এ ভাবেই সাজানো হচ্ছে মুকুটমণিপুরকে। নিজস্ব চিত্র
indrani sen
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: পথচিত্রে সাজছে ‘বাঁকুড়ার রানি’ মুকুটমণিপুর। গত বছর বাঁকুড়া সফরে এসে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর নজর কাড়ে এই পথচিত্র। এ বার পর্যটন মরশুমের শুরুতেই ভ্রমণপিপাসু বাঙালির মনের আর চোখের আরাম দিতে চেষ্টার কসুর করছে না মুকুটমণিপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, খাতড়া মহকুমা ও বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন।

১৯৫৬ সালে খাতড়া শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে সরকারি উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল মুকুটমণিপুর জলাধার। বাঁকুড়ার দক্ষিণাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুর ও হুগলির একাংশে সেচের জলের জন্য এই জলাধার তৈরি হলেও মুকুটমণিপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জল, পাহাড় আর জঙ্গলের অপরূপ মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।

এ বার আসা যাক পথচিত্রের কথায়। রাজ্যের মধ্য একমাত্র মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্রে দেখা মিলবে এই পথচিত্রের। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী চন্দন রায় ও তার সহকারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল অভিনব এই পথচিত্র। ফি বছর এই পথচিত্রই ছিল মুকুটমণিপুর পর্যটন ক্ষেত্রের অন্যতম দর্শনীয়। তাই এই বছরও সেই পথচিত্র নতুন করে আঁকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে বাঁকুড়ায় পথে নামলেন প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির সদস্যরা

এই মুহূর্তে শিল্পী চন্দন রায়ের নেতৃত্বে পথচিত্রের কাজ চলছে পুরোদমে। চন্দনবাবু বলেন, “প্রতি বছরই এই পথচিত্র পর্যটকদের মন কাড়ে।” বাঁকুড়ার জেলাশাসক ডা: উমাশঙ্কর এস বলেন, “পর্যটন শিল্পের বিকাশে মুকুটমণিপুরে বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মুকুটমণিপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ‘ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স’ তৈরির চিন্তাভাবনা করছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে অনেক মানুষ এখানে থাকতে পারবেন। একটি ওয়াচটাওয়ার তৈরির চিন্তাভাবনা হচ্ছে। পাশাপাশি জলক্রীড়ারও ব্যবস্থা করা হতে পারে।” পর্যটকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান জেলাশাসক। নতুন রূপে মুকুটমণিপুরের সৌন্দর্যায়নে খুশি পর্যটকরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here