india tourism

নয়াদিল্লি: বর্তমানে দেশে গড়ে দেড় কোটি বিদেশি পর্যটক ভারত ভ্রমণে আসেন। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেই সংখ্যাটা অন্তত চার কোটিতে নিয়ে যাওয়াই উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্য সফল করার জন্য দেশের পর্যটনের প্রসারে বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক।

নয়া পরিকল্পনায় রয়েছে একটি জাতীয় পর্যটন বোর্ড তৈরি করা, বিদেশি পর্যটকদের সুবিধার্থে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলিতে ‘হেল্প ডেস্ক’ তৈরি করা, দেশের ঐতিহ্যশালী স্থাপত্যকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা, ভিসার নিয়ম শিথিল করা এবং বেসরকারি সংস্থাদের দিয়ে দেশের স্থাপত্যগুলিকে দত্তক নেওয়া।

এই মর্মে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রী কেজে আলফোন্স বলেন, “বর্তমানে চার কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। ২০২২-এর মধ্যে এই সংখ্যাটা দশ কোটিতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেই সঙ্গে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে আগত বিদেশি পর্যটকের সংখ্যাও যাতে বেড়ে চার কোটি হয়, সেটাও দেখতে হবে।”

কেন্দ্রের পর্যটন সচিব রশমি বর্মা বলেন, “বিদেশি পর্যটকরা যাতে বিমানবন্দরে বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করেই ছাড়পত্র পেয়ে যান, সেই জন্য বিমানবন্দরগুলিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের প্রধান বিমানবন্দরগুলিতে বিশেষ পরিষেবা কেন্দ্রও থাকবে।”

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “জাতীয় পর্যটন বোর্ড তৈরি করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে। সে ব্যাপারেও আমরা চিন্তাভাবনা শুরু করেছি।” এর পাশাপাশি বর্মা বলেন, “ঐতিহাসিক স্থাপত্যগুলোর দেখভালের জন্য ‘আডপ্ট-এ-মনুমেন্ট’ নামক এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ওই স্থানে পরিস্রুত পানীয় জল, পরিষ্কার বাথরুম-সহ আরও পরিষেবা দেওয়ার জন্যই এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।” ইতিমধ্যেই সাতটি এমন স্থাপত্যকে ‘দত্তক’ নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

অপর একটি অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশের জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কেন্দ্র।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here