আমাদের দেশে এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে কম খরচে থাকা যায়, খাওয়া যায়, ঘোরাও যায়। অনেক জায়গা আছে, যেখানে প্রায় নিখরচায় থাকা যায়। শুধু মনে রাখবেন যাঁরা সেই পরিষেবা দেন, তাঁরা কিছু ডোনেশন আশা করেন। ডোনেশন দেবেন আপনার ক্ষমতামতো। ঘোরাঘুরির জন্য আছে স্থানীয় যানবাহন। এক জায়গায় থেকে আর এক জায়গা যাওয়ার জন্য পাবেন রাজ্য পরিবহণ ও বেসরকারি বাস। রয়েছে বাসে আসন সংরক্ষণের জন্য অনলাইন বুকিং ব্যবস্থা।

খবর অনলাইন এ রকমই কিছু জায়গার সুলুক সন্ধান দিচ্ছে। আজ তৃতীয় কিস্তি।

(১) কম খরচে ঘোরার একটা আদর্শ সার্কিট হল নৈনিতাল-আলমোড়া রানিখেত-কৌশানি।

নৈনিতাল

লেকের পাড়ে ম্যাল রোড, নৈনিতাল।

পাহাড়ের ঢালে মনোরম নৈনি লেকের জন্য খ্যাতি নৈনিতালের (১৯৩৮ মিটার)। কুমায়ন পাহাড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় শৈলশহর নৈনিতাল। নৈনি লেকে বোটিং করুন, ম্যাল রোড (তাল্লিতাল থেকে মাল্লিতাল) বরাবর লেকের ধার দিয়ে হেঁটে বেড়ান। এই রাস্তায় সাইকেল রিকশাও চলে। লেকের ধারে নয়নামাতার মন্দির, স্বল্প দূরে গুরুদ্বার, মসজিদ এবং গথিক শৈলির সেন্ট জনস্‌ চার্চ। কেবল্‌ কারে উঠে যান স্নো ভিউ পয়েন্টে, দেখুন হিমালয়ের তুষারশৃঙ্গ। দেখে আসতে পারেন অবজারভেটরি, নয়না পিক, লরিয়াকান্তা – কিন্তু এ সব জায়গা দেখতে হলে ভরসা রাখতে হবে পায়ে কিংবা ঘোড়ায়।

আরও পড়ুন: ঘুরে আসুন কম খরচে: খবর অনলাইনের বাছাই/১

কম খরচে থাকার জন্য তাল্লিতাল ও মাল্লিতালে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল আছে। খুঁজে পাওয়ার জন্য বাস স্ট্যান্ডে পেয়ে যাবেন সাহায্যকারী। আছে ম্যাল থেকে স্বল্প দূরে ওয়াইডব্লিউসিএ-র গেস্ট হাউস ‘ফেয়ারহেভেনস্‌ (যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩৬০৫৭/২৩২৯৭২, ই-মেল [email protected] )। ৫০০ টাকায় দ্বিশয্যা ঘর মেলে মাল্লিতালে উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট-এর কাছে ইউথ হস্টেলে (যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩৬৩৫৩, ৮০৫৭৭০৮৭১৪, ই-মেল [email protected] )।

আছে নানা হলিডে হোম – মৌচাক রেস্তোরাঁর কাছে অল ইন্ডিয়া এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক ন্যাশনাল এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (যোগাযোগ ০৩৩-২২২০৮৩৭৫), হোটেল অশোক-এ এলাহাবাদ ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ কো-অপ ক্রেডিট সোসাইটি (যোগাযোগ ০৩৩-২২৪২০৫৫৯/২২২০৮৩৭৫/৭৬/৭৭), হোটেল হিল ভিউ-এ কলকাতা কর্পোরেশনের ড্রয়িং সেকশন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন (যোগাযোগ ০৩৩-২৪৯৩০৩৩০/২২৪১৮২৮১/২৪০২৪৪৩২), বাস স্ট্যান্ডের কাছে হোটেল এলফিনস্টোন-এ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া এমপ্লয়িজ (বেঙ্গল সার্কল) কো-অপ ক্রেডিট সোসাইটি (যোগাযোগ ০৩৩-২২৪৮৫০৭৫), হোটেল হিমালয়-এ ইউকো ব্যাঙ্ক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাব (যোগাযোগ ০৩৩-২২২৫৪১২০-২৯)।

মুক্তেশ্বরের সেই পূর্ত বাংলো যেখানে থাকতেন জিম করবেট।

কম খরচে ভালো খাওয়ার অজস্র জায়গা রয়েছে ম্যাল রোড বরাবর, লেকের ধার ঘেঁষে। এদের মধ্যে উল্লেখ করতেই হয় ‘ফ্ল্যাটিস’, বাঙালি খানার জন্য বিখ্যাত ‘মৌচাক’, মোমো-থুকপার জন্য ফ্ল্যাটস-এ (মাল্লিতাল) টিবেটান মার্কেটের টি স্টল।

নৈনিতাল থেকে বহু বেসরকারি সংস্থা এক দিনের ট্যুরে ঘুরিয়ে আনে ভাওয়ালি, ভীমতাল, সাততাল, নওকুচিয়াতাল; খুরপাতাল, কালাধুঙ্গি, করবেট মিউজিয়াম, গর্গিয়া টেম্পল; কেভ গার্ডেন, বড়াপথর, ল্যান্ডস এন্ড, সরিয়াতাল, ওয়াটারফল, লেক ভিউ পয়েন্ট, খুরপাতাল ভিউ পয়েন্ট; ভাওয়ালি, কেঁইচি টেম্পল, রানিখেত, কালিকা টেম্পল, গলফ্‌ লিঙ্ক (রানিখেত), হেরাখান টেম্পল; ভাওয়ালি, গগর, রামগড়, মুক্তেশ্বর, ঘোড়াখাল। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুন ট্রাভেলস (তাল্লিতালে বাস স্ট্যান্ডের কাছে, যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩৭২০৮), পর্বত ট্যুরস (তাল্লিতাল, যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩১৪৩৬), দর্শন ট্রাভেলস (ম্যাল রোড, যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩৫০৩৫/২৩৫৩৪৬), হিনা ট্রাভেলস (ম্যাল রোড, যোগাযোগ ০৫৯৪২-২৩৫৮৬০/২৩৫১২৮)।

আলমোড়া

নৈনিতাল থেকে ৬৩ কিমি দূরের আলমোড়া আসুন বাসে করে।

১৬৪৬ মিটার উঁচু আলমোড়ার খ্যাতি হিমালয়ের নৈসর্গিক শোভার জন্য। ব্রাইট এন্ড কর্নার ভিউ পয়েন্ট থেকে নন্দাদেবী, নন্দাকোট, পঞ্চচুল্লি, ত্রিশূল, চৌখাম্বা সহ নানা শিখরে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের রূপ বিস্মিত করে। কিছু দূরে শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, স্বামীজির বাসের স্মারক ওকলে হাউস, নিবেদিতাকে স্বামীজির ব্রহ্মচর্য দীক্ষাদানের স্থল, পাতালদেবী মন্দির, ৭ কিমি উত্তরে কাসারে কাসারদেবীর মন্দির। এই মন্দিরও স্বামীজির স্মৃতিধন্য। দ্রষ্টব্যগুলোর কিছু হেঁটেই ঘুরে নেওয়া যায়। আর দূরের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য আছে বাস।

কাসারদেবীর মন্দির।

কম খরচে থাকার জন্য বাস স্ট্যান্ড থেকে হাঁটা দূরত্বে ম্যাল রোডে রয়েছে বেসরকারি হোটেল। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাঙালি পরিচালনায় বেঙ্গল হোটেল, রঞ্জনা হোটেল, হোটেল পবন, হোটেল ত্রিশূল, রয়্যাল হোটেল।

আলমোড়ায় থাকার আরও একটি উৎকৃষ্ট জায়গা হল শ্রীরামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের গেস্ট হাউস। থাকার অনুমতি চেয়ে আগাম লিখুন অধ্যক্ষ মহারাজ, রামকৃষ্ণ কুটির, ব্রাইটেন্ড কর্নার, আলমোড়া, উত্তরাখণ্ড ২৬৩৬০১।

রয়েছে হলিডে হোমও। বাস স্ট্যান্ডের কাছে হোটেল শিখরে ইউকো ব্যাঙ্ক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাবের হলিডে হোম (যোগাযোগ ০৩৩-২২২৫৪১২০-২৯)।

কম খরচে ভালো খাওয়ার অনেক জায়গা আছে বাস স্ট্যান্ডের কাছে।

রানিখেত

চৌবাটিয়া থেকে হিমালয়ের তুষারশৃঙ্গরাজি।

আলমোড়া থেকে ৫০ কিমি দূরের রানিখেত আসুন বাসে করে।

তুষারে ঢাকা হিমালয়ের চোখ জোড়ানো রূপ সুন্দর দৃশ্যমান  রানিখেত (১৮১৯ মিটার) থেকে। দেখে নিন কুমায়ুন রেজিমেন্টের মিউজিয়াম, চৌবাটিয়ায় উত্তরাখণ্ড সরকারের আপেল বাগিচা ও গবেষণাকেন্দ্র, চৌবাটিয়ার পথে ঝুলা দেবী তথা দেবী দুর্গার মন্দির,  আলমোড়ার পথে ৭ কিমি দূরে উপতায় নাইন হোল গলফ্‌ কোর্স, শহরের এক প্রান্তে কালিকা তথা কালীর মন্দির। দূরের দ্রষ্টব্য দেখে নিন বাসে করে।

রানিখেত শহর।

কম খরচে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাস স্ট্যান্ডের কাছে হোটেল ত্রিভুবন, সদর বাজারে ট্যুরিস্ট হোটেল, প্রশান্ত হোটেল, গ্র্যান্ড হোটেল ইত্যাদি।

রয়েছে হলিডে হোমও। হোটেল নিউ পাইনে ইউকো ব্যাঙ্ক স্টাফ রিক্রিয়েশন ক্লাবের হলিডে হোম (যোগাযোগ ০৩৩-২২২৫৪১২০-২৯)।

কৌশানি

রানিখেত থেকে ৫৯ কিমি দূরের কৌশানি আসুন বাসে করে।

কুমায়ুন ভ্রমণে রূপবতী কৌশানি (১৮৯০ মিটার) অবশ্য দর্শনীয়। কৌশানির প্রশস্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় ৩৩৬ কিমি বিস্তৃত হিমালয়ের তুষারাচ্ছাদিত শিখররাজির মোহিনী রূপ। এক ঘণ্টার বাসপথে ১৯ কিমি দূরের গোমতীর তীরে বৈজনাথের মন্দিররাজি দেখতে অবশ্যই ভুলবেন না।

বৈজনাথের মন্দিররাজি।

কৌশানিতে থাকার সব চেয়ে ভালো জায়গা গান্ধীর স্মৃতিবিজড়িত অনাশক্তি যোগ আশ্রম। শুধু খরচ কম নয়, যার জন্য কৌশানির প্রশস্তি, সেই সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ভালো ভাবে দেখতে আসতে হয় অনাশক্তি যোগ আশ্রমের সামনের মাঠে। থাকা ও নিরামিষ আহারের ব্যবস্থা রয়েছে। বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ: ম্যানেজার, অনাশক্তি যোগ আশ্রম, ফোন ০৫৯৬২-২৫৮০২৮।

কম খরচে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে সরকারি উদ্যোগে। জেলা পঞ্চায়েত ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (অনাশক্তি যোগ আশ্রমের পিছনে)। যোগাযোগ: ০৫৯৬২-২৫৮২৪২। এখানকার রেস্তোরাঁয় বাঙালির রসনা তৃপ্ত করার মতো খাবার পাওয়া যায়। কম খরচে ভালো ঘর মেলে বাজার এলাকায় নিউ পাইন হোটেলে।

বাসেই ফিরে আসুন ১১৮ কিমি দূরের নৈনিতালে। কিংবা ফেরার ট্রেন ধরতে বাসে চলুন ১৫৫ কিমি দূরের কাঠগোদামে।

(২) হাম্পি

হেমকূট পাহাড় থেকে বিরূপাক্ষ মন্দির।

পনেরো-ষোলো শতকের বিজয়নগর সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কর্নাটকের হাম্পি। রামায়ণের কিষ্কিন্ধ্যাও ছিল এই হাম্পি। এখন বিশ্ব ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃত। তুঙ্গভদ্রা-তীরের হাম্পি যেন একটা ‘ওপেন মিউজিয়াম’। হাম্পিতে দ্রষ্টব্য এত যে কয়েকটা দিন অনায়াসে কেটে যায় এখানে। হাম্পিকে ঘিরে রয়েছে হেমকূট পাহাড়, মাতঙ্গ পাহাড়, মাল্যবন্ত পাহাড় আর তুঙ্গভদ্রা নদী। এরই মাঝে ২৬ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে হাম্পির অতীত। তুঙ্গভদ্রা তীরে বিরুপাক্ষ মন্দির, তার পর হেমকূট পাহাড় ঘিরে কদলেই কলু গণেশ, সসিভে কলু গণেশ, শ্রীকৃষ্ণ মন্দির, বড়ভি লিঙ্গ ও লক্ষ্মীনরসিংহ। বিরুপাক্ষ মন্দিরের উলটো দিকে মাতঙ্গ পাহাড়ের পাদদেশে বিশাল নন্দীমূর্তি দেখে তুঙ্গভদ্রার পাড় ধরে চলুন অচ্যুতরায় মন্দিরের দিকে। পথে কোদণ্ডরাম মন্দির।

আরও পড়ুন: ঘুরে আসুন কম খরচে:খবর অনলাইনের বাছাই/২

অচ্যুতরায় মন্দির দেখে তুঙ্গভদ্রার পাড় ধরে পায়ে পায়ে এগিয়ে একে একে দেখুন জৈন মন্দির, সুগ্রীব গুহা, কিংস ব্যাল্যান্স, অসমাপ্ত দরজা, বিষ্ণু মন্দির, পৌঁছে যান বিঠ্‌ঠল মন্দিরে। নিঃসন্দেহে হাম্পির সর্বশ্রেষ্ঠ মন্দির। এখানে রয়েছে পাথরের রথ। চাকাগুলো জোড়া, সারা গায়ে ভাস্কর্য। গাড়িপথেও আসা যায় বিঠ্‌ঠল মন্দির অঞ্চলে।

লোটাস মহল, হাম্পি।

রাজবাড়ি অঞ্চল হল বিজয়নগর সাম্রাজ্যের আবাস স্থল। এখানে চোখে পড়বে লোটাস মহল (হাম্পির সব থেকে শ্রেষ্ঠ প্রত্ন নিদর্শন) সহ নানান নিদর্শন। হাম্পির আরেক প্রান্তে রয়েছে পট্টভিরমা মন্দির ও প্রত্নতাত্ত্বিক মিউজিয়াম। আরেক অঞ্চলে ভীমের ফটক ও গণগিট্টি জৈন মন্দির হয়ে মাল্যবন্ত রঘুনাথ মন্দির। মাল্যবন্ত পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত নয়নাভিরাম। তুঙ্গভদ্রা নদীর ওপারে প্রাচীন কিষ্কিন্ধ্যার নানা নিদর্শন। কোনো এক বিকেলে সূর্যাস্ত দেখার জন্য চলুন হসপেটের তুঙ্গভদ্রা ড্যামে।

হাওড়া থেকে অমরাবতী এক্সপ্রেসে হসপেট চলুন। সেখান থেকে ১৩ কিমি হাম্পি চলে আসুন বাসে। হাম্পি বাজারকে ঘিরে, তুঙ্গভদ্রার পাড়ে অনেক গেস্ট হাউস, হোটেল, হোম স্টে আছে যেখানে দৈনিক ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে অ্যাটাচড বাথ-সহ ঘর পাওয়া যায়। জনপ্রতি সারা দিনের খাওয়াখরচ পড়ে ২০০ টাকার মতো। আর ঘোরাঘুরি অনেকটাই করতে হয় হেঁটে। একটু দূরের জায়গার জন্য রয়েছে অটো, টাঙা।

(৩) গোয়া

প্যালোলেম সৈকত।

কম খরচে থাকা ও ঘোরার আরেকটি জায়গা হল গোয়া। পশ্চিমঘাট পাহাড়ের ঢালে, আরব সাগরের কোলে অবস্থিত গোয়ার পরিচয় দেওয়া বাহুল্যমাত্র। গোয়ার প্রায় প্রতি বিচে কম খরচে অসংখ্য থাকার ব্যবস্থা আছে। এগুলো শ্যাকস্‌ হলেও থাকার ব্যবস্থা উত্তম। তা ছাড়া দক্ষিণের প্যালোলেমের মতো বিচে (গোয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিচ) ৪০০-৫০০ টাকায় ভালো ঘরও পাওয়া যায়।

এ ছাড়া পানজিমের এমজি রোডে হোটেল অমেয়ায় পিয়ারলেস হলিডে হোম কমিটির হলিডে হোম। যোগাযোগ ০৩৩-২২৪৮৮৯৯৬/২২৪৮১১০৩।  আর গোয়া ঘোরার জন্য রয়েছে গোয়া ট্যুরিজমের কনডাক্টেড ট্যুরের ব্যবস্থা। পানজিম, মাড়গাঁও, কোলভা, ক্যালাঙ্গুটে থেকে বাস ছাড়ে। তা ছাড়া গোয়া ঘোরার জন্য অটো তো আছে। এর ওপর মোটরবাইক মেলে ভাড়ায়। যাঁরা মোটরবাইক চালাতে জানেন, তাঁদের পক্ষে গোয়া ঘোরার আদর্শ মাধ্যম। খরচ অনেক কম পড়ে।

2 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন