কিন্তু এসবই শুকনো তথ্য। আসল কথা হল, ভারত হারল স্পিড, স্ট্যামিনা ও মানসিক শক্তির কাছে। স্কিলের কাছে নয়। পর্তুগিজ কোচ মাতোস সেটা জানতেন। তাই কিছুটা রক্ষণাত্মক ভাবেই দল সাজিয়েছিলেন। তাই হয়তো গোল খাওয়ার পর আক্রমণে উঠেও দ্বিধায় ভুগছিলেন কোমল-অনিকেতরা। মার্কিন বক্সি যখন বল নিয়ে গেছেন কোমলরা, তখনও দেখা গেছে বল দেওয়ার জন্য কোনো সতীর্থকে পাচ্ছেন না তাঁরা। লাগামছাড়া আক্রমণ করতে গেলে হয়তো দুটো গোল ভারত করত কিন্তু ৬টি গোল খেয়েও যেতে পারত। যেভাবে খেলার শেষ দিকে খেয়ে গেল তৃতীয় গোলটা। তবু ৯০ মিনিটে কখনও মনে হয়নি বল কন্ট্রোল, ড্রিবল, স্কিলে পিছিয়ে আছে নীল জার্সিধারীরা। শারীরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে এই বিশ্বাকাপেই পয়েন্ট পাওয়া হয়তো কঠিন। কিন্তু মাঝমাঠটা আরেকটু সংহত করা যেতেই পারে। আর যেটা হতে পারে, তা হল. এই খেলোয়াড়গুলোকে ধরে রেখে ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের নির্মাণের প্রয়াস। সেটা এআইএফএফ-এর হাতে।]]>

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন