শীতের ভ্রমণ ৮ / অন্ধ্র ঘুরে তেলঙ্গানায়

0

উপকূল অন্ধ্র ঘোরার আদর্শ সময় শীতকাল। প্রচণ্ড শীতে কাবু হওয়ার আশঙ্কা নেই। শীতটা বেশ উপভোগ করবেন। তার পর তেলঙ্গানায়। সেখানেও শীত বেশ আনন্দ দেবে। তা হলে দেরি কেন, প্ল্যান করে ফেলুন।

রাজামুন্দ্রিবিজয়ওয়াড়ানাগার্জুনসাগরহায়দরাবাদ

করোমণ্ডল এক্সপ্রেস দুপুর ২.৫০এ হাওড়া ছেড়ে রাজামুন্দ্রি পৌঁছোয় পরের দিন সকাল ৭টায়। যশোবন্তপুর এক্সপ্রেস রাত ৮.৩৫এ ছেড়ে রাজামুন্দ্রি পৌঁছোয় পরের দিন দুপুর ১.৪৮এ। মাদ্রাজ মেল রাত ১১.৪৫এ ছেড়ে রাজামুন্দ্রি পৌঁছোয় পরের দিন বিকেল ৫.২৯এ। হাওড়া থেকে রাজামুন্দ্রি যাওয়ার সাপ্তাহিক, দ্বিসাপ্তাহিক ট্রেনও আছে। চেন্নাই থেকে ট্রেনে রাজামুন্দ্রি ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টার পথ। দিনে দিনে যেমন পৌঁছোনো যায়, তেমনি রাতের ট্রেন ধরে পরের দিন সকালেও পৌঁছোনো যায়। মুম্বই থেকে ২৫ ঘণ্টা সময় লাগে। দৈনিক দুটি ট্রেন একটি সকাল ৮টা নাগাদ, অন্যটি বিকেল ৪.৩০তে রাজামুন্দ্রি পৌঁছোয়। দিল্লি নিজামুদ্দিন থেকে রাত ১১টায় ছেড়ে দক্ষিণ এক্সপ্রেস তৃতীয় দিন সকাল সাড়ে ৯টায় রাজামুন্দ্রি পৌঁছোয়।

godavari bridge in rajahmundry
রাজামুন্দ্রিতে গোদাবরীর উপর সেতু।

প্রথম থেকে তৃতীয় দিন – রাত্রিবাস রাজামুন্দ্রিরাজামুন্দ্রিতে কী দেখবেন

গোদাবরী তীরে রাজামুন্দ্রি। সাগর-অভিমুখী নদী এখানে ৫ কিমি প্রশস্ত। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেলসড়ক সেতু এখানে।

() গোদাবরী তীরে পুষ্করঘাট। ১২ বছর অন্তর ১২ দিনের পুষ্করতীর্থম তথা দক্ষিণের কুম্ভমেলা বসে এখানে। ঘাটে নানা দেবদেবীর মন্দির, দুর্গাই মুখ্য

() গোদাবরী কিনারে মার্কণ্ডেয় স্বামী মন্দিরে হরপার্বতী, নারায়ণ ও সূর্য দেবতা।

() দুকিমি দূরে কোটিলিঙ্গেশ্বরে লিঙ্গরূপী মহাদেব।

() দুএকর এলাকা জুড়ে ইস্কন মন্দির

popikondalu boat cruise
গোদাবরীতে জলযাত্রা।

() অন্ধ্র পর্যটন আয়োজিত গোদাবরী বরাবর সারা দিনের ক্রুজে বেরিয়ে পড়ুন। উপভোগ করুন পপিকোন্ডালু পাহাড়শ্রেণির সৌন্দর্য। দেখে নিন নানা মন্দির। প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ বোটেই।

() চলুন ৬৫ কিমি দূরে কাকিনাড়া সৈকত। দেখে নিন কাকিনাড়া শহর থেকে ১৭ কিমি দূরের কোরিঙ্গা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

kanakdurga temple, vijayawada
কনকদুর্গা মন্দির, বিজয়ওয়াড়া।

চতুর্থ দিন থেকে ষষ্ঠ দিন – রাত্রিবাস বিজয়ওয়াড়া

চতুর্থ দিন সকালে রাজামুন্দ্রি থেকে বিজয়ওয়াড়া চলে আসুন ট্রেনে, ঘণ্টা তিনেকের রাস্তা।

বিজয়ওয়াড়ায় কী দেখবেন

কৃষ্ণার তীরে বিজয়ওয়াড়া। এখানেই প্রকাশম ব্যারাজ।

() বিজয়ওয়াড়া শহরে দেখুন ইন্দ্রকিলাদ্রি পাহাড়ে কনকদুর্গা মন্দির। মন্দিরের পথেই পাহাড় কেটে ১৭ শতকে কুতবশাহী মন্ত্রীদের গড়া আক্কান্না ও মাডান্না গুহা। অদূরে আরও এক গুহায় ব্রহ্মাবিষ্ণুমহেশ্বর। বন্দর রোডে ভিক্টোরিয়া জুবিলি মিউজিয়াম। কৃষ্ণার পাড়ে বাসস্ট্যান্ডের কাছে রাজীব গান্ধী পার্ক। দেখে নিন গান্ধী হিল

() ৫ কিমি দূরে মোগলরাজাপুরমে রাজা মাধববর্মার (৪৬২৫০২ খ্রিঃ) গড়া তিনটি গুহামন্দিরundavalli caves () প্রকাশম ব্যারাজ পেরিয়ে ৮ কিমি দূরে সাত শতকের গ্রানাইট পাহাড় ঢালে পাঁচ ধাপে উন্ডাভল্লি গুহা। পাথর কেটে তৈরি স্থাপত্য, পল্লব শৈলীর অপূর্ব নিদর্শন অনন্তশয়ান বিষ্ণুর মনোলিথিক মূর্তি। অনেকে একে বুদ্ধও বলে থাকেন। রয়েছে জৈন মন্দির

() ১২ কিমি দূরে মঙ্গলাগিরি, ভারতের যে আটটি জায়গায় বিষ্ণু নিজেকে প্রকাশ করেছিলেন তাদের অন্যতম এই মঙ্গলাগিরি। এখানে তিনটি নরসিং মন্দির আছে। পাহাড়চুড়োয় গন্ডালা নরসিংহ স্বামী মন্দির, ওই পাহাড়ে পনাকালা নরসিংহ স্বামী মন্দির এবং পাহাড়ের পাদদেশে লক্ষ্মী নরসিংহ স্বামী মন্দির। পাহাড়ের গড়নটি হাতির মতো। মন্দিরের যাওয়ার জন্য পাহাড়ের ঢাল বেয়ে যে সিঁড়ি আছে, সেই সিঁড়ির ডান দিকে বিজয়নগরের রাজা কৃষ্ণদেব রায়ের একটি শিলালিপি আছে। আর একটু ওঠার পর মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যের পায়ের ছাপ আছে।

dhyanabuddha statue, amaravathi
ধ্যানবুদ্ধ, অমরাবতী।

() মঙ্গলাগিরি থেকে ৩৮ কিমি এবং বিজয়ওয়াড়া থেকে ৪২ কিমি দূরে অমরাবতী। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকে তৈরি বৌদ্ধদের মহাচৈত্যের জন্য খ্যাতি অমরাবতীর। এখানে যে স্তূপ ছিল তা সাঁচির চেয়েও বড়ো ছিল। রয়েছে ধ্যানবুদ্ধ, মিউজিয়াম আর কৃষ্ণা নদীর পাড়ে অমরেশ্বর শিব মন্দির। অন্ধ্রের রাজধানী তৈরি হচ্ছে এই অমরাবতীতেই।

() বিজয়ওয়াড়াহায়দরাবাদ পথে ১৬ কিমি দূরে কোন্ডাপল্লি, খ্যাতি কাঠের পুতুলের জন্য। রয়েছে পাহাড় শিরে নায়ক রাজাদের তৈরি ১৪ শতকের দুর্গ। গাড়ি চলে যায় দুর্গ পর্যন্ত।

artisan busy in toy making
কোন্ডাপল্লির ব্যস্ত শিল্পী।

() বিজয়ওয়াড়া থেকে ৪৬ কিমি দূরে কুচিপুড়ি নাচের স্রষ্টা সিদ্ধেন্দ্র যোগীর জন্মভূমি কুচিপুড়ি গ্রাম

() কুচিপুড়ি থেকে ৪১ কিমি, বিজয়ওয়াড়া থেকে ৮১ কিমি দূরে মাগিনাপুড়ি সৈকত

সপ্তম ও অষ্টম দিন – রাত্রিবাস নাগার্জুন সাগর

সপ্তম দিন সকালে রওনা হয়ে যান নাগার্জুন সাগর। বিজয়ওয়াড়া থেকে বাসে চলে আসুন নাগার্জুন সাগর, ১৯০ কিমি। ঘণ্টা পাঁচেকের পথ। গাড়ি ভাড়া করেও আসতে পারেন।

ওই দিন বিকেলে দেখে নিন ১১ কিমি দূরের ইথিপোথালা জলপ্রপাত

ethipothala falls
ইথিপোথালা ফলস্‌।

পরের দিন চলুন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক নাগার্জুন সাগর দেখতে। নাগার্জুন সাগরে ১১ কিমি জলযাত্রা করে দেখে নিন অতীতের নানা নিদর্শন সম্ভার নিয়ে নাগার্জুনকোন্ডায় গড়ে ওঠা মিউজিয়াম। নাগার্জুনকোন্ডা ছিল বিজয়পুরী, সাতবাহন রাজাদের রাজধানী। প্রায় হাজার দুয়েক বছর আগেকার নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন নিয়ে দাঁড়িয়েছিল নাগার্জুনকোন্ডা, বৌদ্ধ আচার্য নাগার্জুনের নামে যার নাম। ১৯৫৫য় কৃষ্ণা নদীতে বিশ্বের অন্যতম উঁচু বাঁধ তৈরির সময় জীবন্ত প্রত্নশালার ঘটে। কিন্তু সেই সব পুরা নিদর্শন নিয়ে নাগার্জুনকোন্ডায় তৈরি হয়েছে মিউজিয়াম। সেই দিনই দেখুন অনুপু গ্রামে ওপেন এয়ার মিউজিয়াম। সেই সময়কার অ্যাম্ফিথিয়েটার, হারিতি মন্দির, মঠ, চৈত্য ইত্যাদি নিয়ে গড়া।

hussain sagar, hyderabad
হুসেন সাগর, হায়দরাবাদ।

নবম, দশম ও একাদশ দিন – রাত্রিবাস হায়দরাবাদ

নবম দিন সকালেই বেরিয়ে পড়ুন হায়দরাবাদের পথে, দূরত্ব ১৫০ কিমি। বাসে ঘণ্টা চারেকের পথ। গাড়ি ভাড়া করেও আসতে পারেন।

আরও পড়ুন শীতের ভ্রমণ ৭ / উপকূল অন্ধ্র ঘুরে ছত্তীসগঢ়ের অন্দরে

 হায়দরাবাদে কী দেখবেন

() হুসেন সাগর। এর পাড়ে ৩৪ একর ব্যাপ্ত ফাইবার গ্লাসে তৈরি নানা সম্ভারের এনটিআর গার্ডেন

() হুসেন সাগর লেকের নিজামিয়া অবজারভেটরিতে বুদ্ধপূর্ণিমা কমপ্লেক্স তথা লুম্বিনী পার্ক। লেকের মধ্যমণি রক অব জিব্রাল্টারে ভগবান বুদ্ধের মনোলিথিক মূর্তি। ফেরি নৌকায় পারাপার।

() কাছেই নওবত পাহাড়ে খাজুরাহো ও বোধগয়ার শৈলীতে বিড়লাদের তৈরি শ্বেত মর্মরের শ্রী বেঙ্কটশ্বর স্বামীর মন্দির। নওবত পাহাড় থেকে হুসেন সাগরের দৃশ্য নয়নাভিরাম।

() মুসি নদীর দক্ষিণ পাড়ে সালার জং মিউজিয়াম অবশ্য দ্রষ্টব্য।

charminar, hyderabad
চারমিনার, হায়দরাবাদ।

() সালার জং থেকে বাজারমুখী পথে হলুদ রঙা চারমিনার

() চারমিনারের পশ্চিমে হায়দরাবাদের পুরোনো লাডবাজার

() চারমিনারের অদূরে দক্ষিণ পশ্চিমে দক্ষিণ ভারতের বৃহত্তম মসজিদ মক্কা মসজিদ

() চারমিনার থেকে আড়াই কিমি দক্ষিণ পশ্চিমে ২০ কিমি ব্যাপ্ত কৃত্রিম লেক মীর আলম ট্যাঙ্ক। এরই অংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে নেহরু জুলজিক্যাল পার্ক তথা চিড়িয়াখানা

() নিজামদের বাসস্থান চৌমহল্লা প্রাসাদ

(১০) গোলকুণ্ডা দুর্গ ও সন্ধ্যায় অমিতাভ বচ্চনের গ্রন্থনায় লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো

(১১) দুর্গের এক কিমি উত্তরে ফুলবাগিচায় ঘেরা কুতবশাহী সমাধি

(১২) দুর্গ থেকে ২ কিমি দূরে তারামতী বরাদরি। শেষ কুতবশাহীর শিক্ষয়িত্রী তারামতীর নাচগানের আসর বসত।

(১৩) গোলকুণ্ডা থেকে তিন কিমি উত্তরে দুর্গম চেরুভু, চারপাশে পাহাড়ে ঘেরা প্রকৃতিদত্ত লেক চেরুভু অর্থাৎ গুপ্ত লেক

(১৪) দুর্গের মক্কা দরজা দিয়ে বেরিয়ে ডাইনে এগোতেই ওসমান সাগর। লেক ও বাগিচা

(১৫) রামোজি ফিল্ম সিটি

ramoji film city
রামোজি ফিল্ম সিটি।

দ্বাদশ দিন – ঘরে ফেরা।

ট্রেনে বা বিমানে ফিরে আসুন নিজের শহরে।

কোথায় থাকবেন

() বিজয়ওয়াড়াতে পাবেন অন্ধ্র পর্যটনের হোটেল। তবে সেখানে না থেকে থাকুন কৃষ্ণা নদীর বুকে ভবানী দ্বীপে। এখানেও অন্ধ্র পর্যটনের রিসর্ট আছে। বিজয়ওয়াড়া থেকে লঞ্চে নদী পেরিয়েই ভবানী দ্বীপ। অনলাইন বুকিং www.aptdc.gov.in

bhavani island resort
ভবানী দ্বীপে রিসর্ট।

() নাগার্জুন সাগরে থাকুন নাগার্জুন সাগর হিল কলোনিতে তেলঙ্গানা পর্যটনের হারিথা বিজয় বিহার হোটেলে। অনলাইন বুকিং www.telanganatourism.gov.in

() হায়দরাবাদে থাকার জন্য তেলঙ্গানা পর্যটনের দুটি হোটেল আছে। একটি বেগমপেটে হোটেল দ্য প্লাজা, তুলনায় দামি। অন্যটি গোলকুণ্ডা দুর্গের কাছে ইব্রাহিমবাগে তারামতী বরাদরি। অনলাইন বুকিং www.telanganatourism.gov.in

() সব জায়গাতেই বেসরকারি হোটেল আছে। রাজামুন্দ্রিতে বেসরকারি হোটেলেই থাকতে হবে। make my trip, goibibo, yatra.com, triviago.in ইত্যাদির মতো ওয়েবসাইটগুলিতে বেসরকারি হোটেলের সন্ধান পাবেন।

কী ভাবে ঘুরবেন

() রাজামুন্দ্রি পৌঁছে প্রথম দিন স্থানীয় যান ভাড়া করে দেখে নিন স্থানীয় দ্রষ্টব্য। দ্বিতীয় দিন করুন বোট ক্রুজ। তৃতীয় দিন রাজামুন্দ্রি থেকে গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আসুন কাকিনাড়া।

() রাজামুন্দ্রিতে অন্ধ্র পর্যটনের বোট ক্রুজের জন্য অনলাইন বুকিং করুন www.aptdc.gov.in

() বিজয়ওয়াড়ায় অবস্থানকালে প্রথম দিন অটো ভাড়া করে স্থানীয় দ্রষ্টব্য দেখে নিন। দ্বিতীয় দিন গাড়ি ভাড়া করে চলুন উন্ডাভল্লি, অমরাবতী ও মঙ্গলগিরি। তৃতীয় দিন সকালে গাড়ি ভাড়া করে চলুন কোন্ডাপল্লি। বিজয়ওয়াড়া ফিরে চলুন কুচিপুড়ি ও মাগিনাপুড়ি। পথে দুপুরের খাওয়া সেরে নিন।

nagarjunakonda
নাগার্জুনকোন্ডা।

() নাগার্জুন সাগরে স্থানীয় যান ভাড়া করে দেখে নিন ইথিপোথালা জলপ্রপাত ও অনুপু গ্রাম। আর নাগার্জুন সাগরের জেটিঘাট থেকে লঞ্চে চলুন নাগার্জুন পাহাড়ে মিউজিয়াম দেখতে।

() হায়দরাবাদে স্থানীয় যান ভাড়া করে ঘুরে নিন। প্রথম দু’ দিন হায়দরাবাদ শহরের দ্রষ্টব্য দেখে নিন। তৃতীয় দিন দেখে আসুন রামোজি ফিল্ম সিটি। বিশদ বিবরণ ও অনলাইন বুকিং-এর জন্য দেখুন ওয়েবসাইট www.ramojifilmcity.com । 

মনে রাখবেন

() ট্রেনের যাবতীয় খবরের জন্য দেখুন erail.in

(২) বিমানের খোঁজ পাবেন make my trip, goibibo, yatra.com, triviago.in ইত্যাদির মতো ওয়েবসাইটগুলি থেকে।

(৩) বিজয়ওয়াড়া স্টেশন থেকে অটোয় চার কিমি দূরের বার্ম পার্কে অন্ধ্র পর্যটনের চত্বরে চলে আসুন। এখানে থাকতে পারেন অথবা কৃষ্ণা নদী পেরিয়ে ভবানী দ্বীপে থাকতে পারেন। ভবানী দ্বীপে বুকিং থাকলে অন্ধ্র পর্যটনের লঞ্চ আপনাকে সেখানে পৌঁছে দেবে। প্রয়োজনে যতবার খুশি আপনি নিখরচায় নদী পারাপার করতে পারেন।

(৪) ভবানী দ্বীপে অন্ধ্র পর্যটনের হারিথা রিসর্টের ম্যানেজারকে বলে রাখলে গাড়ির ব্যবস্থা হয়ে যায়।

(৫) নাগার্জুন সাগরের জেটিঘাট থেকে লঞ্চে নাগার্জুন পাহাড় ৪০৪৫ মিনিটের জলযাত্রা। যাওয়াআসার টিকিট এক সঙ্গে কাটতে হয়। প্রথমে জেটিঘাটে এসে লঞ্চের সময় দেখে নিয়ে অনুপু ঘুরে আসবেন। অনেক সময় পর্যটকের অভাবে সকালের দিকে লঞ্চের ট্রিপ বাতিল করা হয়। সে ক্ষেত্রে আগেই অনুপু ঘুরে আসবেন। তা না হলে নাগার্জুন পাহাড় ঘুরে এসে অনুপু যাবেন।

(৬) নাগার্জুনকোন্ডার মিউজিয়াম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা। শুক্রবার বন্ধ। নাগার্জুনকোন্ডা থেকে শেষ লঞ্চ ছাড়ে বিকেল সাড়ে ৪টেয়। জেটিঘাটে লঞ্চের সময় চেক করে নেবেন।

(৭) শুক্রবার ও ছুটির দিন ছাড়া সালার জং মিউজিয়াম ১০৫টা খোলা।

(৮) গোলকুণ্ডা দুর্গে এমন সময়ে আসবেন যাতে বেশি ক্ষণ অপেক্ষা না করে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো দেখে নিতে পারেন।

hyderabadi biryani
হায়দরাবাদী বিরিয়ানি

(৯) হায়দরাবাদে  বিরিয়ানির স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

(১০) তেলঙ্গানা পর্যটন এক দিনের কন্ডাক্টেড ট্যুরে হায়দরাবাদ ঘোরায়। বিশদ বিবরণ ও অনলাইন বুকিং-এর জন্য দেখুন ওয়েবসাইট www.telanganatourism.gov.in । তবে এতে মন ভরে না। 

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.