেকে রওনা হলাম। প্রথমে পেরোলাম মাল নদী। তার পর কুর্তি নদী। এলাম চালসা মোড়ে। ডান দিকের রাস্তা চলে গেল লাটাগুড়ি। বাঁ দিকে মেটেলি হয়ে সামসিং, সুনতানেখোলা। এগিয়ে চলেছি। পেরোলাম মূর্তি নদী। বাঁ দিকে জঙ্গলের মধ্যে পানঝোরা ওয়াইল্ডারনেস ক্যাম্প। চলেছি গোরুমারা জঙ্গলের চাপরামারি রেঞ্জের মধ্য দিয়ে। থমথমে এক পরিবেশ।

পৌঁছোলাম খুনিয়া মোড়। পথের প্রকৃতি অনুযায়ী গতিবেগ বাড়ছে, কমছে। বাঁ দিকে ঝালং-পারেন-বিন্দু যাওয়ার পথ। ডান দিকে মূর্তি হয়ে লাটাগুড়ির পথ। আমরা চলেছি সোজা। একে একে পেরোলাম জলঢাকা, গাঠিয়া ও কুজি ডায়না নদী। লাল ঝামেলা বস্তি বাঁ দিকের রাস্তায়। দাঁড়াবার অবকাশ নেই। পৌঁছে গেলাম বানারহাট। স্টেশন পেরিয়ে মোড়। বাঁ দিকের রাস্তা চলে গেল ভুটান পাহাড়ের গায়ে চামুর্চি। চলে এল বিন্নাগুড়ি। তার পর তেলিপাড়া। আমরা বাঁ দিক ঘুরলাম। ডান দিকের রাস্তা চলে গেল জলপাইগুড়ি। বাঁ দিকে ফেলে এলাম বিন্নাগুড়ি ক্যান্টনমেন্ট এবং বান্দাপানি যাওয়ার রাস্তা। এই রাস্তা এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ (AH 48)।

গাড়ির গতি বেশ বেড়েছে। পৌঁছে গেলাম বীরপাড়া। ডান দিক ঘুরলাম। এটা জাতীয় সড়ক ১৭। সোজা রাস্তা জাতীয় সড়ক ৩১সি। চলে গেল মাদারিহাট, হাসিমারা হয়ে জয়গাঁ – ভারত-ভুটান সীমান্ত। কালো কার্পেট পাতা রাস্তায় উড়ে চলছে গাড়ি। আমরা দু’ জন আছি লামার গাড়িতে। পেরোলাম দলগাঁও টি এস্টেট, জটেশ্বর। ফালাকাটায় খানিকক্ষণ যাত্রাবিরতি।

আবার রওনা। পেরোলাম ডলোং নদী। পলাশবাড়ি পেরিয়ে চলে এলাম শালকুমার মোড়। বাঁ দিক নিলাম। ৯ কিমি দূরে শালকুমার হাট। শালকুমার বয়েজ স্কুল পেরিয়ে ডান দিকের পথ। রতন বিশ্বাস বিদ্যালয় ছাড়িয়ে ডান দিকে কালভার্ট পেরিয়ে কিছুটা কাঁচা রাস্তা পৌঁছে দিল জলদাপাড়া রাইনো কটেজে। দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ ঘন্টার পথসফর শেষ হল।

শিরীষের টেবিল আর বনকাঁঠালের চেয়ার।

ম‍্যানেজার প্রদীপবাবু দাঁড়িয়েই ছিলেন ফটকের কাছে। রিসর্টে ১৮ জনের একটা দল এসেছে। বার্থডে পার্টি হবে। আরও একটা ঘরে অতিথি। আরও একটা দল চলে যাচ্ছে। তারই মধ‍্যে আমরা হাজির। ম‍্যানেজারবাবুর সদা হাস‍্যমুখ। হাতমুখ ধুয়েই খাবারের জায়গায় পৌঁছে গেলাম। কালো শিরীষের টেবিল আর বনকাঁঠালের চেয়ারের চেহারা একটু অন্য ধরনের। বসে পড়লাম। খাবার জায়গার সুন্দর ব‍্যবস্থা। চার দিক খোলা, মাথা ছাওয়া। গাছের ছায়াঘেরা যেন সেই আমাদের গ্রাম।

এই কটেজে ঢোকার মুখে মেঠোপথের ধারে বেশ ক’টা গ্রাম চোখে পড়েছে। একটা মিষ্টি নাম পেয়েছি, শীলতোর্সা গ্রাম। আদুল গায়ে মহিলারা নিজের কাজে ব‍্যস্ত। পু্রুষেরা মাঠে, শিশুরা উদোম গায়ে খেলা করছে। কেউ কেউ গোরু ছাগলকে খাওয়াচ্ছে। আমাদেরও পেট ডাকছে।

হাসিমুখে রান্নাঘর থেকে বছর কুড়ির টুসু বেরিয়ে এল। একটু বসেন। একবারে গরম ভাত দেব। আসলে আজ একটু ব‍্যস্ত আছি। ওই যে একটা দল এসেছে। ওদের আবার বার্থ ডে পার্টি আছে আজ সন্ধেতে। তবে আপনাদের কোনো অসুবিধে হবে না। এক নিঃশ্বাসে বলে রান্নাঘরে ঢুকে গেল টুসু। ততক্ষণে প্রদীপবাবু সুপুরি গাছের খোল থেকে তৈরি থালায় নুন লেবু দিয়ে ফেলেছেন। ভিকি গরম ভাত দিতে শুরু করল। সঙ্গে ডাল, গন্ধরাজ লেবু, আলুভাজা, একটা পাঁচমেশালি তরকারি, কাতলা মাছের গামাখা রসা, চাটনি আর পাঁপড়। আহা যেন মনে হল মায়ের হাতের রান্না খাচ্ছি। কারও মুখে কোনো কথা নেই।

যা লাগবে চেয়ে নেবেন। টুসুর গলায় প্রায় সকলেই এক সঙ্গে মাথা তুলল। অপূর্ব রান্না। টুসু মন ভরিয়ে দিয়েছ – দলের প্রবীণ উত্তর দিলেন।

কথা হচ্ছিল ম‍্যানেজারবাবুর সঙ্গে। দশ বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে রাইনো কটেজ। বেশ ছড়ানো ছেটানো। টেন্ট করার ব‍্যবস্থা আছে। পার্টি করার খোলামেলা দ্বিতল কটেজ ছাড়াও আরও একটি দ্বিতল কটেজ আছে। যেখান থেকে দিনে রাতে নদীর সঙ্গে কথা বলা ও জঙ্গলের সঙ্গে ভাব জমানো যায়। ভাত খেয়েই সিসামারা নদীর বাঁধের ওপরে। জলদাপাড়া রাইনো কটেজের বাউন্ডারি বাঁধ আর নদীতে ঘেরা। তোর্সার শাখানদী এই সিসামারা। বাঁধের দৈর্ঘ‍্য ৮ কিলোমিটার।

দ্বিতল কটেজ।

সিসামারা, শান্ত নদীটি যেন পটে সেই আঁকা নদী। যার বুকে ঝাঁপায় ভ্রমণপিপাসুরা। যেখানে জল খেতে আসে ও পারের জঙ্গল থেকে হাতি গণ্ডার ময়ূরময়ূরী বাইসন হরিণেরা। নদীকে বলে এলাম একটু বিশ্রামের দরকার। বিদায়ী বিকেলে দেখব তোমার আরও এক রূপ।

ঘরে এসে খোলা জানলার ধারে বিছানা নিলাম। নানা গাছের ডালে ডালে পাখিদের আনাগোনা। সোঁদা মাটির সঙ্গে মিশেছে নানা পাতার মিষ্টি গন্ধ। মন মেতে উঠছে, কলম কথা কয়ে উঠল – শিমূলের মগমুলুকে ঝিকিমিকি রোদ/সুখদুঃখের কথা কয় পেয়ারা পাতার সনে/কারিঝাড়ের ডালের ফাঁকে কি কথা কয় শালিখ/বনতুলসীর কোলে এ বার বিদায় বেলার শোক।

উঠে পড়ে চললাম বাঁধে। নদী যে ডাকে। মেঘের বুকে কুলায় ফিরতি পাখিরা। পদচারণে কটেজের জনমানব। সূর্য ঢলছে পশ্চিমের আকাশে।

সান্ধ‍্য চায়ের আসরে গিয়ে বসলাম। পকোড়া আর আদা-চায়ে আরামের চুমুক। জন্মদিনের পার্টির আয়োজন চলছে। দূরের দ্বিতল কটেজে রঙিন বেলুন, জরিফিতে আর নরম আলোর সমাহার। তবে কোনো কোলাহল নেই। শান্ত পরিবেশে সব হয়ে চলেছে। এখানে এইটুকু সবাই নিজের মতো মানছে দেখে ভালো লাগল।

রাতের দিকে কটেজের যৌথ মালিক মিঠুন সরকার এলেন। স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। দোহারা চেহারার মানুষটির কথাবার্তা খুব সুন্দর। জানালেন, জন্মদিনের উৎসব আছে এবং আগে বুকিং ছিল বলে ভাওয়াইয়া গানের আসর বসানো গেল না।

চিলাপাতার জঙ্গলে।

মিঠুনবাবুর গল্প চলছিল। এলাকায় হাতির উপদ্রব খুবই। এখানে বাঁয়া গণেশ ও তালবেতাল নামে দু’টি হাতি ছিল। বিখ্যাত, দু’জনেই খবরের কাগজের পাতায়। এলাকায় প্রায়ই হাতির পায়ের ছাপ পড়ে। স্থানীয় নানা গল্প গানে গানে শোনান ভাওয়াইয়া শিল্পী। তা থেকে বঞ্চিত থেকে গেলাম এ বারের মতো।

রাতের খাবারের পাতে ছিল ভাত, রুটি, আলুভাজা, ডবল ডিমের অমলেট অথবা চিকেন, চাটনি। আবার সেই টুসুর হাতের রান্না।

ভোর ডেকে নিয়ে চলল নদীর কিনারে। নদীর বাঁকে বাঁকে পাথরের স্তূপ সৃষ্টি করছে আলাদা সৌন্দর্য, সেখানে যখন গহন জঙ্গলের মাথা ছুঁয়ে রোদের কিরণ পড়ছে। আহা প্রকৃতিদেবী যেন দশ হাত দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছেন ক্ষণে ক্ষণে। ফিরে আসার পর জলখাবারের ডাক। গরম গরম ফুলকো লুচি, ছোলার ডাল।

তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়া। জলদাপাড়া রাইনো কটেজ থেকে চিলাপাতা জঙ্গলের দিকে। কটেজ থেকে বেরিয়ে আগের দিনের পথ ধরে চলে এলাম শালকুমার মোড়। বাঁ দিকে ঘুরলাম। পেরোলাম শীলতোর্সা নদী। তার পরে পাতলাখাওয়া পেরিয়ে চলে এলাম সোনাপুর। বাঁ দিক ঘুরে বেশ খানিকটা গিয়ে ডান দিকে পড়ল মথুরা টি এস্টেট। এই চা বাগান শেষ হতেই জলদাপাড়া ফরেস্টের চিলাপাতা রেঞ্জের চেকপোস্ট। বন বিভাগের খাতায় এন্ট্রি করিয়ে ঢুকে গেলাম চিলাপাতার জঙ্গলে।

ঘন জঙ্গলে আকাশ মেঘলা। আগের বারে পথ কিছু কাঁচা ছিল দেখেছিলাম। এখন মসলিন শাড়ির মতো পেলব। বৃষ্টিও হয়েছে। জলধোয়া রাস্তায় গাড়ির চাকার শব্দ ছাড়া আর কিছু নেই। দু’ ধারে ঘন জঙ্গলে যেন কী একটা নড়ে উঠল। শুধু দু’টো চোখ। গাড়ি একটু পিছিয়ে নিতেই মাথাখানা নাড়িয়ে বনবাদাড় কাঁপিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। একটা বড়ো বাইসন। লাল চোখ। মাত্র পঞ্চাশ মিটার দূরত্বে। লামা তড়িঘড়ি গাড়ি স্টার্ট দিল – আমার গাড়ির লাল রঙ, বলেই গাড়ি ছুটিয়ে দিল। পেছনে বাপির গাড়ি। কিছুটা গিয়েই দাঁড়িয়ে পড়ল লামা। ভাবলাম, পথ আটকাল নাকি বাইসনটা? একদল হরিণ দেখি মুখ বাড়িয়ে। নাঃ, যাতায়াতের পথে কোনো হাতির দেখা পাইনি।

আমার ভ্রমণসঙ্গীরা, চিলাপাতায়।

ফিরে আসা নিজের আস্তানায়। আজকের ভাতের পাত সাজিয়েছে টুসু। বাটি উপুড় করে মাপা ভাত। মাছের মাথা দিয়ে সবজি ডাল, বেগুনি মাছের ডিমের বড়া, কাতলা মাছের কালিয়া, পাঁপড়, চাটনি। আজ বড়ো ঘুম চোখে। দু’টো দিন বরাদ্দ এখানে। রোদ উঠেছে, মাঝে মাঝে বৃষ্টি। সমস্ত কটেজ ঘিরে ছাতার মতো ছেয়ে আছে মালয়েশিয়ান শাল, শিমূল, বনকাঁঠাল, জারুল, আম, কামরাঙা, শিরীষ গাছ।

বালিশে মাথা কিন্তু মন নদীর তীরে। চোখে গহন মেঘের অন্ধকার। কিছু সময়ের জন্য হারিয়ে যাওয়া। কে যেন ডাকল, যাবে না। এ ডাক অতি চেনা। নেশার ঘোরে উঠে গেলাম নদীর তীরে। নেমে গেলাম জলে। মনের আনন্দে ডুব দিয়ে, সাঁতরে চলে গেলাম একবারে ওপারে। জলদাপাড়ার অভয়ারণ্য থেকে বেরিয়ে এসেছে হরিণের দল, দু’টো ময়ূর খোঁজ করছে ময়ূরীর। আমার হাতের ছোঁয়া নিয়ে হরিণের দল হারিয়ে গেল বনে। আমি অপেক্ষায় আছি বাঁয়া গণেশ আর তালবেতালের। ওদের আড়ালে দেখব জলদাপাড়ার রাজাকে।

জলদাপাড়া রাইনো কটেজে থাকা

যোগাযোগ: ট্রাভেলিজম, ফোন: 8276008189, 9903763296 ।

পাপিয়া মিত্রের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে আগের ভ্রমণকাহিনিগুলো পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন