gorkhaland darjeeling tourism

ওয়েবডেস্ক: পাহাড়ের রূপ পালটে গিয়েছে। গত বছরের বন্ধ-অবরোধ-অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে পাহাড়। গত বছরের শেষে দার্জিলিঙে বসেছিল পর্যটন উৎসব। তার পর থেকেই পর্যটনের প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে স্বশাসিত গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)।

পাহাড়ের পর্যটনকে নতুন ভাবে তুলে ধরতে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত ট্যুরিজম ফেয়ারের মঞ্চে বড়ো করে রয়েছে জিটিএ। এক দিকে যেমন পাহাড়ের বিভিন্ন পর্যটনস্থলকে আরও নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে, তেমনই পর্যটক টানার জন্য অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

কী এই অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম?

সান্দাকফুতে ট্রেকিং, দার্জিলিং-কালিম্পঙের বিভিন্ন জায়গায় প্যারাগ্লাইডিং এবং তিস্তাতে র‍্যাফটিং-সহ আরও নানা আকর্ষণ রয়েছে এই অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম বিভাগে, এমনই জানান জিটিএর পর্যটন বিভাগের এক আধিকারিক। সান্দাকফুতে ট্রেকিং তো আগেও ছিল, কিন্তু এখন প্যারাগ্লাইডিং এবং র‍্যাফটিংকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে সাধারণ পর্যটকদের মধ্যে।

ওই আধিকারিকের মতে, দার্জিলিং পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যটক ৪০ বছর বা তার নীচে। সেই পর্যটকদের আরও বেশি করে আকৃষ্ট করার জন্যই এই পরিকল্পনা জিটিএর।

gorkhaland darjeeling tourism

তবে শুধু অ্যাডভেঞ্চার পর্যটন নয়, পাহাড়ের চিরাচরিত টুরিস্ট স্পটগুলিকেও আরও বেশি জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা করছে জিটিএ। নিজেদের টুরিস্ট লজগুলি ছাড়াও হোমস্টে তৈরিতেও বেশি করে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে জিটিএর পর্যটন উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য জিতু রাই বলেন, “পাহাড়ের হোমস্টেগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে জিটিএ। তাদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে যাতে ওইখানেও পর্যটকরা থাকতে পারেন।”

এই মুহূর্তে দার্জিলিং, জোরপোখরি, দেলো, মিরিকে টুরিস্ট লজ রয়েছে জিটিএর। তবে জিতুবাবু বলেন, আরও অনেকগুলি টুরিস্ট লজ তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো লজগুলিরও রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। রাস্তাঘাট নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এমনিতেই পাহাড় স্বাভাবিক থাকলে পর্যটকদের কোনো খামতি থাকে না। এ বার জিটিএর লক্ষ্য, নতুন করে সেজে ওঠা পাহাড়ে যেন পর্যটকের সুনামি নামে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here