patha sahi

ওয়েবডেস্ক: আপনার পথের সাথি ‘পথসাথী’। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গৃহ দফতরের উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয়েছে এই পথসাথীগুলি। মহিলা পরিচালিত এই ছোটো হোটেলগুলির মূল উদ্দেশ্য যাত্রাপথে আপনাকে একটু ধকলমুক্ত করে দেওয়া।

গাড়ি করে লং ড্রাইভে যাওয়ার সময়ে, বাথরুম পাওয়া একটা সমস্যা। বিশেষ করে মহিলাদের জন্য। সেই সমস্যার সমাধান এই ‘পথসাথি’তেই হয়ে যেতে পারে। আপনি যাত্রাপথে কিছুক্ষণ এখানে বিরতি নিয়ে জিরিয়ে নিতে পারেন। সেরে নিতে পারেন খাওয়াদাওয়াও। আবার চাইলে রাতটাও কাটিয়ে দিতে পারেন এখানে।

রাজ্যের কোথায় কোথায় রয়েছে ‘পথসাথি’ –

আলিপুরদুয়ার

মাদারিহাট ব্লকের বীরপাড়ায়। ৩১ডি জাতীয় সড়কের ধারে। হলং, জলদাপাড়া, সাউথ খয়েরবাড়ি, জয়ন্তী, হাতিপোতা, ভুটানঘাট, ফুন্টশোলিং ইত্যাদি জায়গা যাওয়ার রাস্তায়।

জলপাইগুড়ি

এই জেলায় তিনটে ‘পথসাথি’ রয়েছে – চালসা (৩১ সি জাতীয় সড়ক থেকে দেড় কিমি দূরে মাটিয়ালি রোডে), ফুলবাড়ি (শিলিগুড়ি শহর থেকে ১২ কিমি দূরে এশিয়ান হাইওয়েতে) এবং লাটাগুড়িতে (৩১ সি জাতীয় সড়কের পাশে)।

কোচবিহার

১২ এ রাজ্য সড়কের ধারে মেখলিগঞ্জের জামালদহে রয়েছে ‘পথসাথি’।

দার্জিলিং

চার জায়গায় ‘পথসাথি’ রয়েছে – বাগডোগরা (রাজ্য সড়কের ধারে), মিরিকে গাড়িধুরা সীমানা বস্তি রোডে, দার্সিজিলিং-এর পথে ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক ও হিল কার্ট রোডের কাছে সিপয়ধুরায়  এবং কার্শিয়াং ব্লকের সিঙ্গুলবাড়ি ব্লকে (রোহিণী রোড)।

দক্ষিণ দিনাজপুর

এই জেলায় তিনটে ‘পথসাথি’ রয়েছে। হিলি (৫১২ জাতীয় সড়কের পাশে), তপন (১০ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে) এবং বালুরঘাট ব্লকে পাতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতে (১০ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে)।

উত্তর দিনাজপুর

এই জেলায় তিনটে ‘পথসাথি’ রয়েছে – ইসলামপুর (৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে), ডালখোলা (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে) এবং ইটাহারে (৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে)।

মালদা

পুরাতন মালদায় (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিএসএফ ক্যাম্পের কাছে)।

মুর্শিদাবাদ

এই জেলায় তিনটে ‘পথসাথি’ রয়েছে – কান্দি ব্লকের আন্দি (কান্দি-সাঁইথিয়া রোডে), জলঙ্গি (ডোমকল-জলঙ্গি রোডে, বিডিও অফিসের কাছে) এবং  ফরাক্কায় (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এনটিপিসি-র কাছে)।

নদিয়া

এই জেলায় রয়েছে পাঁচটি ‘পথসাথি’ – রয়েছে হরিণঘাটা (জাগুলি মোড় থেকে কাঁপা মোড়ের দিকে যেতে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে ৫০০ মিটার দূরে), শান্তিপুর (রেলস্টেশনের দিকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে ২০০ মিটার দূরে), কৃষ্ণনগর (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে), রানাঘাট ২ নম্বর ব্লকের ঘাটগাছিয়া (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে)  এবং পলাশির কাছে দেবগ্রামে (৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে)।

উত্তর ২৪ পরগণা

এই জেলায় আট জায়গায় ‘পথসাথি’ রয়েছে – বেড়াচাঁপা (চন্দ্রকেতুগড়ের পথে রাজ্য সড়কের ধারে), বনগাঁ (বাংলাদেশ সীমান্তের পথে জাতীয় সড়কের ধােরে), স্বরূপনগর (হাকিমপুরের পথে রাজ্য সড়কের ধারে), মালঞ্চ (মালঞ্চ বাজারের পথে রাজ্য সড়কের ধারে), বসিরহাট (হাসনাবাদের পথে রাজ্য সড়কের ধারে), গাইঘাটা (ঠাকুরনগরের পথে জাতীয় সড়কের ধারে), পেট্রাপোল (বাংলাদেশ সীমান্তের পথে জাতীয় সড়কের ধারে) এবং অশোকনগরে (যশোর রোডের ধারে)।

দক্ষিণ ২৪ পরগণা

এই জেলায় ‘পথসাথি’ রয়েছে ছ’ জায়গায় – ডায়মন্ড হারবারের কাছে দলনঘাটা (কাকদ্বীপের পথে), পৈলানের কাছে ভাসা (ডায়মন্ড হারবার রোডে), বারুইপুর (কুলপি রোডে), ক্যানিং (ক্যানিং ব্রিজ রোডে), আমঝোরা (বাসন্তীর পথে ৩ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে) এবং কাকদ্বীপের কাছে কুলপিতে।

হাওড়া

আমতা ও উদয়নারায়ণপুরের মাঝে মুন্সিরহাটে আমতা রোডের ধারে ।

হুগলি

রয়েছে চারটে ‘পথসাথী’ –  চুঁচুড়া (জিটি রোডের ধারে), কামারপুকুর, মগরা (এসটিকেকে লিঙ্ক রোডের ধারে) এবং তারকেশ্বরে (আরামবাগগামী রাস্তার ধারে)।

পূর্ব মেদিনীপুর

‘পথসাথি’ রয়েছে নন্দকুমার (৪১ এবং ১১৬বি জাতীয় সড়কের ক্রসিং-এর কাছে দিঘার রাস্তায় বাঁ দিকে) এবং মেচেদায় (স্টেশন থেকে ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কের দিকে যেতে বাঁ দিকে)।

পশ্চিম মেদিনীপুর

‘পথসাথি’ রয়েছে ডেবরা (৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ডেবরা হরিমতী সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের কাছে), নিমপুরা (৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে) এবং নারায়ণগড়ে (৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের বাইপাস রাজ্য সড়কের ধারে  ।

ঝাড়গ্রাম

লোধাশুলিতে (৬ নম্বর জাতীয় সড়ক তথা বোম্বে রোডের ধারে)।

বাঁকুড়া

বড়জোড়া ব্লকের শালগাড়ায়। ৯ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে দুর্গাপুর থেকে বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, শুশুনিয়া, ছাতনা, অযোধ্যা পাহাড় ইত্যাদি জায়গা যাওয়ার পথে।

পুরুলিয়া

এই জেলায় পাঁচ জায়গায় ‘পথসাথি’ রয়েছে – চাষ মোড় (পুরলিয়ার পথে ৪এইচ রাজ্য সড়কের ধারে), রঘুনাথপুর (জয়চণ্ডী পাহাড়ের পাদদেশে ৫ নম্বর রাজ্য সড়কে), ঝাপড়া (৫ নম্বর রাজ্য সড়কে), হুড়া (৬০এ রাজ্য সড়কের ধারে) এবং বরাকর-পুরুলিয়া রোডে শর্বরী মোড়ে।

পশ্চিম বর্ধমান

আসানসোল-বরাকর রোডে পূর্ত দফতরের ইন্সপেকশন বাংলোয়।

বীরভূম

এই জেলায় চারটে ‘পথসাথি’ রয়েছে। ইলামবাজারের কাছে খয়রাবুনি (১৪ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে), নলহাটি (৬০ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে), সিউড়ির কাছে মহম্মদ বাজারে (৬০ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে) এবং বোলপুরের কাছে মকরামপুরে।

 

 

 

পূর্ব বর্ধমান

এই জেলায় সাত জায়গায় ‘পথসাথি’ রয়েছে – করজোনা (বর্ধমান-কাটোয়া রোডের ধারে), কালনা (৬ নম্বর রাজ্য সড়কের ধারে কালনা এসডি হাসপাতালের কাছে), গুসকরা (২বি জাতীয় সড়কে পূর্ত দফতরের অফিস চত্বরে), বুদবুদ (২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে), শক্তিগড় (২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে), সগরাই মোড় (বর্ধমান- আরামবাগ রোডে) এবং সমুদ্রগড়ে (এসটিকেকে রোডে)।

 

কোন্‌ ‘পথসাথি’তে কী কী সুবিধা আছে, কী ধরনের থাকার ব্যবস্থা আছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে ইত্যাদি বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here